ভারতের রাজনীতিতে আন্দোলন নতুন কোনো ঘটনা নয়। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে কৃষক, শিক্ষার্থী, শ্রমিক কিংবা নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে দেশটি বহু বড় গণআন্দোলনের সাক্ষী হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যে আন্দোলনটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে, সেটি হলো ‘ককরোচ’ বা ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন ভারতের তরুণদের ক্ষোভ, হতাশা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। নিট (NEET) মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, বেকারত্ব এবং সরকারের জবাবদিহির দাবিতে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন এখন রাজধানী দিল্লি ছাড়িয়ে ভারতের প্রায় সব রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লির যন্তরমন্তর চত্বর ভারতের তরুণদের প্রতিবাদের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু হলেও আন্দোলনে যোগ দিতে থাকেন শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ককরোচ’ পরিচয়কে প্রতিরোধের প্রতীক বানিয়ে আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, রাষ্ট্র যদি তরুণদের মূল্যহীন মনে করে, তাহলে সেই পরিচয়কেই তারা প্রতিবাদের ভাষা বানাবেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখো মানুষের সমর্থন পেয়ে বাস্তব রাজপথেও শক্ত অবস্থান তৈরি করে।
আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তারা শুধু পরীক্ষা বাতিল বা পুনরায় আয়োজন নয়, বরং পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, দায়ীদের বিচার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছে। তাদের মতে, বছরের পর বছর বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলেও কার্যকর শাস্তির নজির খুব কম দেখা গেছে। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করাই সরকারের অগ্রাধিকার। তবে আন্দোলনকারীরা বলছেন, শুধু আশ্বাসে আস্থা ফিরবে না; প্রয়োজন দৃশ্যমান পদক্ষেপ। তাই সরকারের ঘোষণার পরও যন্তরমন্তরে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।
সিজেপি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ঘোষণা দেয়, শুক্রবার ভারতের প্রতিটি জেলা, শহর ও গ্রামে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট, ওয়ান ডে, ওয়ান ডিমান্ড’ স্লোগানে তারা শিক্ষার্থী, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য, এটি কেবল একটি পরীক্ষার আন্দোলন নয়; বরং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, দুর্নীতির অবসান এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ রক্ষার আন্দোলন।
আন্দোলন যত বিস্তৃত হয়েছে, ততই বেড়েছে প্রশাসনের কড়াকড়ি। দিল্লির যন্তরমন্তর ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্দোলনের একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এতে বহু মানুষ আহত হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানবাধিকার সংগঠন, বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজ সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছে।
এদিকে দিল্লি পুলিশের প্রতিরোধমূলক আটক করার ক্ষমতার মেয়াদ আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং প্রতি তিন মাস পরপর নবায়ন করা হয়। তবে আন্দোলনকারীরা এবং বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করছে, এই ক্ষমতা আন্দোলন দমনে ব্যবহার করা হতে পারে। বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।
ভারতের বিরোধী দলগুলোও আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এবং আরও কয়েকজন বিরোধী নেতা সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, তরুণদের ন্যায্য দাবিকে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সংসদের ভেতরেও বিষয়টি নিয়ে সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ককরোচ আন্দোলন কেবল একটি পরীক্ষা বা একজন মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই। এটি ভারতের তরুণ প্রজন্মের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির প্রশ্ন এখন একই সূত্রে গাঁথা হয়ে গেছে। ফলে এই আন্দোলন ভবিষ্যতে ভারতের রাজনৈতিক বাস্তবতায়ও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
ভারত গত দুই দশকে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন, নাগরিকত্ব আইনবিরোধী আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন এবং নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে একাধিক বড় গণবিক্ষোভ দেখেছে। প্রতিবারই এসব আন্দোলন সরকারকে নীতি পরিবর্তন বা নতুন উদ্যোগ নিতে বাধ্য করেছে। বর্তমান ককরোচ আন্দোলনও সেই ধারাবাহিকতার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। পার্থক্য হলো, এবার আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর তরুণ প্রজন্ম, যারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করতে রাজি নয়।
এখন সবার নজর শুক্রবারের দেশব্যাপী কর্মসূচির দিকে। সিজেপির ডাকে কত মানুষ রাজপথে নামেন, সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপ কতটা বাড়ে—এসব প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে ভারতের এই নতুন যুব আন্দোলনের পরবর্তী অধ্যায়। আপাতত এটুকু স্পষ্ট, নিট প্রশ্নফাঁসের ক্ষোভকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন ভারতের তরুণদের বৃহত্তর অধিকার ও জবাবদিহির দাবির প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
