
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রয়োজন মেটাতে এবার বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মোট ৩৩০ কোটি ডলারের এই ঋণের একটি অংশ যাবে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে, আর বড় অংশ ব্যয় হবে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে। তবে ঋণটির বড় একটি বৈশিষ্ট্য হলো—এর উল্লেখযোগ্য অংশই তুলনামূলক কঠিন শর্তের বা অনমনীয় ঋণ।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনমনীয় ঋণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভায় এ ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত ৩৩০ কোটি ডলারের মধ্যে ২০ কোটি ডলার নেওয়া হবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য। আর বাকি ৩১০ কোটি ডলার নেওয়া হবে সৌদি আরবের জেদ্দাভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) থেকে, যা মূলত জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানিতে ব্যবহার করা হবে।
একদিকে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন, অন্যদিকে দেশের শিল্প, পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে জ্বালানি আমদানিও অব্যাহত রাখতে হচ্ছে। ফলে সরকারের সামনে বৈদেশিক অর্থায়নের বিকল্প সীমিত হয়ে পড়ছে। কিন্তু এই অর্থায়ন যতটা জরুরি, এর আর্থিক দায়ও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চ সুদ, কম গ্রেস পিরিয়ড বা স্বল্পমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে।
এডিবি থেকে নেওয়া ২০ কোটি ডলারের ঋণটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) বাস্তবায়নাধীন ‘পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এ ব্যয় হবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য ঢাকা শহরের আশপাশের ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও আধুনিক করা।
প্রকল্পের আওতায় নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণ ও বিদ্যমান উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ, আন্ডারগ্রাউন্ড ওভারহেড লাইন নির্মাণ, ইনসুলেটেড কন্ডাক্টর স্থাপন এবং ডিজিটাল মনিটরিং ও ফল্ট লোকেটর প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় এ ধরনের প্রযুক্তি যুক্ত হলে কোথায় ত্রুটি হয়েছে তা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সিস্টেম লস কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
ঢাকার আশপাশের এলাকাগুলোতে দ্রুত শিল্পায়ন, আবাসন সম্প্রসারণ ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ছে। পুরোনো বিতরণ নেটওয়ার্ক দিয়ে ক্রমবর্ধমান চাহিদা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই নতুন অবকাঠামো তৈরি ও পুরোনো ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এই অর্থে এডিবির ঋণটি অবকাঠামোগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ঋণের শর্তের দিকে তাকালে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। এডিবির ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে সিকিউর্ড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট বা এসওএফআরের সঙ্গে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ স্প্রেড যোগ করে। ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর হলেও গ্রেস পিরিয়ড মাত্র পাঁচ বছর। এর সঙ্গে রয়েছে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ ম্যাচিউরিটি প্রিমিয়াম এবং শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ কমিটমেন্ট চার্জ।
এই ঋণের গ্র্যান্ট এলিমেন্ট মাত্র ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। সাধারণভাবে কোনো বৈদেশিক ঋণের গ্র্যান্ট এলিমেন্ট যত বেশি হয়, সেটিকে তত বেশি সহজ শর্তের ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিপরীতে গ্র্যান্ট এলিমেন্ট কম হলে ঋণটি তুলনামূলক কঠিন হয়ে ওঠে। সরকারের প্রচলিত মানদণ্ড অনুযায়ী ২৫ শতাংশের নিচে গ্র্যান্ট এলিমেন্ট থাকা ঋণকে অনমনীয় ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে নেওয়া এই ২০ কোটি ডলার শুধু অবকাঠামো তৈরির অর্থ নয়; এর সঙ্গে ভবিষ্যৎ ঋণ পরিশোধের দায়ও যুক্ত হচ্ছে। প্রকল্পটি সফল হলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ সরবরাহের মান উন্নত হতে পারে, সিস্টেম লস কমতে পারে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু প্রকল্প থেকে প্রত্যাশিত আর্থিক ও অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করা না গেলে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও দৃশ্যমান হবে।
তবে সবচেয়ে বড় অঙ্কের ঋণটি যাচ্ছে জ্বালানি খাতে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য আইটিএফসি থেকে মোট ৩১০ কোটি ডলারের স্বল্পমেয়াদি ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৫০ কোটি ডলার ব্যয় হবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জ্বালানি তেল আমদানিতে। আর ৬০ কোটি ডলার যাবে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন বা পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানিতে।
দেশের অর্থনীতির জন্য জ্বালানি আমদানি কোনো বিলাসিতা নয়। পরিবহন ব্যবস্থা, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে কৃষি ও দৈনন্দিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশই আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির দাম ওঠানামা করলে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ও সরাসরি প্রভাবিত হয়। একই সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার বাড়লে স্থানীয় মুদ্রায় সেই আমদানির খরচ আরও বেড়ে যায়।
এই বাস্তবতায় জ্বালানি আমদানির অর্থ জোগাতে সরকারকে বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আইটিএফসির ৩১০ কোটি ডলারের ঋণটি স্বল্পমেয়াদি হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। ছয় মাস মেয়াদি এই ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় মাসের টার্ম এসওএফআরের সঙ্গে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ যোগ করে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সুদহার ও অর্থবাজারের পরিস্থিতির সঙ্গে এ ঋণের ব্যয়ও পরিবর্তিত হতে পারে।
