Author: ডেস্ক রিপোর্ট

সাড়ে চারশো কোটি বছর আগে সৃষ্টি হওয়া এ পৃথিবী শুরুতেই আজকের ভৌগলিক ম্যাপ পেয়ে গেছে এমন নয়। সৃষ্টির প্রথম দিকে অথৈ জলোসমুদ্রে খুব কমই স্থলভাগ ছিল, অনেকটা ছোট ছোট দ্বীপের মতো বিচ্ছিন্নভাবে। এসবের আগ্নেয়গিরি থেকে ক্রমাগত লাভা নির্গত হতো। লাভা আর টেকটোনিক প্লেটের নড়ন-চড়নে ক্রমান্বয়ে বিস্তৃত হতে থাকে স্থলভাগ। মজার ব্যাপার হলো, একটা সময় মহাদেশ ছিল একটিই যেটা সময়ের সাথে বিবর্তন হয়ে এখনকার রূপে এসেছে। বলেছেন জার্মান বিজ্ঞানী আলফ্রেড ওয়েগেনার। আর সেই ‘এক মহাদেশ’র নাম দিয়েছিলেন ‘প্যানজিয়া’। প্রশ্ন হচ্ছে, কেমন ছিল সেই এক মহাদেশ প্যানজিয়া? কেন, কিভাবে এটি বিভক্ত হয়ে আলাদা আলাদা আলাদা মহাদেশের সৃষ্টি হয়েছে? ৪.৫ বিলিয়ন বছর অর্থাৎ…

Read More

জন ফ্রান্সোঁয়া গিসিম্বা ১৯৯৪ সালের ৬ই এপ্রিল বিকেলে রেডিওতে কাজ শেষে বাড়ি যাবার জন্য তৈরি হচ্ছিলেন। তার অন্য সহকর্মীরা তখন অফিসে বসে আফ্রিকান কাপ ফুটবলের খেলা দেখছিল। তখনই বিকট শব্দে প্রকম্পিত হয়ে উঠে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালি। গিসিম্বা বলেন, তখন কিছু একটা বিস্ফোরণ ঘটলো। কিগালি ছোট শহর। আমরা সবাই বিস্ফোরণের শব্দ শুনলাম। যে বিস্ফোরণের কথা বলছিলেন গিসিম্বা তা ছিল রুয়ান্ডার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানাকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত করার শব্দ। তিনি ছিলেন সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায়ের। এর পরপরই রুয়ান্ডা জুড়ে শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা ও হত্যাযজ্ঞ। সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের সর্বস্ব দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের উপর। মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে…

Read More

সব প্রাণীই মলত্যাগ করে থাকে খাদ্য পচনের পর বর্জিত অংশ বার করে দেওয়ার জন্য। শরীর সুস্থ রাখতেই মানুষ থেকে শুরু করে সব প্রাণী মলত্যাগ কলে থাকে। কিন্তু এ বিশ্বে এমন এক প্রাণী রয়েছে যারা মলত্যাগ করতে নামলেই তারা বেশির ভাগ প্রাণ হারান । সেই প্রাণীর নাম হল স্লথ। মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার জঙ্গলে এই স্লথদের দেখতে পাওয়া যায়। এমনিতেই খুব ধীর হওয়ার কারণেই এই প্রাণীর নাম স্লথ। এরা সাধারণত গাছে বসবাস করে। সপ্তাহে একবার মলত্যাগ করে থাকে এই প্রাণীরা। আর গাছ থেকে নীচে নেমে মাটিতে না এলে তাদের মলত্যাগ হয় না। সপ্তাহে ১ বার যখন তারা মলত্যাগ করে তখন তারা…

