Trial Run

লকডাউন মানতে বলায়  ৩ ট্রাফিক পুলিশকে ধ’রে মারধর

ছবি: ইত্তেফাক

করোনা উর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারাদেশের শুরু হয়েছে ৮ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন। জয়পুরহাটেও একই পরিস্থিতি। এই লকডাউনে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা তিন ট্রাফিক পুলিশকে মারধর করেছে লকডাউন অমান্যকারী একদল যুবক। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে লকডাউনে দায়িত্ব পালনের সময় শহরের বিআইডিসি মোড় এলাকায় তিন ট্রাফিক পুলিশকে মারধর করেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবক।

এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে জয়পুরহাট সদর থানার ওসি আলমগীর জাহান জানিয়েছেন। আটকরা হলেন জয়পুরহাট পৌর শহরের বুলুপাড়ার ফকির মণ্ডলের ছেলে সান্টু মণ্ডল (৩৫), সাহেব পাড়ার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে চঞ্চল হোসেন (৩০), রুপনগরের সোলায়মান আলীর ছেলে সাগর হোসেন (৩৫) ও  গুলশান মোড়ের শফিকুল ইসলামের ছেলে আশিকুর রহমান (৩০)।

এ ঘটনা প্রসঙ্গে  ওসি বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে ছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে বিআইডিসি মোড়ে পুলিশের চেক পোস্টের সামনের রাস্তা দিয়ে সান্টু মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন।

‘এ সময় তার মুখে মাস্ক এবং মাথায় হেলমেট না থাকায় চেক পোস্টের দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ সেন্টুর গতিরোধ করে। এ সময় তাকে মোটর সাইকেলের কাগজপত্র দেখাতে বলা হলে সেন্টুসহ স্থানীয় কয়েকজন যুবক তিন ট্রাফিক পুলিশকে মারধর করে।’

পরে তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ব্যারাকে আনা হয়েছে বলে জানান ওসি আলমগীর। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদের মধ্যে সান্টু মন্ডল ও চঞ্চল হোসেন কাদামাটি গ্রুপের সদস্য এবং তারা হত্যা মামলার আসামি বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, করোনা ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে ছিল জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের সদস্যরা। জেলা শহরের বিআইডিসি মোড়ে পুলিশের চেক পোস্টের সামনের রাস্তা দিয়ে আটককৃত সান্টু মন্ডল মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিলেন। সরকারি নির্দেশ অমান্য করা, মুখে মাস্ক না থাকা এবং মাথায় হেলমেট না থাকায় চেকপোস্টের দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ তাকে মোটরসাইকেলের সঠিক কাগজপত্র দেখাতে বললেই সানতুসহ স্থানীয় কয়েকজন যুবক ৩ ট্রাফিক পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করে। আহত ৩ ট্রাফিক পুলিশকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

এ ব্যপারে টি এস আই আবুল কাশেম বাদী হয়ে রাত সাড়ে ১০ টায় জয়পুরহাট থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।

এসডব্লিউ/এমএন/এসএস/১৫৪৭ 


State watch সকল পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত সংবাদ মাধ্যম, যেটি পাঠকদের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। যে কোন পরিমাণের সহযোগিতা, সেটি ছোট বা বড় হোক, আপনাদের প্রতিটি সহযোগিতা আমাদের নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বড় অবদান রাখতে পারে। তাই State watch-কে সহযোগিতার অনুরোধ জানাচ্ছি। 

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আপনার মতামত জানানঃ