…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য ঘিরে আবারও মুখোমুখি হয়েছে আইন, রাজনীতি, সংবাদমাধ্যম এবং…
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
- দুই হাজার বছর পর মিলল রোমান সেনাশিবির: হঠাৎ কেন পরিত্যক্ত হয়েছিল পুরো ঘাঁটি?
- ইরান যুদ্ধের মূল্য দেবে বাংলাদেশ? ঝুঁকিতে জিডিপি, রেমিট্যান্স ও জ্বালানি বাজার
- ঘাটতি গ্যাসে বাড়তি লোডশেডিং: সাময়িক সংকট নাকি দীর্ঘমেয়াদি?
- আফগানিস্তানের আড়াই দশক পর একই ভুল করছে ট্রাম্প
- ৫ই আগস্ট প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা
- আগস্ট ঘিরে পুলিশের মধ্যে চাপা আতঙ্ক কেন?
- মাছের সঙ্গে কি আমরা মাইক্রোপ্লাস্টিকও খাচ্ছি?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
উচ্চতা ১৩ থেকে ১৫ ফুট। রক্তাভ লাল চুল। দু’হাতে ও পায়ে ৬টি করে আঙুল। সেই সঙ্গে পেশিবহুল চেহারা। এই বর্ণনা শুনে মনের মধ্যে ‘দৈত্য’ বা ‘দানব’ শব্দের কথাই ভেসে ওঠা স্বাভাবিক। তবে এটা কোনও রূপকথা কিংবা কোনও লোককথা গল্প নয়? ২০০২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সঙ্গে সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছিল এমনই এক আশ্চর্য দৈত্যাকার মানব! অবিশ্বাস্য হলেও, খোদ যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নথি এবং মার্কিন সেনাদের বক্তব্য ছিল এমনটাই। কীভাবে মার্কিন সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াল এই দৈত্য? কীভাবেই বা এই দৈত্যের সন্ধান পেয়েছিলেন তারা? নিশ্চয়ই এই সব প্রশ্ন ভিড় করছে মনের মধ্যে? তবে শুরু থেকেই বলা যাক ঘটনাটা। ২০০২ সালের কথা। বছর খানেক…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংসদ নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের কৌশল নির্ধারণ করতে ব্যস্ত রয়েছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বিরোধীদের ওপর সরকারের দমনপীড়ন ও ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের হামলা বেড়ে চলেছে। তবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের উচিত আইনের শাসনের প্রতি সম্মান দেখানো এবং বিরোধী সমর্থকদের সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষা করা। গতকাল সোমবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) ‘বাংলাদেশ: রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর দমনপীড়ন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। যা উল্লেখ আছে প্রতিবেদনে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের আগে গণগ্রেপ্তার ও বিরোধী দলের সদস্যদের বাড়িতে পুলিশের…
নুপূর শর্মা, নবীন জিন্দলের পর বিজেপি নেতাদের ইসলামোফোবিয়ার আরেকটি উদাহরণ সামনে এলো। এবার দিল্লির বিজেপি সাংসদ প্রবেশ বর্মা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে মারাত্মক কথা বলেছেন। মুসলিমদের নাম না করে তিনি বলেছেন, “ওদের বয়কট করুন। ওদের স্টল থেকে সবজি কেনার কোনো দরকার নেই। ওরা যদি লাইসেন্স ছাড়া মাংসের দোকান খোলে, তা হলে পৌরসভাকে বলে বন্ধ করার ব্যবস্থা করুন।” প্রবেশ বর্মা বলেছেন ”আপনারা যদি ওদের সোজা রাখতে চান, তাহলে সম্পূর্ণ বয়কট করুন। আপনারা কি এটা মানেন? মানলে হাত উঁচু করুন এবং আমার সঙ্গে বলুন, আমরা ওদের বয়কট করব এবং ওদের চাকরিতে রাখব না। ” প্রবেশ বর্মার এই মন্তব্য সহ ভিডিও ভাইরাল…
ইরানে পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে গতকাল রোববার স্কুল থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাহিনী যেসব ভ্যান নিয়ে স্কুলে ঢুকেছিল, সেগুলো ছিল লাইসেন্স প্লেটবিহীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরে এসব তথ্য জানা গেছে। এদিকে গতকাল ইরানের কুর্দিস্তানে সব স্কুল ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বেশ কিছু ফুটেজে দেখা গেছে, দেশটির অনেকগুলো শহরে বিক্ষোভ হচ্ছিল। মানবাধিকার গ্রুপগুলো বলেছে, নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া কাঁদানে গ্যাসের শেল, ক্লাব এমনকি অনেক ক্ষেত্রে তাজা গোলাবারুদের মুখেও স্কুলের মেয়েরা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ চালিয়ে গেছে। তবে তেহরান তাজা গোলাবারুদ নিক্ষেপের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। স্কুল…
জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে কথিত হিজরতের নামে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নিরুদ্দেশ হওয়া ৩৮ জনের তালিকা দিয়েছে র্যাব। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার স্ক্রাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন এই তালিকা দেন। নিরুদ্দেশ থাকা প্রায় ৫০ জনের মধ্যে ৩৮ জনের নামসহ পরিচয় জানায় র্যাব। আল মঈন বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ৫০ জনের বেশি তরুণের বিষয়ে তথ্য পেয়েছি, যারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নিরুদ্দেশ হয়েছেন। তারা গত দুই বছরে নিরুদ্দেশ হয়েছেন। সবশেষ দেড় মাস আগে কুমিল্লা থেকে সাত তরুণ নিরুদ্দেশ হন।’ র্যাবের মুখপাত্র বলেন, ‘কোন জেলা থেকে কতজন নিরুদ্দেশ হয়েছেন, সেই তালিকা…