Read More

র‍্যাবকে নিয়ে ডয়চে ভেলে এবং নেত্র নিউজে প্রকাশিত রিপোর্ট সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীকে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ মন্তব্য করেছেন মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। একজন সাংবাদিক এ সময় তার কাছে প্রশ্ন করেন- সম্প্রতি জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে এবং সুইডেনভিত্তিক নেত্র নিউজ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে বাংলাদেশে র‍্যাব বিচারবহির্ভূত ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত। প্রথমবারের মতো দু’জন হুইসেলব্লোয়ার এই বাহিনীর ভিতরের তথ্য প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, এই হত্যাকাণ্ডে উপরের নির্দেশ থাকতে পারে। এ নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না? জবাবে প্যাটেল বলেন, এই আর্টিকেল এবং ভিডিওর বিষয়ে আমরা…

Read More

পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা। দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের গড়ে ৯৮ ভাগই প্রায় দুই কিলোমিটার পুরু বরফাবৃত। এক কোটি ৪০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে থাকা এই বরফাবৃত অঞ্চলকে পৃথিবীর শুষ্কতম মরুভূমি হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। মাঝে মধ্যেই বিজ্ঞানীরা অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলে যাওয়া সম্পর্কে সাবধান করছেন পৃথিবীর মানুষকে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্লাইমেট সায়েন্স বিভাগের গবেষকরা জানিয়েছেন, গত দেড় থেকে দুই দশক ধরে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে গলেছে অ্যান্টার্কটিকার বরফ। সেখানে গত ২৫ বছরে গলেছে ৩ লক্ষ কোটি টন বরফ! এই গতিতে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলতে থাকলে আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে অ্যান্টার্কটিকার পশ্চিমপ্রান্তের বরফ খণ্ডগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ গলে যাবে।…

Read More

ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের গুয়াহাটির এক মন্দিরে নারীকে বলিদানের ঘটনায় দেশটির পুলিশ অন্তত পাঁচ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গুয়াহাটির ওই মন্দিরে প্রায় চার বছর আগে মুণ্ডহীন লাশ উদ্ধারের পর বিস্মিত হয়েছিলেন পুলিশের কর্মকর্তারা। দীর্ঘ তদন্তের পর পুলিশ ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে বুধবার ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ঝাড়ফুঁক, মন্ত্রতন্ত্র, জলপড়া বা তান্ত্রিকদের দাপট চলছে দিব্যি৷ হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে এই কুসংস্কারের বলি হচ্ছে অনেক জীবন৷ প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে কামাখ্যা মন্দিরে এক নারীর মুণ্ডহীন লাশ উদ্ধারের পর বিস্মিত হয়েছিলেন পুলিশের কর্মকর্তারা। দীর্ঘ তদন্তের পর পুলিশ ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে…

Read More

প্রায় ৫,৫০০-এরও বেশি মহিলা গার্ড জার্মান কনসেন্ট্রেশন শিবিরে কাজ করেছিলেন বলে জানা গেছে। এই মহিলারা তাদের পুরুষ সমকক্ষদের মতো সমান হিংস্র ছিল এবং নিছক বর্বরতায় সক্ষম ছিল। বন্দীদের যখন কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে আনা হতো, তখন থেকে শুরু হতো তাদের অনাহারী জীবনের সূত্রপাত। এরপর থেকে যতদিন তাদের ক্যাম্পগুলোতে থাকা লেগেছে, ততদিন এটাই ছিলো তাদের নিত্যসঙ্গী। স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য একজন মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় যা যা থাকা প্রয়োজন, তার ছিটেফোঁটাও বরাদ্দ ছিলো না তাদের জন্য। বন্দীদের কাছ থেকে জানা যায় কাঠের মিহি গুড়া থেকে তৈরি পাউরুটি, রোগাক্রান্ত ঘোড়ার মাংস থেকে তৈরি সসেজ আর অত্যন্ত নিম্নমানের চা থাকতো অধিকাংশ বন্দীর খাদ্য তালিকায়। খাদ্যের…