আইটিএফসি তাদের নিজস্ব উৎস থেকে ৬০ কোটি ডলার দেবে। বাকি ২৫০ কোটি ডলার আসবে কো-ফাইন্যান্সিংয়ের মাধ্যমে। জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানির অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে এর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট। পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানি করা না গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে, শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমতে পারে এবং পরিবহন খাতেও সংকট তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ জ্বালানি আমদানির অর্থায়ন নিশ্চিত করা অর্থনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই আমদানি অর্থায়নের জন্য কতটা বৈদেশিক ঋণ নেওয়া নিরাপদ। কারণ জ্বালানি আমদানিতে ব্যবহৃত ঋণ সাধারণত এমন কোনো উৎপাদনশীল সম্পদ তৈরি করে না, যেখান থেকে দীর্ঘমেয়াদে সরাসরি আয় আসবে এবং ঋণ পরিশোধ করা যাবে। বরং আমদানি করা জ্বালানি ব্যবহার হয়ে যায়। ফলে ঋণের অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া গেলেও ঋণের মূল অর্থ ও সুদ পরিশোধের জন্য ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে হবে।
এখানেই বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার বড় চ্যালেঞ্জটি সামনে আসে। ঋণ নেওয়া নিজেই সমস্যা নয়। উন্নয়নশীল দেশগুলো অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বৈদেশিক ঋণ ব্যবহার করে থাকে। সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন ঋণের অর্থ এমন কাজে ব্যয় হয় যার বিপরীতে পর্যাপ্ত উৎপাদনশীলতা বা বৈদেশিক মুদ্রা আয় তৈরি হয় না।
সরকার অবশ্য অনমনীয় ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সীমা ও নির্দেশিকা অনুসরণ করার কথা জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক অনমনীয় ঋণের দায় পরিশোধের ব্যয় কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের ১০ শতাংশ বা রাজস্ব আয়ের ১৫ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়। অর্থাৎ ঋণের বোঝা যেন সরকারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে অতিক্রম না করে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—ঋণ নেওয়ার পাশাপাশি ঋণের অর্থ ব্যবহারের দক্ষতাও নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ বিতরণ প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা, অতিরিক্ত ব্যয় বা দুর্বল ব্যবস্থাপনা হলে ঋণের অর্থের কার্যকারিতা কমে যাবে। আবার জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য, ডলারের বিনিময় হার এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ঋণের প্রকৃত ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে।
বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা গেলে দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব। তা না হলে প্রতিবছর জ্বালানি আমদানির অর্থায়নে নতুন করে বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজন হতে পারে।
একইভাবে বিদ্যুৎ খাতে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, উৎপাদিত বিদ্যুৎ দক্ষতার সঙ্গে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোও জরুরি। বিতরণ ব্যবস্থায় সিস্টেম লস কমানো গেলে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ দিয়ে বেশি গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। ডিজিটাল মনিটরিং, আধুনিক সাবস্টেশন এবং দ্রুত ত্রুটি শনাক্তকরণের প্রযুক্তি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
৩৩০ কোটি ডলারের এই ঋণ তাই বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একই সঙ্গে প্রয়োজন এবং সতর্কতার বিষয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে অর্থায়ন দরকার, কিন্তু সেই অর্থায়নের শর্তও অনুকূল হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সুদহার, ডলারের বিনিময় হার এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।
সবচেয়ে বড় কথা, স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজন মেটাতে নেওয়া ঋণ যেন দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ঝুঁকিতে পরিণত না হয়, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। জ্বালানি আমদানির জন্য ৩১০ কোটি ডলারের ঋণ দেশের অর্থনীতিকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি দিতে পারে। বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ভবিষ্যতে অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। কিন্তু ঋণের অর্থ কতটা দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কীভাবে ঋণ পরিশোধ করা হবে—তার ওপরই নির্ভর করবে এই বৈদেশিক অর্থায়ন বাংলাদেশের জন্য কতটা সুফল বয়ে আনবে।
দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বৈদেশিক ঋণ এখন আর শুধু উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয় নয়; এটি সামষ্টিক অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজেট ব্যবস্থাপনার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। তাই ৩৩০ কোটি ডলারের এই ঋণ অনুমোদনকে শুধু বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়া হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। এর সঙ্গে রয়েছে সুদ, পরিশোধের সময়সীমা, বৈদেশিক মুদ্রার দায় এবং ভবিষ্যৎ বাজেটের ওপর সম্ভাব্য চাপ।
বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—ঋণের অর্থ এমনভাবে ব্যবহার করা, যাতে তা অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামোকে আরও কার্যকর করে। একই সঙ্গে নতুন ঋণের প্রয়োজন যেন ক্রমাগত বাড়তে না থাকে, সেদিকেও নজর দিতে হবে। কারণ আজকের বৈদেশিক ঋণ আগামী দিনের বাজেটের দায়। আর সেই দায় যতটা ব্যবস্থাপনার মধ্যে রাখা যাবে, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও তত বেশি নিরাপদ থাকবে।
আপনার মতামত জানানঃ