Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ১২ জানুয়ারি ২০২১

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

১২ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ২৮ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত  খবরের সার-সংক্ষেপ

ধরমপাশায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা
পুলিশ ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে’ মামলা করেছে, অভিযোগ নিহত বৃদ্ধের ছেলের

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

সুনামগঞ্জের ধরমপাশায় বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে’ পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বৃদ্ধের ছেলে চন্দন বর্মণ। থানায় তাঁর দেওয়া লিখিত অভিযোগ গ্রহণ না করে অন্য একটি এজাহার তৈরি ও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াকে বেআইনি উল্লেখ করে চন্দন আইনগত প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন। পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। এ জন্য পুলিশের বিশেষ দল কাজ করেছে। বেশ কিছু লোক জেলে আছে। নিহত বৃদ্ধের পরিবারের লোকজনের উচিত পুলিশকে সহযোগিতা করা, যাতে প্রকৃত দোষীরা আইনের আওতায় আসে।

গত বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের সুনই জলমহালে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও মৎস্যজীবী শ্যামাচরণ বর্মণকে (৬৫) গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটে। আহত হন আরও ১৫-২০ জন। ঘটনার পর শনিবার সন্ধ্যায় সুনই মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ও নিহতের ছেলে চন্দন বর্মণ (৩০) স্থানীয় সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে রতন (৫২), তাঁর ছোট ভাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন ওরফে রোকন (৩২), সাংসদের বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মোবারক হোসেন ওরফে মাসুদসহ (৫৫) ৬৩ জনকে আসামি করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ তাঁদের মামলাটি এখনো এজাহার হিসেবে গ্রহণ করেনি।

পুলিশ তাঁদের বলেছে, মামলা থেকে স্থানীয় সাংসদের নাম বাদ না দিলে তারা মামলা নেবে না। তবে ধরমপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, চন্দন বর্মণের দেওয়া লিখিত অভিযোগে বেশ কিছু ত্রুটি ছিল। সেগুলো সংশোধন করে আবার থানায় জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু পরে আর সেটি থানায় জমা দেওয়া হয়নি।

ধরমপাশা থানা তাঁর দায়ের করা অভিযোগ গ্রহণ না করে পরবর্তীকালে অন্য একটি এজাহার তৈরি ও তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে প্রকৃত ঘটনাটি নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

চন্দন বর্মণ, সভাপতি, সুনই মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড

এদিকে ঘটনার পর ধরমপাশা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে গত রোববার রাতে ৬০-৬৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা করেছেন।  ঘটনার রাতেই পুলিশ ২৩ জনকে আটক করে। এর মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।  অন্যদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

2 arrested for running fake Facebook accounts as Taposh

The Daily Star
Category: Digital security Act

Detectives claimed to have arrested two individuals who deceived people — opening Facebook accounts as Dhaka South City Corporation Mayor Sheikh Fazle Noor Taposh  and offered jobs. The two — Md Jakaria and Ekramul Haque Raju — were arrested from Rangpur and Gazipur on Sunday, said AKM Hafiz Akhter, additional commissioner (detectives) of Dhaka Metropolitan Police.

The arrestees were identified after a case was filed with Shahbagh Police Station under Digital Security Act on January 1, he said at a press briefing today at DB office on Mintoo Road in Dhaka.

In primary interrogation, Jakaria admitted to detectives that he opened the fake account and used to pose as Taposh virtually, to demand money from people in the name of offering jobs.

The money was collected through a bKash number registered in Ekramul’s name, the DB official said.

Meanwhile, detectives arrested a man, Saiful Islam, from Rangpur on charge of hacking Facebook IDs of people and taking money from their friends and acquaintances.

 

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •