…
এডিটর পিক
Political journeys often reveal how individuals evolve with time, responsibility and experience. The life of…
Trending Posts
-
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
মার্চ ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
মার্চ ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
মার্চ ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
মার্চ ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ধ্বংসের শুরু
- আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?
- হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দিতে ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ ইরানের
- From Fugitive to Prime Minister
- ভারত মহাসাগরে ভারতের অতিথি ইরানি জাহাজকে ডুবিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা প্রমাণ করল
- হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
- দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
- আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
১৮৩১ সালের ৮ জুলাই আমেরিকার জর্জিয়াতে জন্মেছিলেন জন পেম্বারটন। পড়াশুনায় ছোটবেলা থেকেই ভাল ছিলেন। রিফর্ম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ফার্মাসি নিয়ে পড়বেন বলে। ১৮৫০ সালে পেয়ে গিয়েছিলেন ফার্মাসিস্টের ডিগ্রি আর লাইসেন্স। তাঁর স্বপ্ন ছিল মানুষের রোগমুক্তির জন্য, বিভিন্ন রোগের ওষুধ আবিষ্কার করা। সেই লক্ষ্যে সফলভাবে এগিয়েও চলেছিলেন জন পেম্বারটন। কিন্তু সেইসময় দাসপ্রথা নিয়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল আমেরিকায়। গৃহযুদ্ধে জন পেম্বারটন লড়াই করেছিলেন জর্জিয়ার স্টেট-গার্ডের হয়ে। ‘ব্যাটল অফ কলম্বাস’-এর লড়াইয়ে মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন তিনি। যন্ত্রণা কমাতে নিতে শুরু করেছিলেন মরফিন ইঞ্জেকশন। দিনে তিন চারবার করে মরফিন নিতে নিতে, মরফিনের নেশায় চূড়ান্তভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন জন পেম্বারটন। তখনকার দিনেও মরফিন যথেষ্ট…
দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা এখন দৈনিক ১৪ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এর বড় একটি অংশ আসছে ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে। ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রটি থেকে দৈনিক বিদ্যুৎ আসছে ১২০০-১৪০০ মেগাওয়াট। যদিও চুক্তি অনুযায়ী আদানি থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিতে পারবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। সে হিসেবে একক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আদানির কাছ থেকেই এখন বিপিডিবি সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ কিনছে। দেশের বিদ্যুৎ চাহিদায় আদানি পাওয়ার বড় ভূমিকা রাখলেও এরই মধ্যে বিদ্যুতের বিল বাবদ বকেয়া ৪০০ মিলিয়ন (৪০ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে। যদিও বিপিডিবি বলছে, প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হচ্ছে। চলতি অক্টোবর পর্যন্ত…
পৃথিবীতে প্রাণীজগৎকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির থেকে রক্ষ্যা করতে সুরক্ষার ঢাল হিসেবে কাজ করে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর। মানুষের সৃষ্ট অতিমাত্রার রাসায়নিক ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসের কারণে ওজোন স্তরের বিভিন্ন জায়গায় ছিদ্র তৈরি হয়েছে বলে এক গবেষণায় জানা যায় ১৯৮০ সালে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ফুটোটি দেখা গিয়েছিল দক্ষিণ গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিকা অংশে। বিভিন্ন গবেষণা শেষে বিজ্ঞানীরা আশা করেছিলেন, উত্তর গোলার্ধে ছিদ্র অংশটি পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হবে ২০৩০ সাল নাগাদ আর অ্যান্টার্কটিকা অংশে সময় লেগে যেতে পারে ২০৬০ পর্যন্ত। কিন্তু হয়েছে এর উল্টো। বিজ্ঞানীরা সাম্প্রতিক উপগ্রহ ডাটা পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, অ্যান্টার্কটিকা অংশের ফুটো তো ভরেইনি, উল্টো ক্রমে তা দানবীয় আকার নিচ্ছে। এই ছিদ্র বড়…
বিজ্ঞানের জগতে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি- এই মহাবিশ্ব কী দিয়ে তৈরি? এর উত্তর খুঁজতে ইউরোপীয় একটি টেলিস্কোপ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এই মিশনের নাম ইউক্লিড যা দূরবর্তী কোটি কোটি গ্যালাক্সির ছবি তুলে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একটি নিখুঁত ত্রিমাত্রিক বা থ্রিডি ম্যাপ তৈরি করবে। বিজ্ঞানীরা এই ম্যাপের সাহায্যে কথিত ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার চেষ্টা করবেন। খবর বিবিসি’র। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বে আমরা যা কিছু দেখি তার সবকিছুর আকার ও বিস্তৃতিকে এই দু’টি জিনিসই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তবে গবেষকরা স্বীকার করে নিয়েছেন যে এই ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে তারা এখনো পর্যন্ত তেমন কিছুই জানেন…
