Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ২২ ডিসেম্বর ২০২০

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

২২ ডিসেম্বর ২০২০, সোমবার, ৭ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ।

পুলিশ পরিদর্শকের বাসায় গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ

কালের কন্ঠ
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এর বাসা থেকে সোনিয়া আক্তার জান্নাতি (১৬) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সোমাবার বিকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরাতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। নিহতের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানার বাঘজাপা গ্রামে। তার পিতার নাম মো. সাকিল মিয়া।

কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই. চুন্ন মিয়া জানায়, তিন বছর যাবৎ সোনিয়া আক্তার জান্নাতি কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশিকুজ্জামানের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করত। গত এক মাস পূর্বে জান্নাতির কর্মস্থলে তার মা গ্রাম থেকে বেড়াতে আসে। বেড়াতে এসে মা দেখতে পায় তার মেয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে মুঠোফোনে কারো সাথে কথা বলেন। মা মেয়েকে ফোনে কথা না বলার জন্য একাধিকবার নিষেধ করেন। মেয়ে কথা না শোনায় একপর্যায় আজ (সোমবার) দুপুরে গালাগালিও করেন। মেয়ে মায়ের কথা সহ্য করতে না পেরে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মুযাম্মেল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাই। এর পর নির্বার্হী ম্যাজিট্রেট কামরুল হাসান সোহেল এর উপস্থিতিতে লাশ নামিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করি। পরে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতল মর্গে পাঠাই।

নির্বার্হী ম্যাজিট্রেট কামরুল হাসান সোহেল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থালে যাই। সেখানে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাই। ঘটনাস্থালে জানতে পারি মেয়ে টেলিফোনে কথা বলায় মা বকাবকি করে, মেয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দেয়।

মেয়ের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

 

মিজান ও বাছিরের মামলায় সাক্ষ্য দিলেন ফ্লেক্সিলোডের দোকানি

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির এবং পুলিশের বরখাস্ত হওয়া ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলায় আজ সোমবার আরও একজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার নাম নাছির উদ্দিন। তিনি আদালতকে বলেন, তিনি বনানীর সুপারমার্কেটের একটি ফ্লেক্সিলোডের দোকানে চাকরি করেন। এ নিয়ে মামলার ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ৬ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বডিগার্ড হৃদয় হাসান গত বছরের ৯ জানুয়ারি মুঠোফোনের দোকান থেকে একটি সিম কেনেন। হৃদয় হাসান তার জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিয়েছিলেন।

আজ মামলার আসামি মিজানুর ও বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার কাগজপত্রের তথ্যানুযায়ী, এই মামলার মোট সাক্ষী ১৭ জন। এখন পর্যন্ত এ মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডিআইজি মিজান ও বাছির দুজনই বেআইনিভাবে দুটি পৃথক সিম ব্যবহার করে একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ওই সিম দুটি ডিআইজি মিজানের দেহরক্ষী মো. হৃদয় হাসান ও আরদালি মো. সাদ্দাম হোসেনের নামে কেনা। সিমের সঙ্গে বাছিরকে একটি স্যামসাং মোবাইল সেটও কিনে দেন মিজান। ওই দুটি নম্বরের মাধ্যমে মিজান ও বাছির নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন।

গত ১৮ মার্চ খন্দকার এনামুল বাছির ও মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ঘুষ লেনদেনের মামলায় গত ১৯ জানুয়ারি মিজানুর রহমান ও এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। গত ১৯ আগস্ট এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

 

পিলখানা হত্যা মামলা
খালাস পাওয়া চারজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল
হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি পেয়েছে আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষ। একটি লিভ টু আপিলে পৃষ্ঠাসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৫০ হাজারের বেশি।

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় হত্যা মামলায় হাইকোর্টে খালাস পাওয়া চারজনের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। বিচারিক আদালতের রায়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। এই চারজনসহ উচ্চ আদালতে খালাস ও সাজা কমে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আপিল করার প্রস্তুতি চলছে। সব মিলিয়ে ৮৩ জনের ক্ষেত্রে আপিল করা হতে পারে।

হাইকোর্টে খালাস পাওয়া চারজন হলেন হাবিলদার মো. খায়রুল আলম, নায়েব সুবেদার আলী আকবর, হাবিলদার বিল্লাল হোসেন ও সিপাহি মেজবাহ উদ্দিন (পলাতক)। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৭ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এসএমপির সেই ছালাম ও খায়রুদ্দিন বরখাস্ত

যুগান্তর
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) আরআই ইন্সপেক্টর আবদুছ ছালাম ও আরও-১ এসআই খায়রুদ্দিনকে বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে অনতিবিলম্বে জানানোর জন্য বলা হয়। ১০ ডিসেম্বর পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ডিএন্ডপিএস-১) মো. রেজাউল হক স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এসএমপি কমিশনারকে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আদেশ দুটির কপি যুগান্তরের হাতে এসে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে একই পদে থাকা ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে ‘বেপরোয়া এসএমপির আরআই ও আরও-১; টাকা ছাড়া কাজ করেন না অভিযোগ করলেই বদলি’ শিরোনামে ২৩ অক্টোবর অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশ করে যুগান্তর। এরপর পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের দু’জন কর্মকর্তা তাদের বিষয়ে তদন্ত করেন। তদন্তে সংবাদের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাদের এই ব্যবস্থা নেয়ার আদেশ দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে এসএমপির কমিশনার নিশারুল আরিফ যুগান্তরকে বলেন, নির্দেশনা দুটি পেয়েছি। ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
দুই বছরে কর্তব্যরত ৭২ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

