
একটি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে জনমত সাধারণত দুটি ভিন্ন অনুভূতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। একদিকে থাকে নতুন সরকারের প্রতি প্রত্যাশা ও সময় দেওয়ার মানসিকতা, অন্যদিকে শুরু হয় তার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তব জীবনে কতটা পৌঁছেছে—সেই হিসাব। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের প্রথম জাতীয় অনুমোদন জরিপে বাংলাদেশের বর্তমান জনমতের ঠিক এই দ্বৈত চিত্রটিই উঠে এসেছে।
জরিপে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন। কিন্তু সরকারের সামগ্রিক কাজকে ইতিবাচক বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের ইতিবাচক মূল্যায়নের মধ্যে ব্যবধান ১১ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট। আরও নিচে নেমেছে দেশের সামগ্রিক গতিপথ সম্পর্কে আস্থা—বাংলাদেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে বলে মনে করেন ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা।
সংখ্যাগুলো পাশাপাশি রাখলে একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা স্পষ্ট হয়: মানুষের একটি বড় অংশ এখনো প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রাখছে, কিন্তু সেই আস্থা সরকারের সব মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠান ও নীতির প্রতি সমানভাবে বিস্তৃত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আপাতত সরকারের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক সম্পদ; একই সঙ্গে সরকারের দুর্বলতাগুলোর দায় শেষ পর্যন্ত তাঁর ওপর এসে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।
ব্যক্তির প্রতি আস্থা, ব্যবস্থার প্রতি সংশয়
বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই ব্যক্তিকেন্দ্রিক। সরকারকে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মূল্যায়নের চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় প্রধানের ভাবমূর্তিকে আলাদাভাবে দেখার প্রবণতা এখানে নতুন নয়। একজন নেতা নাগরিকদের কাছে আশা, পরিবর্তন কিংবা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন; কিন্তু মন্ত্রণালয়, প্রশাসন ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানুষ বিচার করে তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে।
তারেক রহমানের ক্ষেত্রে সম্ভবত এই দুই স্তরের মূল্যায়ন এক জায়গায় মিলছে না। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক সক্রিয়তা, সংকট স্বীকার করার প্রবণতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বার্তা মানুষের একাংশের কাছে ইতিবাচক হিসেবে ধরা পড়ছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থকদের মধ্যেও তাঁর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা থাকার তথ্যটি তাৎপর্যপূর্ণ। জরিপে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ, এনসিপি সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেওয়া উত্তরদাতাদের ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর কাজকে ভালো বলেছেন। ডপলার/ইনোভিশনের প্রকাশিত ফলাফল
এটি শুধু দলীয় সমর্থনের ফল নয়; বরং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা দলীয় সীমানা কিছুটা অতিক্রম করেছে—এমন একটি প্রাথমিক ইঙ্গিত। কিন্তু ব্যক্তির প্রতি এই ইতিবাচক মনোভাব সরকার পরিচালনার সব ক্ষেত্রে কার্যকর আস্থায় রূপ নেয়নি।
কারণ একজন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য মানুষ সংবাদে শোনে, কিন্তু সরকারের কার্যকারিতা বিচার করে নিজের ঘরের বিদ্যুৎ, রান্নার গ্যাস, বাজারের বিল, চাকরির সুযোগ, থানার আচরণ এবং সরকারি দপ্তরের সেবার মাধ্যমে। এই জায়গাগুলোতেই বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ধরা পড়েছে।
জনপ্রিয়তার নিচে দৈনন্দিন দুর্ভোগ
জরিপে কোনো সম্ভাব্য উত্তরের তালিকা না পড়ে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জানতে চাওয়া হয়েছিল। ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির কথা বলেছেন। প্রায় সমান—৫৯ দশমিক ১ শতাংশ—নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যকে প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এরপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা, ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান, ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ।