পশ্চিমা বিশ্ব ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা দেখেছিল গত শতকের ত্রিশের দশকে। যা ইতিহাসে ‘দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন’ বা ‘মহামন্দা’ নামে পরিচিত। সেই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় সংঘটিত হয়েছিল, এর তুলনীয় বিপর্যয় খুব কমই দেখেছে বিশ্ব। এই মন্দায় নানারকম সমস্যা তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের সকল স্থানীয় এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায়। বেকার হয়ে পড়েন কোটি কোটি আমেরিকান। ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন। শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই ধ্বংসাত্মক প্রভাব বিস্তার করেনি এই মহামন্দা। তৎকালীন মার্কিন রাজনৈতিক আবহাওয়াও পাল্টে দেয় এটি। ব্যর্থতার দায়ভার কাঁধে নিয়ে বিদায় নিতে হয় ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের। স্বাভাবিকভাবেই তারা আবার…
সম্প্রতি জাতিসংঘে উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিতর্ক প্রস্তাবে ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিল মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ। পাশাপাশি বিপক্ষে ভোট দিয়েছে মোট ১৯টি দেশ যাদের মধ্যে বেশিরভাগই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। শুধু এবারই নয়, জাতিসংঘে যতবারই উইঘুর ইস্যুতে গণভোট কিংবা বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে ততবারই নীরব ভূমিকায় দেখা গেছে মুসলিম বিশ্বকে। নানান কারণেই সরাসরি আঙ্গুল তোলার উপায় নেই চীনের বিরুদ্ধে। তবে উইঘুরে চীনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গত এক দশকে উঠেছে তাতে মুসলিম বিশ্বের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সংবাদমাধ্যমে। চোখে কাপড় বেঁধে আছে মুসলিম দেশগুলো বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জিনজিয়ানের বৃহত্তর মুসলিম অঞ্চলে। সেখানকার মুসলমানদের সংখ্যা…
কয়েক বছর ধরে শোনা যাচ্ছে, তিস্তা নদীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প হাতে নিয়েছে চীন। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, চীন সরকার নিজ উদ্যোগ ও খরচে দুই বছর ধরে তিস্তার ওপর সমীক্ষা চালিয়ে একটি প্রকল্প নির্মাণের প্রস্তাব দেয়। প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, তিস্তা নদীর ভূপ্রাকৃতিক গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে। ২০১৬ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে ২৭টি প্রকল্পের চুক্তি হয়েছিল। তার মধ্যে তিস্তা প্রকল্পও ছিল। প্রকল্পটি শুরুর পরপরই নানা জটে পড়ে। এখনও এই প্রকল্প বাস্তবায়নের আশায় উত্তরের মানুষ। সম্প্রতি, তিস্তা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সহ তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের দল।…
২০১১ সালের ২ জানুয়ারি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীতে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেবে। তত দিনে পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৯০০ কোটি। এই বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য এখনকার চেয়ে আরও ৫০ শতাংশ বেশি খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। আর তাই ভবিষ্যদ্বাণী করা হলো এই বলে যে, ওই দশকের (২০২০ থেকে ২০৩০) মাঝামাঝি নাগাদ পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষকে অনাহারে থাকতে হবে। তখন আর সাম্রাজ্য বিস্তার কিংবা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে যুদ্ধ হবে না, যুদ্ধ হবে খাদ্য নিয়ে। তবে খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর ২০৩০ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। তার আগেই পৃথিবীতে খাদ্য সংকট দেখা দেবে। বলা যায়…
মিশরের প্রাচীন শহর থিবসের কারনাকের এক মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন নেসিয়ামান। ৩০০০ বছর আগে মন্দিরেই তার মৃত্যু হয়। তবে চমকে যাওয়ার মতো বিষয় হলো, এতো বছর পর মমি করে রাখা সেই পুরোহিতকেই ফের বাঁচিয়ে তুললেন বিজ্ঞানীরা। এমনকি মৃত্যুর সময়ে তার শেষ কথা শুনলেন বিজ্ঞানীরা। মৃত্যুর সময়ে তার শেষ ইচ্ছা কী ছিল, তা তিনি এতো বছর পর জীবিত হয়ে জানালেন বিজ্ঞানীদের। তার কণ্ঠ খুব ক্ষীণ এবং অস্পষ্ট হওয়ায় শেষ ইচ্ছার কথা বিজ্ঞানীরা এখনো ভালো করে বুঝতে পারেননি। তবে তিনি যে কিছু শব্দ উচ্চারণ করেছেন তা স্পষ্ট শুনেছেন বিজ্ঞানীরা। তবে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, খুব তাড়াতাড়ি উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে মৃত্যুকালে তিনি ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন,…