যুগান্তর
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্তব্যরত অবস্থায় দুই বছরে প্রাণ হারিয়েছেন ৭২ জন পুলিশ সদস্য। এদের মধ্যে ২০১৯ সালে ২৭ জন এবং চলতি বছরে ৪৫ জন মারা গেছেন। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর পুলিশে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। যারা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি। আশা-ভরসার অবলম্বন হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা। কারও কারও স্ত্রীর উপার্জনে চলছে সংসার। স্বামীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংসারের হাল ধরেছেন তাদের স্ত্রীরা।

 

চাঁদা না দেয়ায় হামলা লুটপাট মামলা নেয়নি পুলিশ

নয়া দিগন্ত
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার কাঁটাসুরে চাঁদা না দেয়ায় ব্যাপক হামলা ভাঙচুর লুটপাট চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে পুলিশের সহযোগিতা চাইতে গেলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভুগীরা। ভুক্তভোগী কানাডা প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আদালতের আদেশে কাঁটাসুর ৭৭৪ দাগে জমি ক্রয় করেন তিনি। তিনি কানাডা প্রবাসী হওয়ায় দু’জন তত্ত্বাবধায়ককে জমিটি দেখাশুনার দায়িত্ব দেন।গত শনিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় নজরুল, মহিউদ্দিন, তুহিন, শাহাদাত ও পলাশের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসী গিয়ে বাড়ির সিসিক্যামেরা ভাঙচুর করে। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নিয়ে নানা ধরনের তালবাহানা করতে থাকে।

জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি যাচাই করছি এবং তেজগাঁও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখছেন।

 

দৌলতপুরে ৩ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি পুলিশ হেফাজত থেকে পালানো আসামি

মানবজমিন
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুলিশ হেফাজত থেকে আব্দুর রজ্জাক (৪০) নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার এক আসামি পালিয়েছে। এ ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গত শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর সামছেরতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানার এস আই জিয়া। পরে তাকে থানায় নেয়ার পথে পালিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজত থেকে পলাতক আসামি আব্দুর রাজ্জাক বৈরাগীরচর সামছেরতলা এলাকার লিদিন ঘোষের ছেলে এবং তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা দেয়া মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর বিষয়ে দৌলতপুর থানার এস আই জিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামি আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে মোটরসাইকেল যোগে থানায় নেয়ার পথে স্যালো ইঞ্জিনচালিত একটি ষ্টিয়ারিং গাড়ির মুখোমুখি হলে আসামি আব্দুর রাজ্জাক মোটরসাইকেল থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়।

 

এসএমপির দুই পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত, মামলার নির্দেশ

জাগো নিউজ
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে পুলিশ সদরদফতর। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে। বরখাস্তকৃতরা হলেন- এসএমপির আবাসিক পরিদর্শক (আরআই) আব্দুছ ছালাম ও আরও-১ উপপরিদর্শক খায়রুদ্দিন। পুলিশ সূত্র জানায়, পুলিশ সদরদফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিঅ্যান্ডপিএস-১) মো. রেজাউল হক স্বাক্ষরিত আদেশে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

সোমবার নির্দেশনাটি এসএমপি কমিশনার নিশারুল আরিফের নিকট পৌঁছায়। এ বিষয়ে আজকালের মধ্যেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে নগর পুলিশ।

 

পুলিশ সুপারদের ‘রোল মডেল হতে বললেন আইজিপি

বাংলা ট্রিবিউন
বিভাগ; রাষ্ট্রীয় বাহিনী

প্রত্যেক জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) সাধারণ মানুষের কাছে  ‘রোল মডেল’ হতে হবে।  পুলিশের মর্যাদা ও সম্মান বাড়াতে ‘চেঞ্জ মেকার’ হিসেবে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ১৩ জেলায় নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে এসব কথা বলেছেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।

রবিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে পুলিশ সদর দফতর থেকে আইজিপি বলেন, ‘ব্রুটালিটি বা নৃশংসতাকে চিরতরে কবর দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে মিশতে হবে। তাদের সমস্যাগুলো শুনতে হবে। মানুষকে ভালোবাসতে হবে। তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। মানুষকে ভালোবাসলে তাদের ভালোবাসা পাওয়া যাবে। করোনার সময় আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছে।’

বেনজীর আহমেদ আরও বলেন, ‘আমরা দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত পুলিশ দেখতে চাই। পুলিশে দুর্নীতিবাজ ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কোনও স্থান নেই।’

তিনি বলেন, সারাদেশে ইতোমধ্যে বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু হয়েছে। কার্যকরভাবে বিট পুলিশিং বাস্তবায়ন করতে হবে। যাতে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধী, অপরাধ প্রবণতা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পুলিশের কাছে থাকে।

 

DIGITAL SECURITY ACT
Case against Sylhet journos protested

The Daily Star
Category : Digital Security Act

Around a hundred people from all walks of life stood for freedom of press and protested the misuse of the controversial Digital Security Act at a human chain in Sylhet city yesterday afternoon. The human chain was organised by Sankhubdha Nagorik Andolon in front of Sylhet Central Shaheed Minar at Chowhatta area in the city. They demanded withdraw of all cases filed against journalists under the controversial law and urged government to ensure press freedom by scrapping the controversial law.

They also protested the case filed against Daily Ekattorer Kotha’s Editor Chowdhury Mumtaz Ahmed and reporters. At the human chain, its organiser Abdul Karim Kim said, “It has been 15 days of a case being filed against a reputed journalist Chowdhury Mumtaz Ahmed and six others. We are not only protesting the case but also the law under which the case was filed.”

“The law is being misused to interfere with freedom of the press in all possible ways. Freedom of press is vital for democracy and we demand that the government scraps the law or stops misusing it, particularly against journalists,” he said.

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আপনার মতামত জানানঃ