Read More

মহাকাশ থেকে রেডিও সিগন্যাল ভেসে আসছে, এমন কয়েকটি খবরে হইচই পড়ে গিয়েছিল চীনে। এখন তাদের দাবি, পৃথিবীর বাইরেও প্রাণ থাকতে পারে। কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে কারা যেন সংকেত পাঠাচ্ছে। রেডিও টেলিস্কোপে ধরা পড়ছে রহস্যময় আওয়াজ। ভিনগ্রহে কি তাহলে সত্যিই প্রাণের অস্তিত্ব আছে? আমরা জানি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে যেমন নেই কোনও জল-হাওয়া-বাতাস, তেমন নেই শব্দও। অথচ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন কিছু সময় বাদে বাদেই রেডিও সিগন্যাল আসছে পৃথিবীতে। তা যে স্পেস সেন্টার বা পৃথিবী থেকে পাঠানো কোনও যন্ত্র থেকে নয়, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত। তবে কারা পাঠাচ্ছে এই বেতার-বার্তা? সেই উত্তর খুঁজে চলেছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। মহাকাশের অজানা দিক নিয়ে প্রতিদিনই কাজ করে চলেছেন গবেষকরা। কখনও…

Read More

বুদ্ধিমত্তার দিক থেকে মানুষের কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে শিম্পাঞ্জি ও বানর। এছাড়া ডলফিন, অক্টোপাস, কাক, কুকুর, বিড়াল, টিয়াপাখিরও বুদ্ধিমত্তা অন্যসব প্রাণীর চেয়ে উন্নততর। কিন্তু মানুষ খুব সহজে এসব প্রাণীদের নিজের পোষ মানাতে পারে। সেটা সম্ভব হয়েছে মানুষের সবচেয়ে উন্নত মস্তিষ্ক থাকার কারণে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি পৃথিবীর সকল প্রাণীর মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা থাকতো তাহলে কী হতো? অথবা হঠাৎ করে যদি পৃথিবীর সকল প্রাণী বিচারবু্দ্ধিসম্পন্ন হয়ে ওঠে তাহলে কী ঘটতে পারে? মানুষ কি তার আধিপত্য ধরে রাখতে পারবে? অথবা পৃথিবীর সকল প্রাণী কি এরপরও কোনো একক প্রাণীর দ্বারা শাসিত হবে? আপাতদৃষ্টিতে এটা কিম্ভুতকিমাকার এক প্রশ্ন। পৃথিবীর সকল প্রাণীর মানুষের মতো বোধসম্পন্ন হওয়ার…

Read More

বায়োলুমিনেসেন্স, বাংলায় জৈবদ্যুতি। কিন্তু কাকে বলে বায়োলুমিনেসেন্স? জীবন্ত জীবদেহ থেকে হরেক রঙের আলো উৎপাদন এবং পরিশেষে নিঃসরণের ঘটনাকে বলে বায়োলুমিনেসেন্স। এটি একটা জৈবিক ঘটনা। জোনাকির মতো যেসকল জীবের এই ক্ষমতা আছে, তাদেরকে বলা হয় বায়োলুমিনেসেন্ট। সচরাচর আমরা বায়োলুমিনেসেন্ট হিসেবে জোনাকিকে দেখে থাকি, কিন্তু আদতে এরকম আলোদানকারী জীবের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়! উদ্ভিদ আর স্তন্যপায়ী প্রাণী ব্যতিত বহু কীটপতঙ্গ, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, প্লাঙ্কটন এবং অসংখ্য সামুদ্রিক মাছ বায়োলুমিনেসেন্সের মাধ্যমে মাধ্যমে আলো তৈরির ক্ষমতা রাখে। স্কুইড, ড্রাগনফিশ, অ্যাংলার ফিশ, অক্টোপাস, জেলিফিশ, ক্লিক বিটল, ডিনোফ্লাজেলাটিস… নাম বলে শেষ করা যাবে না এদের। আশ্চর্যের কথা হলো, সামুদ্রিক জীবের মধ্যেই এর সংখ্যা বেশি। সামুদ্রিক প্রাণীদের…

Read More