Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ১৮ ডিসেম্বর ২০২০

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

১৮ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৩ পৌষ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ

 

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
বন্দিদের মোবাইল ফোনে আলাপের সুযোগ দিয়ে মোটা টাকা হাতিয়ে নেয় সিন্ডিকেট

ইত্তেফোক
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার হাজতি ও সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব কারাবন্দি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরকারি নির্দেশে প্রতি সপ্তাহে দুবার মোবাইল ফোনে ২০ টাকা চার্জ দিয়ে কথা বলার সুযোগ পান।

কারারক্ষীরা সরকারি এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাঁচ মিনিট কথা বলিয়ে ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন। সেই হিসাবে প্রতি মাসে কারাবন্দিদের কাছ থেকে তারা হাতিয়ে নিচ্ছেন অন্তত ২ কোটি টাকা। আরো অভিযোগ রয়েছে, করোনাকে পুঁজি করে দর্শনার্থীদের আনা কোনো খাবার ও শীতের কাপড় গ্রহণ করতে দেওয়া হয় না কারাবন্দিদের। সে ক্ষেত্রে কারারক্ষীরা পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের মাধ্যমে খাবার হোটেল, চা দোকান ও তৈরি পোশাকের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। তাই বাধ্য হয়ে এসব দোকান থেকে শীতবস্ত্র কিনতে হয় কারাবন্দিদের। আর সেজন্য তাদের গুনতে হয় স্বাভাবিক বাজারের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা। যাদের বাড়তি দামে এসব কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই, তারা পোহাচ্ছেন নিদারুণ দুর্ভোগ।

 

মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসী-পুলিশ গোলাগুলি
এএসআই আহত

সমকাল
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীর গুলিতে উজ্জল হোসেন খান নামে পুলিশের এক এএসআই আহত হয়েছেন। তিনি ডান পায়ে দুটি গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী ইব্রাহিম গুলিবিদ্ধ হয়। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইব্রাহিমকে একটি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এএসআই উজ্জল রায়েরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত। তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইব্রাহিমকে ভর্তি করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে মোহাম্মদপুর বৈশাখী রোডের একটি বাসায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হাকিমসহ চার সন্ত্রাসী ইয়াবা কেনাবেচা করছে। এএসআই উজ্জল ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযানে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি চালায়।

মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল আলীম বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

আরাফাত হত্যা: পরিবারের অমতে অপমৃত্যুর মামলা, পুলিশের অস্বীকার

সমকাল
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

কুমিল্লায় আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া কিশোর মো. আরাফাত হোসেনের (১৪) পরিবারের দাবি, নির্যাতনের পর তাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় বুধবার রাতে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

আরাফাতের বাবার অভিযোগ, তিনি থানায় গিয়েছিলেন হত্যা মামলা করতে। পুলিশ তাকে ভুল বুঝিয়ে হত্যা মামলা না নিয়ে অপমৃত্যুর মামলা নিয়েছে। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার কুমিল্লা শহরতলির ডুমুরিয়া চাঁনপুর গয়ানবাগিচা (বউবাজার) এলাকায় আগুনে পুড়ে মারা যায় কিশোর আরাফাত। সে থাই গ্লাসের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করত। ঘটনার শুরু থেকেই তার পরিবারের দাবি, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে আরাফাতকে। বৃহস্পতিবার আরাফাতের বাবা আবদুল বারেক বলেন, ‘থানায় হত্যা মামলা করতে গিয়েছিলাম আমি। কিন্তু পুলিশের লোকেরা আমাকে বলে, হত্যা মামলা করলে সাক্ষী পাবেন কোথায়? তারা আগে তদন্ত করবে, এরপর নাকি হত্যা মামলা রেকর্ড করবে। এক পর্যায়ে পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা লেখে। এরপর আমার কাছ থেকে তাতে সই নেওয়া হয়। তবে আমি এখন আদালতে হত্যা মামলা করব।’ নিহতের চাচাতো ভাই রিয়াদ হাসান হৃদয় বলেন, এটি কোনোভাবেই অপমৃত্যু হতে পারে না। পুলিশ মামলাটি নিয়ে রহস্যজনক আচরণ করছে।

 

বাউফলে প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাদী

বাংলা টিব্রিউন
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

পটুয়াখালীর বাউফলে গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল আহম্মেদ মনির মোল্লা। সমানতালে অংশ নিচ্ছেন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। তাও আবার প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই। অথচ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য আসম ফিরোজ মোল্লার ভাতিজা বলে জানা গেছে।

মামলার বাদীর কালাইয়া ইউপির কোর্টপাড় এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেন বলেন, আসামির ভয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে ফয়সাল আহম্মেদ নিয়মিত থানায় যাতায়াত করেন। অথচ পুলিশ তাকে ধরছে না।

 

Police officer shot by ‘drug trader’ in city

The Daily Star
Category: state force

A police official was wounded after being shot by an alleged drug trader while carrying out a drive in the capital’s Mohammadpur area yesterday morning, police said. The alleged drug trader was also wounded in a “gunfight” that broke out after he opened fire on the official. Ujjal Hossain Khan, assistant sub-inspector of Rayerbazar Police Outpost, was being treated for bullet wounds in his right leg at Shaheed Suhrawardy Medical College Hospital. Walid Hossain, deputy commissioner (media) of Dhaka Metropolitan Police, said the incident took place around 9:30am when a police team carried out a drive at a house on Baishakhi road near the police outpost to arrest a drug trader.

ছড়িয়ে দিনঃ
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

আপনার মতামত জানানঃ