…
এডিটর পিক
সীমান্তে সাধারণত শক্তির প্রদর্শন দেখা যায়। অস্ত্র হাতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী মুখোমুখি থাকে, সীমান্তের…
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
দিল্লিকে ঢাকার কঠিন শর্ত: হাসিনা ইস্যুতে ‘অবিশ্বাস’, নাকি ভারত-সম্পর্কে বড় রিসেট?
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- পুরুষ ইঁদুরের জিন বদলে স্ত্রী বানালেন বিজ্ঞানীরা
- মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান, কী বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী?
- ক্ষেপণাস্ত্রের গোপন প্রযুক্তি বেসরকারি হাতে দিচ্ছে ভারত—নিরাপত্তা ঝুঁকি কতটা?
- নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, মৃত্যু ১৬৫; নিখোঁজ ৮২৬
- বাংলাদেশের সীমান্তে কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, শটগান ফেলে পালাল বিএসএফ
- ইরানে কেন আটকে গেল আমেরিকা?
- জে-১০সিই কিনছে বাংলাদেশ? আকাশ প্রতিরক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের বাহন বানানোর ইতিহাস: ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক বর্বরতা
Author: নুর নবী দুলাল
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের অনেক সংবাদমাধ্যম সত্য প্রকাশে ব্যর্থ হয়েছিল—এ নিয়ে বিতর্কের সুযোগ সামান্য। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য উপেক্ষা করা, রাষ্ট্রীয় বক্তব্য প্রশ্নহীনভাবে প্রচার করা, নিহতের সংখ্যা ও দমন-পীড়নের মাত্রা আড়াল করা এবং প্রতিবাদকারীদের অপরাধী হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগ তখন থেকেই রয়েছে। সেই ব্যর্থতার নৈতিক ও পেশাগত বিচার হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু পেশাগত ব্যর্থতা, রাজনৈতিক পক্ষপাত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ—এই তিনটি এক নয়। একটির প্রতিকার জনসমালোচনা, সম্পাদকীয় জবাবদিহি বা পেশাগত শাস্তি হতে পারে; অন্যটির জন্য প্রয়োজন অপরাধ সংঘটনে সুনির্দিষ্ট অভিপ্রায়, কার্যকর সহায়তা এবং শক্ত প্রমাণ। এই পার্থক্য মুছে গেলে সাংবাদিকতার জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হয় না; বরং রাষ্ট্রের হাতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের নতুন অস্ত্র তৈরি হয়।…
মাত্র দুই বছর আগেও যিনি ছিলেন রাজপথের বিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ, বারবার কারাবরণ করা একটি দলের মহাসচিব এবং ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রধান সংগঠকদের একজন—সেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায়ে তিনি পৌঁছেছেন বঙ্গভবনে। কিন্তু এই পরিবর্তন কি কেবল একজন রাজনীতিকের অবস্থান বদল, নাকি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্যেও কোনো পরিবর্তনের সূচনা? ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ…
একটি সরকার সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করছে কি না, তা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় কেবল কতটি পত্রিকা বন্ধ হয়েছে বা কতজন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন—এই হিসাব নয়। দেখতে হয় কোন সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে না, কোন প্রশ্ন সংবাদ সম্মেলনে করা যাচ্ছে না, কোন সাংবাদিক মামলা বা হামলার আশঙ্কায় নিজেই ভাষা বদলে ফেলছেন এবং কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক জানেন যে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হলে তাঁর অন্য ব্যবসা বিপদে পড়তে পারে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সংকট অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের চেয়ে অপ্রকাশিত সংবাদের ভেতর বেশি দৃশ্যমান। বাংলাদেশে সরকার বদলের পর সংবাদমাধ্যমের পরিবেশে কিছু বাস্তব পরিবর্তন এসেছে। ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় দেখা দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধ, কেন্দ্রীয়ভাবে সংবাদ নিয়ন্ত্রণ এবং…
একসময় যে ভবনে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ছিল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত, আজ সেই ভবনই জনগণের জন্য উন্মুক্ত একটি স্মৃতি জাদুঘর। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন—দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, নিরাপত্তা ও শাসকগোষ্ঠীর দূরত্বের প্রতীক—এখন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির উদ্বোধন করেছেন। আলোকচিত্র, সরকারি দলিল, ভিডিও, আন্দোলনে ব্যবহৃত বস্তু, শহীদ ও আহতদের স্মারক এবং শেখ হাসিনার শাসনামলের রাজনৈতিক নিপীড়নের বিভিন্ন উপাদান সেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এর উদ্দেশ্য ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ‘প্রকৃত ইতিহাস’ সংরক্ষণ, শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের উত্তরাধিকার পৌঁছে দেওয়া। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে উদ্বোধন ও প্রদর্শনীর প্রাথমিক…
একটি শিশুর মৃত্যু কতবার “সর্বশেষ ঘটনা” হতে পারে, তারপরও যদি পরের সপ্তাহেই আরেকটি নতুন নাম যুক্ত হয় একই তালিকায়? পল্লবীর রামিসা থেকে নড়াইলের জান্নাতুল, টঙ্গী থেকে নাটোর— গত কয়েক মাসে বাংলাদেশজুড়ে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাপ্রবাহ এমন এক প্রশ্ন তুলে ধরেছে, যার উত্তর আইন প্রণয়নের চেয়েও গভীরে প্রোথিত— বিচারহীনতার সংস্কৃতি। পরিসংখ্যানের আড়ালে যে বাস্তবতা মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএসএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে অন্তত ১ হাজার ৮৯০ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত হয়েছে, ৫৮০ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের…
ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসেবে ভারতের কাছ থেকে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু এই চুক্তি কি নিছকই একটি অস্ত্র বিক্রি, নাকি দক্ষিণ চীন সাগরকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক বৃহত্তর কৌশলগত দাবার ছকের অংশ? কেন এই মুহূর্তে, কেন ইন্দোনেশিয়া, আর এতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার অবস্থানই বা কোথায়—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজলেই বোঝা যায়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্ষমতার সমীকরণ কতটা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চুক্তির বিবরণ মঙ্গলবার জাকার্তায় দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পৌঁছানো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তোর মধ্যকার বৈঠকের পর এই চুক্তি সইয়ের কথা নিশ্চিত করেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির…
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি আলোড়ন তুলেছে এক মিছিলের ভিডিও। সেখানে স্লোগান—‘নো আর্জেন্টিনা নো ব্রাজিল, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। হাতে কালেমা-অঙ্কিত সাদাকালো পতাকা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন তারা। শুধু রাজধানী নয়, নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেট থেকে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে এই পতাকার উপস্থিতি। বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট সমাবেশের ছবিও ভাইরাল হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে—ফুটবল আর ধর্মকে কেন জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে? কারা এই আয়োজনের পিছনে? তাঁরা কি নিছক ধর্মীয় আবেগ থেকে কাজ করছেন, নাকি কোনো সুপরিকল্পিত দেশি–বিদেশি চক্রের অংশ? ঘটনার গভীরতা বুঝতে গেলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজা জরুরি। মিছিলের স্লোগান ও বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, এসব আয়োজন কোনো এলোমেলো জনতা করছে না। বরং আয়োজকরা দেখতে…