
মিয়ানমার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে থাকা তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত করেছে। সংখ্যাটি বড় এবং প্রায় এক দশক ধরে আটকে থাকা প্রত্যাবাসন আলোচনায় তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু এই ঘোষণাকে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ এখনো নেই।
মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশের দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকা থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং ৪ হাজার ২৪১ জনকে ‘সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত’ বলে চিহ্নিত করেছে মিয়ানমার।
যাচাইয়ের এই ফল প্রকাশ করে নেপিদো বলেছে, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে স্বীকৃত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে তারা প্রস্তুত। Associated Press
ঘোষণাটি শুনতে বড় কূটনৈতিক অগ্রগতির মতো। কিন্তু এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দটি ‘স্বীকৃতি’ নয়—‘যদি’। নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে প্রত্যাবাসন করা হবে। সেই পরিস্থিতি কখন তৈরি হবে, কে তা নির্ধারণ করবে এবং ফেরত যাওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে—কোনোটিরই স্পষ্ট উত্তর নেই।
স্বীকৃতির অর্থ কী?
মিয়ানমারের এই যাচাইয়ের অর্থ হলো, দেশটি স্বীকার করছে যে তালিকাভুক্ত ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ ব্যক্তি কোনো একসময় রাখাইন রাজ্যে বসবাস করতেন। বাংলাদেশের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মিয়ানমার দীর্ঘদিন ধরে বহু রোহিঙ্গার পরিচয় ও তাদের রাখাইন-সংযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
তবে ‘সাবেক বাসিন্দা’ হিসেবে শনাক্ত হওয়া এবং মিয়ানমারের পূর্ণ নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এক বিষয় নয়।
মিয়ানমার এখনো রোহিঙ্গাদের দেশটির স্বীকৃত ১৩৫টি জাতিগোষ্ঠীর একটি বলে মানে না। তাদের ‘রোহিঙ্গা’ পরিচয়ের পরিবর্তে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে—যার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী, এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন ও তার বৈষম্যমূলক প্রয়োগের কারণে অধিকাংশ রোহিঙ্গা কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে আছে। নাগরিকত্ব না থাকায় তাদের শিক্ষা, কাজ, চলাচল, বিবাহ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও স্বাস্থ্যসেবার অধিকারও মারাত্মকভাবে সীমিত। যুক্তরাজ্য সরকারের ২০২৬ সালের দেশভিত্তিক নোট
ফলে প্রশ্নটি শুধু মিয়ানমার কতজনকে ফেরত নেবে, তা নয়। তারা কোন পরিচয়ে ফিরবে—নাগরিক হিসেবে, নাকি চলাচলের স্বাধীনতাহীন একটি জনগোষ্ঠী হিসেবে?
যে রাখাইনে ফেরার কথা, সেটি কার নিয়ন্ত্রণে?
প্রত্যাবাসনের সবচেয়ে বড় বাস্তব সংকট রাখাইনের পরিবর্তিত সামরিক মানচিত্র।
২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার প্রত্যাবাসনের জন্য দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী গৃহযুদ্ধে মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আমূল বদলে গেছে। রাখাইন রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় এখন সামরিক সরকারের পরিবর্তে আরাকান আর্মি ও তাদের রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড লিগ অব আরাকানের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ধরে রাখলেও উভয় পক্ষের সংঘাত এখনো চলছে।
সাম্প্রতিক জাতিসংঘ তদন্তে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বেসামরিক বসতি, স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় স্থাপনা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রে বিমান হামলা বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে। রাখাইনেও সাম্প্রতিক বিমান হামলায় বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। Reuters
এই অবস্থায় মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় সরকার যাদের ফেরত নেওয়ার কথা বলছে, তাদের সম্ভাব্য বসতভিটার অনেক অংশই সেই সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে শুধু নেপিদোর সঙ্গে চুক্তি করে বাস্তবে প্রত্যাবাসন পরিচালনা করা কঠিন।
বাংলাদেশ এরই মধ্যে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি—উভয়ের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে। কারণ রাখাইনের মাটিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সেখানে কার্যকর নিয়ন্ত্রণে থাকা পক্ষকে বাদ দিয়ে কোনো টেকসই পরিকল্পনা করা সম্ভব নয়।
কিন্তু আরাকান আর্মির অধীনেও রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা চলাচলে বাধা, জোরপূর্বক নিয়োগ, বৈষম্য এবং সহিংসতার অভিযোগ তুলেছে। অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের সামনে এখন শুধু পুরোনো নিপীড়কের ভয় নয়; নতুন ক্ষমতাকাঠামোর মধ্যেও তাদের অবস্থান অনিশ্চিত।
আগের উদ্যোগগুলো কেন ব্যর্থ হয়েছিল?
