ভারতের আসাম রাজ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজার ১০০টিরও বেশি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম বলে জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। একই অভিযানে ১০টিরও বেশি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। তবে মসজিদ ভাঙার এই দাবির স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। অন্যদিকে পরিবার উচ্ছেদের সংখ্যা, অভিযানের স্থান এবং আদালতের নির্দেশসংক্রান্ত তথ্য একাধিক সংবাদসূত্র ও আদালতের নথিতে সমর্থন পেয়েছে। ফলে ঘটনাটির মূল অংশের সত্যতা থাকলেও এর সব দাবি একই মাত্রায় প্রমাণিত নয়।
দৈনিক ইত্তেফাকের ২০ অক্টোবর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় দুই দিনের অভিযানে এক হাজার ১০০টিরও বেশি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশ বাংলাভাষী মুসলিম। প্রতিবেদনে অন্তত ১০টি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়। তবে তথ্য যাচাই করে দেখা যাচ্ছে, পরিবার উচ্ছেদের সংখ্যাটি একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও মসজিদ ভাঙার বিষয়টি মূলত স্থানীয় বাসিন্দার বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইন-এর ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ অক্টোবর শনিবার আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় মোট ৫৪৭টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে নগাঁওয়ে ৩৩৬টি, হোজাইয়ে ১৫২টি এবং গোলাঘাটে ৫৯টি পরিবার রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ভারী নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে এসব উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
এর পরদিন, ১৮ অক্টোবর রোববার, নগাঁও জেলার লুতুমারি লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আরও বড় অভিযান চালানো হয়। স্ক্রলের প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ বন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, ওই দিন ৬০০টিরও বেশি পরিবারের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হয়। তবে আরেক কর্মকর্তা সংখ্যাটি প্রায় ৫০০ বলে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ দ্বিতীয় দিনের উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের সঠিক সংখ্যা নিয়ে কর্মকর্তাদের বক্তব্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রথম দিনের ৫৪৭টি পরিবারের সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের ৫০০ থেকে ৬০০টির বেশি পরিবারের হিসাব যোগ করলে মোট সংখ্যা এক হাজার ১০০-এর কাছাকাছি বা তার বেশি হয়।
এই হিসাবের ভিত্তিতে বলা যায়, দুই দিনে এক হাজার ১০০টিরও বেশি পরিবার উচ্ছেদের দাবিটি সংবাদসূত্রে যথেষ্ট সমর্থন পেয়েছে। তবে প্রতিটি পরিবারের সংখ্যা আলাদাভাবে যাচাই করা কোনো পূর্ণাঙ্গ সরকারি তালিকা এসব প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়নি। ফলে সংখ্যাটিকে সংবাদমাধ্যমে উদ্ধৃত সরকারি কর্মকর্তাদের হিসাব হিসেবে উপস্থাপন করাই যথাযথ।
সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে মসজিদ ভাঙার অভিযোগ নিয়ে। স্ক্রলের প্রতিবেদনে লুতুমারি এলাকার ৪৪ বছর বয়সী বাসিন্দা আব্দুল নূরের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, উচ্ছেদ অভিযানে ১০টিরও বেশি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে, যার কয়েকটি ৫০ বছরেরও বেশি পুরোনো। একই বক্তব্য পরবর্তী সময়ে সিয়াসাত ডেইলির প্রতিবেদনেও প্রকাশিত হয়েছে।
কিন্তু সিয়াসাতের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, মসজিদ ভাঙার এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অর্থাৎ একজন বাসিন্দার বক্তব্য সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে বলেই সেটি প্রমাণিত ঘটনা হয়ে যায় না। কতটি মসজিদ ভাঙা হয়েছে, সেগুলোর অবস্থান কোথায়, উচ্ছেদ অভিযানের আগে ও পরে সেগুলোর অবস্থা কী ছিল—এসব যাচাইয়ের জন্য নির্ভরযোগ্য ছবি, ভিডিও, প্রশাসনিক নথি কিংবা একাধিক স্বাধীন প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত পাওয়া সূত্রের ভিত্তিতে ১০টি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবিকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে ঘোষণা করা যাচ্ছে না।
উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর বসবাসের ইতিহাসও ঘটনাটিকে জটিল করে তুলেছে। প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সরকারি জমি দখলমুক্ত করতেই অভিযান চালানো হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাঁদের পূর্বপুরুষেরা সরকারি ব্যবস্থার অধীনেই সেখানে বসবাস শুরু করেছিলেন। তাঁরা নিজেদের সাধারণ অবৈধ দখলদার হিসেবে বিবেচনা করার বিরোধিতা করছেন।
স্ক্রলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আব্দুল নূর দাবি করেন, তাঁর পূর্বপুরুষেরা ভূমিহীন ছিলেন এবং বন বিভাগের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে তাঁদের পরিবারসহ আরও বহু ভূমিহীন পরিবারকে সেখানে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রায় ৩০০টি পরিবারকে চার বিঘা করে জমি দেওয়া হয়েছিল। তবে এটি তাঁর বক্তব্য; এর ভিত্তিতে উচ্ছেদ হওয়া প্রতিটি পরিবারের জমির মালিকানা বা বর্তমান আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
এই বসতির ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ঔপনিবেশিক আমলের ‘তাউঙ্গিয়া’ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় বন বিভাগের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকেরা বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান গাছের পাশাপাশি খাদ্যশস্য চাষ করতেন। ব্রিটিশ শাসনামলে উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে চালু হওয়া এই পদ্ধতি পরবর্তী সময়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়। বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি শ্রমিকদের বসবাস ও জীবিকার সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল।
স্ক্রলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অল ইন্ডিয়া ইউনিয়ন অব ফরেস্ট ওয়ার্কিং পিপলস জুন মাসে আসাম সরকারকে লুতুমারি লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গ্রামগুলোতে পরিকল্পিত উচ্ছেদ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিল। সংগঠনটির বক্তব্য ছিল, ওই এলাকার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের তাউঙ্গিয়া ব্যবস্থার অধীনে বসবাসের ইতিহাস রয়েছে। তাই তাঁদের সবাইকে সাধারণ অবৈধ দখলদার হিসেবে বিবেচনা করার আগে বসতির ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
এই দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি পাওয়া যায় গৌহাটি হাইকোর্টের ২০২৬ সালের ৮ জুনের রায়ে। আদালতের নথিতে ১৯৭৪ সালের বন বিভাগের যোগাযোগের উল্লেখ রয়েছে, যেখানে কাকি ও লুতুমারি লংজাপ সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে উচ্ছেদ হওয়া কিছু পরিবারকে তাউঙ্গিয়া ব্যবস্থার অধীনে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে নথিতে ঐতিহাসিকভাবে কিছু পরিবারকে আশ্রয় দেওয়ার উল্লেখ থাকলেই বর্তমানে বসবাসকারী প্রত্যেক পরিবারের জমির ওপর বৈধ মালিকানা রয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
একই মামলাসংক্রান্ত নথিতে জমির সীমানা, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অবস্থান এবং বসবাসের অনুমোদন নিয়ে বিরোধের কথাও রয়েছে। আদালতের সামনে উপস্থাপিত প্রশাসনিক বক্তব্য অনুযায়ী, বন ও রাজস্ব বিভাগের যৌথ জরিপে সংশ্লিষ্ট জমির অবস্থান সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানার মধ্যে পড়েছে বলে নির্ধারণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে আবেদনকারীরা জমির সীমানা পুনরায় যাচাই এবং তাঁদের নথিপত্র বিবেচনার দাবি তুলেছিলেন। অর্থাৎ বিষয়টি শুধু দীর্ঘদিন বসবাসের দাবি নয়; জমির অবস্থান, সরকারি নথি এবং আইনি অধিকারের প্রশ্নও এর সঙ্গে যুক্ত।
সিয়াসাত ডেইলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গৌহাটি হাইকোর্ট ১০ জুনের নির্দেশে লুতুমারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট বসবাসকারীদের ৩০ দিনের মধ্যে স্থান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ের পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। আদালত বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পেছনে আদালতের নির্দেশ থাকার তথ্য সমর্থন পায়। তবে আদালতের নির্দেশ থাকা এবং উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিটি পদক্ষেপের মানবিক বা প্রশাসনিক যথার্থতা—এ দুটি আলাদা প্রশ্ন।