মানুষ যেসব সমস্যাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলেছে, ঠিক সেসব ক্ষেত্রেই সরকারের মূল্যায়ন সবচেয়ে খারাপ। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাকে খারাপ বলেছেন ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ উত্তরদাতা। গ্যাস ও জ্বালানির ক্ষেত্রে নেতিবাচক মূল্যায়ন ৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নিত্যপণ্যের দাম সামলানোর ক্ষেত্রে ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ। এই অসন্তোষ অঞ্চল, আয় ও শিক্ষার স্তরভেদে খুব একটা বদলায়নি। অর্থাৎ সংকটটি কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
এই পরিসংখ্যানই প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের মূল্যায়নের ব্যবধানের সবচেয়ে বাস্তব ব্যাখ্যা দেয়। মানুষ হয়তো এখনো মনে করছে প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন, কিন্তু সরকারের পুরো যন্ত্রটি সেই চেষ্টা অনুযায়ী ফল দিতে পারছে না। এটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য আপাতত রাজনৈতিক সুবিধা হলেও দীর্ঘ মেয়াদে নিরাপদ অবস্থান নয়।
কারণ সাধারণ মানুষের কাছে রাষ্ট্রের সাফল্য শেষ পর্যন্ত কোনো বক্তৃতা, পরিকল্পনা কিংবা ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্ধারিত হয় না। রান্না করা যাচ্ছে কি না, কারখানা চলছে কি না, বিদ্যুৎ থাকছে কি না এবং মাসের আয় দিয়ে বাজারের খরচ মেটানো যাচ্ছে কি না—সরকারের প্রতি আস্থা নির্ধারিত হয় এসব প্রশ্নে।
আশাবাদ আছে, স্বস্তি এখনো আসেনি
জরিপের সবচেয়ে গভীর বার্তাটি সম্ভবত মানুষের পারিবারিক অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে। ৪৬ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, এক বছর আগের তুলনায় তাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে। ভালো হয়েছে বলেছেন মাত্র ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ।
তারপরও আগামী ১২ মাসে পরিবারের অবস্থা ভালো হবে বলে আশা করছেন ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ। দেশ নিয়ে এক বছর আগের তুলনায় বেশি আশাবাদী হওয়ার কথা বলেছেন ৪৮ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ মানুষ বর্তমান নিয়ে অসন্তুষ্ট হলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে পুরোপুরি হতাশ হয়ে পড়েনি।
এই বৈপরীত্যই সম্ভবত প্রধানমন্ত্রীর উচ্চ অনুমোদনের মূল রাজনৈতিক ভিত্তি। মানুষ এখনো তাঁকে সমস্যার স্রষ্টা হিসেবে নয়, সমাধানের সম্ভাব্য বাহক হিসেবে দেখছে। তারা বর্তমান দুর্ভোগকে হয়তো অতীত থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সংকট, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কিংবা নতুন সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় রূপান্তরের সময় হিসেবে বিবেচনা করছে।
কিন্তু এই আশাবাদকে অর্জিত সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জরিপ প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠানও সতর্ক করেছে—আগামী দিনের উন্নতির প্রত্যাশা বাস্তবে কোনো উন্নতি ঘটে যাওয়ার প্রমাণ নয়। এটি সরকারের হাতে থাকা সময় ও রাজনৈতিক পুঁজির ইঙ্গিতমাত্র।
মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে সময় দিচ্ছে, কিন্তু সেই সময় অসীম নয়।
সরকার কি প্রধানমন্ত্রীর গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে?
প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে সরকারের মূল্যায়ন নিচে থাকার আরেকটি সম্ভাব্য কারণ মন্ত্রিসভা ও প্রশাসনের দৃশ্যমানতার ঘাটতি। অধিকাংশ মন্ত্রণালয়ের কাজ সাধারণ মানুষ আলাদা করে অনুসরণ করে না। কোনো ইতিবাচক উদ্যোগের কৃতিত্ব প্রায়ই প্রধানমন্ত্রীর কাছে যায়; অথচ বিদ্যুৎ বিভ্রাট, গ্যাসের ঘাটতি, বাজারের ঊর্ধ্বগতি কিংবা প্রশাসনিক ব্যর্থতা সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ফলে একটি অসম রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি হয়—সাফল্যের মুখ একজন, ব্যর্থতার চেহারা পুরো সরকার।
ডপলারের জরিপ প্রকাশের অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ মোহাম্মদ শাহানও প্রধানমন্ত্রীর উচ্চ অনুমোদনকে সরকারের জন্য স্বস্তির পাশাপাশি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখেছেন। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার কাজের সামঞ্জস্য না থাকলে সরকারের রাজনৈতিক ‘হানিমুন’ দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ইনোভিশন কনসাল্টিং