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযান থেকে বাঁচতে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা সেই অভিযানে গণহত্যার অভিপ্রায় ছিল বলে অভিযোগ করেছেন; মিয়ানমার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এরপর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার প্রত্যাবাসনের চুক্তি করলেও ২০১৮ ও ২০১৯ সালে নির্ধারিত প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। তালিকায় থাকা কোনো রোহিঙ্গাই বিদ্যমান পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছায় ফিরতে রাজি হননি। তাদের প্রধান দাবি ছিল নাগরিকত্ব, জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি, নিরাপত্তা এবং নিজেদের গ্রাম বা বসতভিটায় ফিরে যাওয়ার অধিকার।
এই দাবিগুলোর কোনোটিই এখনো পূরণ হয়নি।
অনেক রোহিঙ্গার গ্রাম ধ্বংস বা নতুন স্থাপনায় রূপান্তরিত হয়েছে। যারা এখনো রাখাইনে আছে, তাদের অনেকে বাস্তুচ্যুত শিবির বা কঠোর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বসবাস করছে। আগের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, শুধু গ্রহণকেন্দ্র বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণকে মিয়ানমার প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখিয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘ বারবার বলেছে, ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিকল্প নয়।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিষ্ঠিত নীতি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই। কোনো শরণার্থীকে খাদ্যসংকট, নিরাপত্তাহীনতা বা প্রশাসনিক চাপ ব্যবহার করে ফিরতে বাধ্য করা যাবে না। UNHCR
‘সন্ত্রাসী’ তকমা নিয়ে নতুন উদ্বেগ
মিয়ানমার যাচাই করা ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ হাজার ২৪১ জনকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করেছে। এই দাবির পক্ষে কী প্রমাণ রয়েছে, অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে কি না এবং তাদের পরিবারের অবস্থান কী হবে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার কিছু জানানো হয়নি।
এটি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বড় উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। কারণ স্বচ্ছ ও স্বাধীন যাচাই ছাড়া ‘সন্ত্রাসী’ তকমা ব্যবহার করা হলে রাজনৈতিকভাবে অপছন্দের ব্যক্তি, অধিকারকর্মী কিংবা নির্যাতনের সাক্ষীদের বাদ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
একইভাবে প্রত্যাখ্যাত ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। তাদের আবেদন কী কারণে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে কি না কিংবা কোন নথির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে—সেসব তথ্য প্রকাশ করা দরকার।
প্রত্যাবাসনের তালিকা কোনো গোপন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হতে পারে না। এতে স্বাধীন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ, আপিলের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়ছে
বাংলাদেশে বর্তমানে দশ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। অধিকাংশই কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বসবাস করে। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা, শিক্ষা ও জীবিকার সীমিত সুযোগ, শিবিরের ভেতরের অপরাধ, মানবপাচার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা পরিস্থিতিকে জটিল করেছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার সংকট। ২০২৬ সালে রোহিঙ্গাদের খাদ্যসহায়তার পরিমাণ কমানো হয়েছে। কিছু পরিবার জনপ্রতি মাসে মাত্র সাত ডলারের সমপরিমাণ সহায়তা পাচ্ছে। জাতিসংঘের তহবিলসংকট অব্যাহত থাকলে অপুষ্টি, শিশুশ্রম, পাচার এবং ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা আরও বাড়তে পারে। Associated Press