গাজায় যোদ্ধাগোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিশোধ নেয়ার প্রত্যয়ে ভয়াবহ হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। শনিবার হামাসের আকস্মিক কয়েক হাজার রকেট হামলায় ইসরায়েলে কমপক্ষে ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইসরায়েল। বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ সেই হামলার প্রতিশোধ নিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবারই ইসরায়েলের বিমানবাহিনী আকাশপথে হামাসের লক্ষ্যবস্তু টার্গেট করে বোমা হামলা চালিয়েছে। স্থল অভিযানেরও ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় গাজায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৩০ ফিলিস্তিনি। আগতদেরকে নিয়ে গাজায় আল শিফা হাসপাতালে দৌড়াতে দেখা গেছে আত্মীয়স্বজনদের। আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলে হামাস যে সহিংস হামলা চালিয়েছে তাতে ৫০ বছর আগের ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।…
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড় থাকা বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে ভোটের প্রস্তুতিও নিচ্ছে৷ চলছে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ৷ এক্ষেত্রে খুব হিসেব করে পা ফেলতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও৷ সারাদেশে কাউন্সিলের পাশাপাশি প্রার্থীও বাছাইয়ের কাজটি এগিয়ে রাখছে সংসদে না থেকেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি৷ পরিস্থিতি পাল্টে গেলে দ্রুততার সঙ্গে যাতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা যায়, সেদিকটায় নজর দিচ্ছে দলের হাই কমান্ড৷ অন্যদিকে, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগে প্রার্থীর সংখ্যা এবার বাড়বে বলেই মনে করছেন দলটির নেতারা৷ তবে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বেশ সতর্ক অবস্থায় থাকতে চান ক্ষমতাসীনেরা৷ তাই কয়েক ধাপে জরিপের পর প্রার্থী চূড়ান্ত করবনে দলপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ শুধু…
মানবাধিকার ইস্যু ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি ঘোষণার পর থেকেই রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এবার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে, ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসছে। সেই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) বাংলাদেশকে দেওয়া শুল্ক সুবিধা পুনর্বিবেচনা করতে পারে। এসব গুঞ্জনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা বেশ উদ্বিগ্ন। বিদ্যমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের ভাবনা জানতে গতকাল তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেছে আজকের পত্রিকা। তাঁরা সবাই বলেছেন, যা শোনা যাচ্ছে তা কোনোভাবেই ব্যবসায়ীদের জন্য সুখকর নয়। বিশেষত…
কোনো ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি হলে বা অবনতির আশঙ্কা থাকলে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। দুর্বল ব্যাংকগুলোতে পর্যবেক্ষকের পরিবর্তে সমন্বয়ক নিয়োগ দেওয়া শুরু হয় গত বছরের জুলাইয়ে, বর্তমান গভর্নরের যোগদানের পর থেকে। পর্যবেক্ষক ও সমন্বয়ক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বিভিন্ন সভায় যোগদানের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তদারকি করে আসছেন। এরপরও গত এক বছরে বিশেষ তদারকিতে থাকা বেশির ভাগ ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। দেশের এক–চতুর্থাংশ বা ১৫টি ব্যাংক এখন এমন বিশেষ তদারকির আওতায় রয়েছে। এই তদারকির কাজে যাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের বাড়তি ভাতাও দিচ্ছে কেন্দ্রীয়…
ইসরায়েলের জরুরী বিভাগ বলছে ফিলিস্তিনিদের দিক থেকে আকস্মিক এবং নজিরবিহীন হামলায় অন্তত ২২ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। এছাড়া কমপক্ষে ৫৪৫ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এমন অবস্থায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন তার দেশ ‘যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে’। ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের দিক থেকে আকস্মিক আক্রমণ শুরুর পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এক বক্তব্য দিয়েছেন। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের বেশ কিছু অস্ত্রধারী দক্ষিণ ইসরায়েলে ঢুকে পড়েছে। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে হাজার হাজার রকেট নিক্ষেপের পর এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। “আমরা যুদ্ধের মধ্যে আছি, এটা কোন অভিযান নয়, কোন উত্তেজনা নয়, এটা যুদ্ধ,” বলেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র…
পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়। দক্ষিণ আমেরিকার বুকে গড়ে উঠেছিল প্রকাণ্ড এক প্রাচীন সভ্যতা। ইকুয়েডর থেকে শুরু করে চিলি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাই ছিল সে-যুগে দুই আমেরিকার মধ্যে বৃহত্তম সভ্যতা। কথা হচ্ছে ইনকাদের নিয়ে। যার কেন্দ্রস্থল ছিল পেরুর মাচুপিচু শহর। আজ থেকে সাড়ে পাঁচশো বছর আগে আন্দিজের মাথায়, প্রায় ৮ হাজার ফুট উচ্চতায় কীভাবে এই প্রাচীন শহর নির্মিত হয়েছিল— তা আজও বিস্মিত করে ইতিহাসবিদদের। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, অন্যান্য সভ্যতার মতো কোনো নিজস্ব লিখিত ভাষা কিংবা লিপি ছিল না ইনকাদের। তবে কীভাবে নিজেদের মধ্যে ভাবের আদানপ্রদান করত তারা? কীভাবেই-বা সংরক্ষণ করত তথ্য? এক কথায়…