সরকারের জন্য ইতিবাচক দিকও আছে। জরিপে শিক্ষা ছিল মূল্যায়ন করা সাতটি নীতিক্ষেত্রের মধ্যে একমাত্র ক্ষেত্র, যেখানে সরকারের কাজকে ইতিবাচক বলেছেন ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রতি সমর্থন ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ এবং করনীতির প্রতি সমর্থন ৭০ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ মানুষ সরকারের সবকিছু প্রত্যাখ্যান করছে না। যেসব নীতির উদ্দেশ্য পরিষ্কার কিংবা সম্ভাব্য সুবিধা দৃশ্যমান, সেখানে সমর্থনও মিলছে।
সমস্যা হলো, সরকারের ইতিবাচক নীতিগুলোর প্রভাব এখনো বিদ্যুৎ, জ্বালানি, দ্রব্যমূল্য ও কর্মসংস্থানের মতো প্রতিদিনের সংকটকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি।
জরিপটি কীভাবে পড়তে হবে
এই ফলাফলকে বাংলাদেশের সব মানুষের চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। জরিপটি ৬ থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে টেলিফোনে পরিচালিত হয়েছে। ২০২৫ সালের একটি পূর্ববর্তী জরিপের ১০ হাজার ৪১৩ জন অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ৩ হাজার ৪৪৩টি পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়। উত্তরদাতারা দেশের ৬৪ জেলার ৪৮৯টি ওয়ার্ড ও গ্রামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী ফলাফলে ওজন প্রয়োগ করা হয়েছে। প্রকাশিত মার্জিন অব এরর প্রায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ পয়েন্ট; উপদল ও বিভাগীয় ফলাফলে অনিশ্চয়তা আরও বেশি। দ্য ডেইলি স্টার
টেলিফোন জরিপে কারা ফোন ধরেছেন, কারা উত্তর দিতে রাজি হয়েছেন এবং পূর্ববর্তী জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে নমুনা নেওয়ার প্রভাব—এসব সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে করা প্রশ্ন দুটি মানুষের মনে ভিন্ন ধারণা তৈরি করতে পারে। তাই ১১ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট ব্যবধান দেখেই নির্দিষ্ট কোনো মন্ত্রী বা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যাবে না।
তবু বিভিন্ন শ্রেণি, অঞ্চল ও রাজনৈতিক সমর্থকদের মধ্যে একই প্রবণতা পাওয়া যাওয়ায় জরিপটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংকেত দেয়।
সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা
সরকারের সামনে এখন দুটি পথ। প্রথমটি হলো প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তাকে সরকারের সাফল্য বলে ধরে নিয়ে আত্মতুষ্ট হওয়া। দ্বিতীয়টি হলো এই জনপ্রিয়তাকে সীমিত সময়ের রাজনৈতিক সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে প্রশাসন ও মন্ত্রিসভার কার্যকারিতা বাড়ানো।
দ্বিতীয় পথটি বেছে নিতে হলে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের বাস্তবসম্মত সময়সূচি, জ্বালানি আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনের পরিষ্কার পরিকল্পনা, নিত্যপণ্যের বাজারে প্রতিযোগিতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার সংস্কার এবং কর্মসংস্থান তৈরির দৃশ্যমান উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করলে হবে না; কখন, কীভাবে এবং কতটা স্বস্তি আসবে—মানুষকে তার যাচাইযোগ্য হিসাব দিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনায়ও জনমত সমানভাবে বিভক্ত—৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ ইতিবাচক এবং ঠিক ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ নেতিবাচক। এর অর্থ সরকার এই খাতে এখনো মানুষের স্থায়ী আস্থা অর্জন করতে পারেনি।
তারেক রহমানের জন্য জরিপের বার্তাটি একই সঙ্গে স্বস্তি ও সতর্কতার। স্বস্তি হলো, ছয় মাস পরও তাঁর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা শক্তিশালী এবং দলীয় সীমানার বাইরেও এর উপস্থিতি রয়েছে। সতর্কতা হলো, সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে মানুষের অভিজ্ঞতা তাঁর জনপ্রিয়তার সঙ্গে মিলছে না।
রাজনীতিতে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা কিছুদিন সরকারকে সময় দিতে পারে। কিন্তু বিদ্যুৎহীন ঘর, গ্যাসহীন কারখানা, ব্যয়বহুল বাজার এবং কর্মহীন তরুণের সামনে সেই জনপ্রিয়তা চিরস্থায়ী ঢাল হয়ে থাকতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী এখনো এগিয়ে আছেন; সরকার পিছিয়ে। ব্যবধানটি কমবে কি না, সেটিই নির্ধারণ করবে বর্তমান আস্থা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নেবে, নাকি অপূর্ণ প্রত্যাশার নতুন হতাশা হয়ে ফিরে আসবে।
আপনার মতামত জানানঃ