বাংলাদেশের জন্য প্রত্যাবাসন জরুরি—এ নিয়ে সন্দেহ নেই। স্থানীয় জনগোষ্ঠীও দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক চাপ বহন করছে। কিন্তু এই চাপের সমাধান হিসেবে অনিরাপদ প্রত্যাবাসন গ্রহণ করা হলে তার পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
রোহিঙ্গারা পুনরায় সহিংসতার শিকার হয়ে বাংলাদেশে ফিরে এলে নতুন সীমান্তসংকট সৃষ্টি হবে। তখন প্রত্যাবাসনের রাজনৈতিক সাফল্য দ্রুত মানবিক ও নিরাপত্তাগত ব্যর্থতায় পরিণত হবে।
মূল তথ্য একনজরে
| বিষয় | সংখ্যা/অবস্থা |
|---|---|
| বাংলাদেশের পাঠানো মোট নাম | ৮,২৮,৮২৪ |
| মিয়ানমারের যাচাই সম্পন্ন | ৪,২৬,৫৪৫ |
| রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃত | ৩,০৮,৭৯৭ |
| প্রত্যাখ্যাত | ১,১৩,৫০৭ |
| ‘সন্ত্রাস-সংশ্লিষ্ট’ বলে দাবি | ৪,২৪১ |
| প্রত্যাবাসনের সময়সূচি | ঘোষণা হয়নি |
| নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা | নেই |
| আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ | ঘোষণা হয়নি |
প্রত্যাবাসন সম্ভব করতে কী প্রয়োজন?
তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গার পরিচয় যাচাই নিঃসন্দেহে একটি দরজা খুলেছে। কিন্তু সেই দরজার ওপারে নিরাপদ পথ তৈরি করতে অন্তত কয়েকটি মৌলিক শর্ত প্রয়োজন।
প্রথমত, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বা নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি নির্ভরযোগ্য ও সময়বদ্ধ আইনি পথ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু পরিচয়পত্র দিয়ে তাদের রাষ্ট্রহীন রাখা যাবে না।
দ্বিতীয়ত, তাদের নিজেদের গ্রাম বা পছন্দের এলাকায় ফেরার সুযোগ, চলাচলের স্বাধীনতা, শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবিকা ও ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ফেরত পাঠিয়ে নতুন কোনো বন্দিশিবিরে রাখা প্রত্যাবাসন নয়।
তৃতীয়ত, মিয়ানমার সরকার, আরাকান আর্মি, বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘকে নিয়ে বাস্তবসম্মত পর্যবেক্ষণ কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। রাখাইনে কার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তা উপেক্ষা করে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করা যাবে না।
চতুর্থত, সম্ভাব্য প্রত্যাবাসন এলাকা স্বাধীনভাবে পরিদর্শনের সুযোগ দিতে হবে। রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদেরও সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে ফিরে এসে শিবিরবাসীদের তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
সবশেষে, প্রত্যেক শরণার্থীর স্বাধীন সিদ্ধান্তের অধিকার রক্ষা করতে হবে। অনুদান কমিয়ে, খাদ্যসংকট তৈরি করে কিংবা প্রশাসনিক চাপ দিয়ে আদায় করা সম্মতি প্রকৃত স্বেচ্ছাসম্মতি নয়।
মিয়ানমারের নতুন ঘোষণা তাই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটি এখন পর্যন্ত একটি প্রশাসনিক স্বীকৃতি মাত্র। প্রত্যাবাসনের নির্ভরযোগ্য পরিকল্পনা নয়।
তিন লাখ আট হাজার মানুষের নামের পাশে ‘রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা’ লেখা হয়েছে। কিন্তু তারা সেখানে নাগরিক হিসেবে ফিরতে পারবে কি না, নিরাপদে বাঁচতে পারবে কি না এবং আবার পালিয়ে আসতে হবে কি না—সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো মেলেনি।
স্বীকৃতি মিলেছে। স্বদেশে ফেরার অধিকারও নীতিগতভাবে স্বীকার করা হচ্ছে। কিন্তু নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদার নিশ্চয়তা ছাড়া এই প্রত্যাবাসন সম্ভব হলেও টেকসই হবে না।
আপনার মতামত জানানঃ