…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বহুদিন ধরেই এক কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে ভূগোলের চেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে মৃত্যু, আতঙ্ক…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
মার্চ ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
মার্চ ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সীমান্ত কূটনীতিতে বিএনপির অভূতপূর্ব সাফল্য: প্রথম মাসে হত্যা শূন্য
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে হাত ছিল ইসরায়েলের: চাঞ্চল্যকর নথি ফাঁস
- যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
- ইরান যুদ্ধে পাশে নেই মিত্ররা, ট্রাম্প একা
- ভারতের আরএসএস ও র’য়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় মার্কিন কমিশন
- বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের দলিল
- যুদ্ধের ড্রাইভিং সিটে ইরান
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
আইন ও সালিশ কেন্দ্র হিসাব দিয়েছে যে ২০২০ সালে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে, অর্থাৎ গ্রেপ্তারের পর নিহত হন ১১ জন। এ ছাড়া গ্রেপ্তারের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতনে মারা যান ৫ জন এবং গুলিতে নিহত হন ৮ জন। ২০১৯ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মোট ১৮ জন মারা গিয়েছিলেন; ২০১৮ সালে ১৭ জন। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চার বছরে ২৬০ জন হেফাজতে মারা যান, ২০১৬ সালে এক বছরেই মারা যান ৭৮ জন। যদিও এই সব মৃত্যু এখন পরিসংখ্যান মাত্র। দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বন্দুকযুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা আগের থেকে কমলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু আবারও অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে…
বাংলাদেশে যানবাহন কম হলেও দুর্ঘটনা বেশি। প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় ২১ হাজারের বেশি মানুষ। বাংলাদেশের সড়কগুলো এখন হয়ে উঠেছে এশিয়ায় অন্যতম প্রাণঘাতী। সড়ক দুর্ঘটনা যখন দেশের চিরস্থায়ী এক ব্যধিতে বদলে যাচ্ছে, তখন সামনে এলো নতুন তথ্য। সড়কে সবচেয়ে বেশি আইন ভাঙেন খোদ আইনপ্রয়োগকারী পুলিশ সদস্যরাই। এমনকি আইন ভঙ্গ করে তারা নিজের জীবনই ফেলে দেন ঝুঁকির মধ্যে। খোদ বাংলাদেশ পুলিশের তথ্যই বলছে, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। বাংলাদেশ পুলিশের একটি সমীক্ষা অনুসারে, প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩.২ জন সাধারণ মানুষ মারা যান, অথচ পুলিশ সদস্য মারা যান ৩০ জন।…
এই সময়ে পাকিস্তানকে ঘিরে সবথেকে বড় যে প্রশ্নটা উড়ছে তা হল, দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কি গদি হারাবেন। ইমরানের গদি হারানোর জল্পনার মাঝেই নয়া পাক প্রধানমন্ত্রীর নামও ভেসে উঠেছে। সূত্রের খবর, নয়া প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ)-এর নেতা শাহবাজ। এদিকে, আজ ৩০ মার্চ পর্যন্ত পাক সংসদের অধিবেশন স্থগিত করা হয়েছিল। আগামী রবিবার পাক পার্লামেন্টে ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে ভোটাভুটির কথা। কিন্তু তার আগেই একের পর এক সহযোগী প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারের উপর থেকে প্রকাশ্যে সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা করছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাভুটির আগেই তিনি ইস্তফা দিতে পারেন বলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার বিকেলে ইমরানের…
ধারণা করা হয়, ১৮২০-৭০ এর মধ্যবর্তী কোনো একসময়ে আমেরিকায় শিল্পবিপ্লবের গোড়াপত্তন ঘটে। এই সময় শিল্পবিপ্লব ত্বরান্বিত করতে বাষ্পীয় ইঞ্জিন ব্যবহারের মাধ্যমে রেলগাড়ির আবিষ্কার পণ্য ও মানুষ পরিবহনের ক্ষেত্রে রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে দেয়। শিল্পকারখানাগুলোতে পণ্য উৎপাদনে বিভিন্ন যন্ত্রে বাষ্পীয় ইঞ্জিনের ব্যবহার ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা। বাষ্পীয় ইঞ্জিনে কয়লা থেকে বাষ্প উৎপন্ন করে সেই বাষ্প কাজে লাগিয়ে ইঞ্জিন চালনা করা হতো। এই কয়লা পাওয়া যেত বিভিন্ন কয়লাখনি থেকে। কিন্তু কয়লাখনি থেকে শিল্পকারখানা পর্যন্ত কয়লা পরিবহন করা ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ। মার্কিন সরকার কয়লাখনিসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতে বিশাল রেললাইন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। আমেরিকার পশ্চিম ভার্জিনিয়া অঞ্চলে বিশাল এলাকা জুড়ে ছিল কয়লাখনি। তাই সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী…
২০২১ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। একই বছরে পোশাক শিল্পের বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনামের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১০৮ কোটি ডলার। সে হিসাবে ২০২১ সাল শেষে ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৪৭২ কোটি ডলার মূল্যের। এর মাধ্যমে ভিয়েতনামকে টপকে ফের পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে আরও প্রায় তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং ভিয়েতনামের ট্রেড প্রমোশন কাউন্সিলের (ভিয়েট্রেড) পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। চীনকে কি টপকাতে পারবে? তৈরি পোশাকের বাণিজ্যে বাংলাদেশের সামনে আছে…
অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশের সমুদ্র উপকূল বৈচিত্র্যময়ী এই মাছের দেখা মেলে। এ পর্যন্ত সি হর্সের ৪৬টি প্রজাতির খোঁজ পাওয়া গেছে; যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট জাতের আকার একটি বাটার বিনের সমান এবং সবচেয়ে বড় জাতের আকার মোটামোটি একটি বেসবল গ্লাভসের সমান। বেশিরভাগ মানুষই প্রাণীটিকে এর বিশেষ এক ক্ষমতার জন্য চেনে। প্রায় সবক্ষেত্রেই স্ত্রী-জাতের প্রাণীদের সন্তান ধারণ করতে দেখা গেলেও ঘোড়মাছের বেলায় একদমই ভিন্নচিত্র দেখা যায়। যদিও সন্তান জন্ম দেয়া থেকে শুরু করে তাকে বড় করে তোলার দায়িত্ব মায়ের উপরই বর্তায়। প্রাণীজগতেও এই রীতি রয়েছে। যদিও কিছু প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়, মা ডিম পাড়লেও বাবা সেটি রক্ষণাবেক্ষণ করে। অনেক সময় পাখির…
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সমঝোতা বৈঠকের পর ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে কিছুটা লাগাম টানার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের আশপাশ ও উত্তরাঞ্চলীয় শহর চেরনিহিভে সেনা কমানোর কথা বলেছে তারা। প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সমঝোতা আলোচনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের সদস্য ও প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক। রাশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেক্সান্দার ফোমিন বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চলমান আলোচনায় আস্থা তৈরি এবং পরবর্তী সমঝোতার পথ তৈরির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও কিয়েভের আশপাশ ও চেরনিহিভ শহর থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে জানানো হয়েছে। কেন নরম হলো রাশিয়া এক মাসের বেশি সময় ধরা চলা…
অদ্ভুত এক যুবকের নাম রডরিগো ব্রাগা। ব্রাজিলের সাও পাওলোতে তার নিবাস। ৩২ বছর বয়সি রডরিগো বর্তমানে সারা পৃথিবীতে পরিচিত ‘কুকুর-মানব’ নামে। কারণ তার চেহারাটাই ছিল কুকুরের মতো। অথচ কয়েক বছর আগেও আর পাঁচটা মানুষের মতো স্বাভাবিক চেহারা সম্পন্ন ছিলেন তিনি। সুদর্শন হিসেবে সুনামও ছিল তার। কিন্তু সব কিছুই বদলে যায় রডরিগোর প্রিয় পোষা কুকুরটির মৃত্যুর পরে। নিজের পোষ্যকে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসতেন রডরিগো। সেই কুকুরটির আকস্মিক মৃত্যুকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। তিনি ভাবছিলেন কীভাবে নিজের পোষ্যের স্মৃতিকে জীবিত করে রাখবেন। ভাবতে ভাবতেই এক দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি। স্থির করেন, নিজের চেহারাটিকেই গড়ে নেবেন নিজের মৃত চারপেয়ে…
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কর্মপদ্ধতিতে আস্থা নেই অধিকাংশ আমেরিকানের। ৭১ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, বাইডেনের অধীনে দেশ ভুল পথে যাচ্ছে। পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে জড়ানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এই মত দিল। অন্যদিকে, ৪০ শতাংশ আমেরিকান বাইডেনের নেওয়া পদক্ষেপগুলোতে আস্থা রাখেন। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবার পর দিন দিন কমছে জো বাইডেনের জনপ্রিয়তা। তারা মনে করছেন জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হবার পর তিনি সমাজে কোন অর্থবহ পরিবর্তন আনতে পারেননি । বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজলি কিবরিয়া বলছিলেন, আফগানিস্তান থেকে বিশৃংখলভাবে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার থেকে শুরু করে করোনাভাইরাস মহামারি, তেল ও জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়া – এরকম বেশ কয়েকটি কারণে লোকে জো বাইডেনের ব্যাপারে হতাশ…
মহামারি করোনার ধাক্কায় ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো মানব উন্নয়নে নিম্নমুখী হয়েছে বিশ্ব। আর এর ছোবলে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চরম দরিদ্র লোকের সংখ্যা বেড়েছে। এই অঞ্চলের ৯ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে এই মহামারি। ম্যানিলাভিত্তিক সংস্থা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এক প্রতিবেদনে এ উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ‘বিল্ডিং ফরওয়ার্ড টুগেদার: টুওয়ার্ডস অ্যান ইনক্লুসিভ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহামারি করোনাভাইরাস বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অঞ্চল এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (আগের এশিয়া অঞ্চল) দারিদ্র্য পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করেছে। এটা ধনী-গরিব বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।…