…
এডিটর পিক
ক্যারিবীয় সাগরের নীল জলে ঘেরা একটি দ্বীপ—লিটল সেন্ট জেমস। বহু বছর ধরে এই দ্বীপটিকে ঘিরে…
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- কাবার গিলাফ, ‘মসজিদ’: এপস্টেইন দ্বীপের অজানা অধ্যায়
- ভয়ানক ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্ট: যেভাবে উধাও হয়েছিল জাহাজ
- বিবর্তন থামেনি—মানুষের শরীরে চলছে নতুন পরিবর্তন
- তেলের পর মধ্যপ্রাচ্যের মেঘ চুরি করছে আমেরিকা
- মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
- মানুষের হাতেই যেভাবে সৃষ্টি হতে যাচ্ছে ‘মানুষের নতুন প্রজাতি’
- গণভোটের প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা: কারণ কী?
- পারমাণবিক যুগের সূচনা: শুরু হচ্ছে ফুয়েল লোডিং
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
পবিত্র কোরআনের হাফেজ, অথচ গাজার জন্য একটি বাক্যও উচ্চারণ করেন না। যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্তির নোবেলের জন্য মনোনয়ন দেন। তিনি পাকিস্তানের বর্তমান সেনাপ্রধান—ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। কাগজে-কলমে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে থাকা এই ব্যক্তির নীরবতা শুধু দুর্বলতা নয়, এটি এক ধরনের যৌথ ভণ্ডামির প্রতীক। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে মুসলিম উম্মাহর রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছে। পদক ঝোলানো বীরদের পেছনে ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতীক, কায়দামতো সাজানো কোরআন পাঠ—সব মিলিয়ে একটি আবেগনির্ভর শাসনের নৈতিক মুখোশ। কিন্তু এই মুখোশ খসে পড়ে যখন গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে ফিলিস্তিনিরা মারা যায়, আর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব কেবল ‘গভীর উদ্বেগ’ জানিয়ে বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব…
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের শাসন শেষ হয়েছে এক রক্তাক্ত ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে। এক সময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী এই নেত্রী এখন নিভৃতে প্রবাসজীবনে, আর দেশের মানুষ দাঁড়িয়ে আছে এক দুর্নীতির পরিণতি ও রাজনৈতিক দিশাহীনতার সীমানায়। তবে এই পতনের গল্প শুধু ঢাকার রাজপথেই সীমাবদ্ধ নয়; এর আরেকটি অধ্যায় রচিত হচ্ছে লন্ডনের বিলাসবহুল টাউনহাউস, প্রাসাদ আর ব্যাংক একাউন্টের আড়ালে। সম্প্রতি ব্রিটিশ জাতীয় অপরাধ দমন সংস্থা (NCA) বাংলাদেশের সাবেক ক্ষমতাবানদের নামে যুক্তরাজ্যে জমাকৃত বিপুল সম্পদ ফ্রিজ করেছে। সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মতো প্রভাবশালী সাবেক মন্ত্রীর নামে শত শত অ্যাপার্টমেন্ট, টাউনহাউস ও ব্যক্তিগত সম্পদ থাকা এখন আর গুজব নয়, বরং আদালতের ডকুমেন্টেড রেকর্ড। তার নামে যুক্তরাজ্যে ১৭০ মিলিয়ন পাউন্ডের…
গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত চারজনের লাশ সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে দাফন ও দাহ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে প্রকৃতভাবে কার গুলিতে বা কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, সেটি আর জানা সম্ভব হবে না বলেই মত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। একে শুধু আইনি বিচ্যুতি বলেই নয়, বরং অপরাধ গোপনের একটি “তৎপর প্রচেষ্টা” হিসেবেও দেখছেন কেউ কেউ। বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে চারজন নিহত এবং অন্তত ৫০ জন আহত হন। নিহতরা হলেন দীপ্ত সাহা, রমজান কাজী, সোহেল রানা ও ইমন তালুকদার। অথচ আইন অনুযায়ী, এমন সহিংসতায়…
বাংলাদেশের পরমাণু বিজ্ঞানীরা আজকাল গবেষণার জগৎ থেকে অনেকটাই সরে গিয়ে যেন খাদ্য নিরাপত্তার প্রহরীতে পরিণত হয়েছেন। যাদের মূল কাজ হওয়ার কথা ছিল ভবিষ্যতের প্রযুক্তি উদ্ভাবন, তারা এখন ব্যস্ত দেশের বন্দরে বন্দরে আমদানিকৃত খাদ্যপণ্যের তেজস্ক্রিয়তা শনাক্ত করতে। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য যে বাজেট বরাদ্দ হয়, তা শুনলে রীতিমতো বিস্মিত হতে হয়। একজন পরমাণু বিজ্ঞানীর জন্য বছরে মাত্র ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ! আধুনিক গবেষণা কিংবা প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জনের পথে যা নিঃসন্দেহে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বাজেট বিশ্লেষণ বলছে, গত পাঁচ বছরে মোট বরাদ্দ ছিল প্রায় ১,২২৬ কোটি টাকা। কিন্তু এর অর্ধেকের বেশি গেছে বেতন-ভাতায়। গবেষণায় মাত্র ২৪ কোটি…
বাংলাদেশে বহু বছর ধরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকদের উপর দমন-পীড়নের অভিযোগ পুরনো হলেও বর্তমান বাস্তবতা আরও ভয়াবহ। একদিকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশায় অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো নতুন পরিবেশে মুক্তভাবে মতামত জানানো যাবে। কিন্তু বাস্তবে চিত্রটা ঠিক উল্টো—যেন আরেক স্তরের ভয়, চাপ আর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। বেসরকারি একটি টেলিভিশনের সাংবাদিক ফজলে রাব্বীর অভিজ্ঞতা যেন এই ভয়াবহ বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। জুলাই হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা নিয়ে একজন উপদেষ্টাকে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি, যেটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তার চাকরি হারাতে হয়। আজ প্রায় তিন মাস ধরে বেকার তিনি। তার বক্তব্য, “একটা ট্যাগ দিয়ে দিয়েছে আমাকে। এখন চাকরির জন্য বড় ভাইদের…
চীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—এটা শুধু একটি বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বৈশ্বিক রাজনীতির কৌশলগত পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রমাণ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের (USITC) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে মাত্র ৫৫৬ মিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি করেছে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। অথচ এপ্রিল মাসেই এই পরিমাণ ছিল ৭৯৬ মিলিয়ন ডলার। চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্রমাগত অবনতির প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে কঠোর বাণিজ্যনীতির কারণে এই পতন ঘটেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ২০২৫ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প প্রশাসন চীনা পোশাকের ওপর সর্বোচ্চ ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে, যার ফলে মার্কিন খুচরা বিক্রেতারা নতুন উৎস খোঁজে…
বাংলাদেশ বর্তমানে এমন এক ভূরাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তে অবস্থান করছে, যেখানে একদিকে রয়েছে মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ, অন্যদিকে ভারতীয় সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর বিচ্ছিন্নতাবাদ, পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামরিক মেরুকরণের নতুন ধারা। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে অধিকাংশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি বাড়াতে ব্যস্ত। অথচ বাংলাদেশ বিপরীত পথে হাঁটছে। যদিও সামরিক বাজেট টাকার অংকে বেড়েছে, ডলারের মূল্যে তা প্রকৃত অর্থে কমে গেছে। এর অধিকাংশ ব্যয় হচ্ছে সেনানিবাস নির্মাণ, হাসপাতাল, অডিটোরিয়াম ও প্রশিক্ষণ ভবন তৈরির মতো অবকাঠামোতে। ফলে অস্ত্র ও যুদ্ধসামগ্রী কেনায় বরাদ্দ কমে যাচ্ছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অস্ত্র আমদানি আগের পাঁচ বছরের তুলনায় প্রায় ৪৮ শতাংশ কমেছে। ২০১৯…
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য সংঘাত এখন আর শুধু পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানো বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এক গভীর ভূরাজনৈতিক কৌশলগত প্রতিযোগিতার রূপ নিয়েছে, যেখানে দুই দেশই নিজেদের ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণের চেষ্টা করছে। জেনেভা ও লন্ডনে সাম্প্রতিক আলোচনায় কিছু স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও, এটি যে একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সাময়িক বিরতি মাত্র, তা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেখানে এসব সাময়িক সমঝোতাকে ‘চুক্তি’ হিসেবে মার্কিন জনগণের সামনে উপস্থাপন করছেন, সেখানে চীন বরং এটিকে নিজেদের আত্মনির্ভরতা ও কৌশলগত সাফল্যের ধাপ হিসেবে দেখছে। ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এই বাণিজ্যযুদ্ধে চীন যে মাত্রায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা শুধু…
ওড়িশার বালেশ্বর জেলার এক তরুণী শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক আত্মাহুতির ঘটনায় পুরো ভারত শোকস্তব্ধ। মাত্র ২০ বছর বয়সী এই ছাত্রীটি তারই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন একবার নয়, বহুবার। কখনও কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে, কখনও সামাজিক মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ট্যাগ করে বিচারপ্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান কিংবা সমাজ—কেউই শোনেনি তার সেই আর্তনাদ। শেষ পর্যন্ত আশাহত হয়ে গত শনিবার কলেজের অধ্যক্ষের ঘরের সামনে নিজ শরীরে আগুন লাগিয়ে দেন তিনি। ৯০ শতাংশের বেশি দগ্ধ অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয় ভুবনেশ্বরের এইমস হাসপাতালে। সোমবার রাতে সেই তরুণী মৃত্যুর কাছে হার মানেন। এই ঘটনা শুধু এক ব্যক্তির নয়, এটি একটি গোটা ব্যবস্থার ব্যর্থতার চিত্র।…
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে একযোগে বাংলাদেশি নাগরিক শনাক্তকরণের যে অভিযান শুরু হয়েছে, তা ঘিরে তৈরি হয়েছে এক গভীর বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট এই ব্যাপারে প্রশ্ন তোলে, কেন হঠাৎ করে দেশজুড়ে বাংলাদেশিদের শনাক্তের এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো এবং কেন সব রাজ্যে জুন মাসকেই বেছে নেওয়া হলো এই অভিযানের জন্য। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও ঋতমকুমার পরিচালিত ডিভিশন বেঞ্চ সরাসরি প্রশ্ন তোলে, এটি পূর্বপরিকল্পিত পদক্ষেপ কি না এবং এই ধরনের অভিযান থেকে কী ধরনের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ইস্যুর পর সন্দেহভাজনদের গতিবিধির ভিত্তিতে তাদের ডাকা হয়েছে এবং বাংলাভাষার…