আসাম সরকার দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি জমি ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখলমুক্ত করার অভিযান চালানোর কথা বলে আসছে। স্ক্রলের সংকলিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি সরকারের গত দশ বছরের শাসনামলে আসামে সরকারি জমি থেকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব পরিবারের অধিকাংশই মুসলিম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান আসামের উচ্ছেদনীতি নিয়ে বৃহত্তর বিতর্ককে সামনে আনে। তবে শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে উচ্ছেদ বৈষম্যমূলক ছিল বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব বসতি, উচ্ছেদের নোটিশ, জমির আইনি অবস্থা এবং প্রশাসনের পদক্ষেপ তুলনামূলকভাবে যাচাই করা দরকার।
উচ্ছেদের পক্ষে প্রশাসনের বক্তব্য হলো, সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা এবং সরকারি জমির অবৈধ দখল দূর করা তাদের দায়িত্ব। অন্যদিকে বাসিন্দাদের উদ্বেগ হলো, বহু বছর ধরে বসবাস করা পরিবারগুলোর বিকল্প আশ্রয়, জীবিকা এবং ঐতিহাসিক বসতির বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে কি না। এই দুই দিকের মূল্যায়নে জমির আইনগত অবস্থার পাশাপাশি উচ্ছেদের আগে নোটিশ দেওয়া, শুনানির সুযোগ, আদালতের নির্দেশ অনুসরণ এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মানবিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ।
ঘটনার আরেকটি দিক হলো উচ্ছেদ-পরবর্তী পুনর্বাসন। সংবাদপ্রতিবেদনগুলোতে পরিবারগুলোর উচ্ছেদ এবং বাড়িঘর ভাঙার তথ্য থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের জন্য বিকল্প বাসস্থান, ক্ষতিপূরণ কিংবা পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এসব ব্যবস্থা একেবারেই নেওয়া হয়নি—এমন দাবি যেমন প্রমাণ ছাড়া করা যায় না, তেমনি সব পরিবার নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে বলারও ভিত্তি নেই।
সামগ্রিকভাবে তথ্য যাচাইয়ে তিনটি বিষয় আলাদা হয়ে উঠেছে। প্রথমত, ১৭ ও ১৮ অক্টোবরের উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজার ১০০টিরও বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি একাধিক সংবাদসূত্রে সমর্থিত, যদিও দ্বিতীয় দিনের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে পার্থক্য রয়েছে। দ্বিতীয়ত, ১০টিরও বেশি মসজিদ ভাঙার অভিযোগ একজন স্থানীয় বাসিন্দার বক্তব্য হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তৃতীয়ত, বসতির ঐতিহাসিক পটভূমি এবং আদালতের নির্দেশসংক্রান্ত তথ্য নথি ও সংবাদপ্রতিবেদনে পাওয়া যায়; তবে সেগুলো থেকে সব পরিবারের বর্তমান জমির অধিকার সম্পর্কে একক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
আসামের এই ঘটনা তাই শুধু উচ্ছেদের সংখ্যা বা মসজিদ ভাঙার অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বন সংরক্ষণ, ভূমিহীন মানুষের বসবাসের ইতিহাস, সরকারি জমির অধিকার, আদালতের নির্দেশ এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনের প্রশ্ন। কোনো দাবিকে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় আবেগের ভিত্তিতে সত্য ধরে নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিটি তথ্যের উৎস ও প্রমাণ যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে উপাসনালয় ভাঙার মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে স্বাধীন প্রমাণ সংগ্রহ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে উচ্ছেদ অভিযানের মূল ঘটনা সত্য বলে একাধিক সংবাদসূত্রে সমর্থন পাওয়া যায়। কিন্তু মসজিদ ভাঙার নির্দিষ্ট সংখ্যাটি এখনও নিশ্চিত নয়। তাই ঘটনাটিকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হলে নিশ্চিত তথ্য, বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং অমীমাংসিত প্রশ্ন—এই তিনটির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখতে হবে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর অধিকার, বন সংরক্ষণের আইন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি—সবকিছুর মূল্যায়নই হওয়া উচিত যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে।
আপনার মতামত জানানঃ