যন্তরমন্তরের আন্দোলন ঘিরে ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং কোচিং হাবগুলোতেও প্রতিবাদের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। দিল্লি, লখনউ, জয়পুর, পাটনা, কলকাতা, চণ্ডীগড়, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদসহ একাধিক শহরে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, মোমবাতি প্রজ্বলন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি এবং শান্তিপূর্ণ মিছিলের আয়োজন করেছে। অনেক জায়গায় অভিভাবকরাও সন্তানদের ভবিষ্যৎ রক্ষার দাবিতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #JusticeForStudents, #NEETScam এবং #CockroachMovement হ্যাশট্যাগে লাখো পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়; বরং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করার নাগরিক উদ্যোগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলো এখন কোটি কোটি তরুণের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। একটি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা শুধু কয়েক হাজার পরীক্ষার্থীকে নয়, পুরো ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। একেকজন শিক্ষার্থী বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, কোচিং এবং পারিবারিক ত্যাগের মধ্য দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। সেই পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠলে হতাশা, ক্ষোভ এবং অবিশ্বাস তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। এ কারণেই নিট ইস্যু দ্রুত একটি জাতীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।
ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই আন্দোলনের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর বিকেন্দ্রীভূত চরিত্র। আন্দোলনের কোনো একক নেতা নেই; বরং বিভিন্ন শহরের স্থানীয় সংগঠক ও স্বেচ্ছাসেবকেরা নিজেদের উদ্যোগে কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই তাদের সবচেয়ে বড় সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম। ফলে প্রশাসনের জন্য আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করা আগের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ মুহূর্তের মধ্যেই জনসমক্ষে চলে আসছে।
সরকার অবশ্য দাবি করছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং যারা অপরাধ করেছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা ইতোমধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে এবং অর্থ লেনদেন, প্রশ্নপত্র পাচার ও সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের সন্ধান পাওয়ার কথাও জানিয়েছে। তবে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না; এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের সুযোগ না থাকে।
এদিকে দিল্লিতে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো এবং প্রতিরোধমূলক আটক করার ক্ষমতার মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার মতো কঠোর আইনি কাঠামোকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা হলে গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে প্রশাসনের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সম্ভাব্য সহিংসতা ঠেকাতেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুই পক্ষের এই অবস্থান আন্দোলনকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
ভারতের ইতিহাসে বড় বড় গণআন্দোলনের দিকে তাকালে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তরুণরাই পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন, নির্ভয়া আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন কিংবা নাগরিকত্ব আইনবিরোধী বিক্ষোভ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থী ও যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান আন্দোলনকেও অনেকেই নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন।
অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ বলছেন, ভারতের বিপুল যুব জনসংখ্যা দেশটির সবচেয়ে বড় শক্তি। কিন্তু এই জনগোষ্ঠী যদি শিক্ষা, চাকরি ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে বারবার হতাশ হয়, তাহলে তা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বর্তমান সংকটকে কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে না দেখে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, পরীক্ষা পরিচালনায় প্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপত্তা জোরদার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত।
আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি হলো, পরীক্ষা ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা। তাদের ভাষ্য, মেধার মূল্যায়ন যদি নিশ্চিত না হয়, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বও দুর্বল হয়ে পড়বে। এ কারণে তারা শুধু নিট নয়, অন্যান্য জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে।
সব মিলিয়ে, ‘ককরোচ’ বা ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন এখন একটি প্রতীকে পরিণত হয়েছে—যে প্রতীক তরুণদের ক্ষোভ, হতাশা এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে একসঙ্গে তুলে ধরছে। সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একদিকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের ন্যায্য উদ্বেগের বিশ্বাসযোগ্য সমাধান দেওয়া। আগামী দিনগুলোতে সরকারের পদক্ষেপ, তদন্তের অগ্রগতি এবং দেশজুড়ে ঘোষিত কর্মসূচির প্রভাবই নির্ধারণ করবে এই আন্দোলন সাময়িক ক্ষোভে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণআন্দোলনে পরিণত হবে।
আপনার মতামত জানানঃ