…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে আবারও হামের ভয়াবহ প্রত্যাবর্তন যেন এক অপ্রত্যাশিত বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে রোগকে একসময় প্রায়…
Trending Posts
-
তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ৪০ বছর পর কেমন আছে চেরনোবিলের প্রাণ-প্রকৃতি?
মে ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা: অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে এতো শিশুর মৃত্যু
মে ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ৪০ বছর পর কেমন আছে চেরনোবিলের প্রাণ-প্রকৃতি?
মে ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা: অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে এতো শিশুর মৃত্যু
মে ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- হাওরের কৃষকরা মারা যাচ্ছেন, কেন কেউ খেয়াল করছে না?
- তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর ৪০ বছর পর কেমন আছে চেরনোবিলের প্রাণ-প্রকৃতি?
- হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইরানি গণমাধ্যম
- মমতাকে হারিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় কীসের ইঙ্গিত
- যেভাবে সীমান্ত বারবার শিশুদের কেড়ে নিচ্ছে
- হরমুজে চিরতরে নিষিদ্ধ হচ্ছে ইসরায়েলি জাহাজ
- গত ১ বছরে ৩৮৯জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার: টিআইবি
- তেলের জন্ম এবং সাম্রাজ্যের উত্থানের অজানা ইতিহাস
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবকের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত দেশটিতে বসবাসকারী প্রত্যেক হিন্দু-মুসলমানের পূর্বপুরুষ এক ছিলেন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে। এটাই ইতিহাস। গতকাল সোমবার মুম্বাইয়ে দেশটির বিশিষ্ট মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় হিন্দু-মুসলমান সমাজের মধ্যে ঐক্য সাধন ও কট্টরপন্থী মুসলিম বিচারধারার বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষিত মুসলমান সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আরএসএসের এই প্রধান। আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের প্রেক্ষাপটে ভাগবত ওই আহ্বান জানিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোহন ভগবত বলেন, ব্রিটিশরা মুসলিমদের বলেছিল যে, শুধুমাত্র হিন্দুরা নির্বাচিত হবেন এবং একত্রিতভাবে তারা একটি পৃথক (দেশের) দাবির জন্য ঝাঁপাবেন। তারা (ব্রিটিশরা) বলেছিল যে,…
মারাত্মক যৌনব্যাধি সিফিলিস শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষকে সংক্রমিত করে আসছে। “কলম্বিয়ান থিওরি” অনুযায়ী, ১৪৯২ সালে কলম্বাসের জাহাজে থাকা নাবিকরা এই রোগটি আমেরিকা থেকে ইউরোপে নিয়ে আসে। এর অল্প কিছুদিন পরেই যখন ১৪৯৫ সালে ফ্রান্স ইতালির নেপলসে আক্রমণ চালায়, তখন প্রথমবারের মত সিফিলিস মহামারী আকারে ছড়িয়ে যায়। অনেকে অবশ্য মনে করেন কলম্বাসের আমেরিকা অভিযান ও ইউরোপে ফিরে আসার আগে থেকেই সেখানে সিফিলিস রোগটির অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু ১৪৯৫ সাল পর্যন্ত সেটিকে কুষ্ঠরোগ থেকে পৃথক করে নির্ণয় করা যায় নি। ট্রেপোনমা প্যালিডাম এই রোগের জীবাণু, যা মূলত যৌনসংগমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যৌনসঙ্গমের কারণে যৌন অঙ্গের চামড়ায় সামান্য ক্ষত হলে ঐ স্থানে জীবাণু…
প্রতিনিয়ত বিতর্ক বাড়ছে নগদকে নিয়ে। মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন, স্বচ্ছতার অভাব, পাশাপাশি সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা নগদের জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরাচ্ছে। উল্লেখ্য, ডাক বিভাগের ব্র্যান্ড ব্যবহার করলেপ এই মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) ‘নগদ’ এত দিন পরিচালনা করছিল থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড। প্রসঙ্গত, থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেড নাম পরিবর্তন করে ‘নগদ লিমিটেড’ হয়েছে। এতে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিসের শেয়ারধারীদের পাশাপাশি নতুন অনেকে যুক্ত হয়েছে। তবে এখনো মালিকানায় ডাক অধিদপ্তরের কোনো অংশ নেই। যদিও বলা হচ্ছে, এটি ডাক বিভাগের সেবা। এমন পরিস্থিতিতে নগদ লিমিটেডের নামে ব্যাংকে ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট হিসাব খোলার আগে ডাক বিভাগের অনুমোদন নিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি নগদের হিসাব খুলতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ব…
করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ঘরবন্দি থাকায় দেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের হার বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। সূত্র মতে দেশে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের ১৫ শতাংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বারডেম হাসপাতালে চলমান একটি গবেষণা বলছে, করোনার মধ্যে ব্যাপক বেড়েছে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের হার। বর্তমানে দেশে ২ কোটির কাছাকাছি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। করোনা মহামারিতে এই আক্রান্তের হার আরও বাড়তে পারে বলে ধারনা বিশেষজ্ঞদের। তবে গবেষণাটির চূড়ান্ত ফলাফল পেতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে। এদিকে, আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) দেয়া সবশেষ তথ্য বলছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে মোট জনগোষ্ঠীর ৮ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিল। চলতি বছরের মার্চ মাসে এই রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট জনগোষ্ঠীর ৮ দশমিক ৪…
ঢাকাবাসীর নিত্যদিনের দুর্ভোগের নাম যানজট। এই যানজটের কারণে অতিষ্ঠ শুধু সাধারণ মানুষের জীবন নয়, প্রতিনিয়ত শূন্য হচ্ছে রাষ্ট্রের পকেটও। নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান কর্মঘণ্টা। পাশাপাশি যানজটে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় তৈরি হয় মানসিক অবসাদ। গবেষণা বলছে, যানজটের কারণে শুধু ঢাকায় দিনে ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। যার আর্থিক ক্ষতি বছরে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, যেভাবে যানজট পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে, তাতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও আরও বাড়বে। নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা যানজট নিয়ে সর্বশেষ গবেষণা বলছে, ঢাকায় যানজটের কারণে পিক আওয়ারে গণপরিবহনগুলোর গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটারে নেমে এসেছে, যেখানে হেঁটে চলার গড় গতিও ৫ কিলোমিটার। ফলে প্রতিদিন ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট…
মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই দেশে মোবাইল ফোনে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘নগদ’ এখন বেশ পরিচিত একটি নাম। বেশ প্রশংসনীয়ভাবেই নগদ বাজারের বড় একটা অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তবে এখনো নগদের মালিকানা ও ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে যে জটিলতা, সেটির সুরাহা হয়নি। এমনকি সাধারণ মানুষের কাছে ডাক অধিদফতরের সেবা হিসেবে পরিচিত হলেও, আদতে এর মালিকানায় সম্পৃক্ততা নেই ডাক অধিদফতরের। এই ব্র্যান্ডই মূলত নগদের এতো অল্প সময়ে মানুষের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জনের প্রধাণ কারণ। তবে এই অসৎ অবস্থানের পরেও সগৌরবে কার্যক্রম চালাচ্ছে নগদ। যদিও সম্প্রতি নগদকে পাবলিক কোম্পানি লিমিটেডে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ই-কমার্সের অর্থ ফেরত সংক্রান্ত জটিলতায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে নগদ। নগদ যেখানে…
প্রায় ১৮ মাস পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু করা হবে। আজ রোববার শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বিকেল সোয়া ৩টায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়। সভাশেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসএসসি, এইচএসসি ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন প্রতিদিন ক্লাসে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ডা. দীপু মনি বলেন, শুরুর দিকে ২০২১ সালে যারা এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২১ সালে যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবেন তাদের প্রতিদিন স্কুলে আসতে হবে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও প্রতিদিন ক্লাসে আসবে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি…
জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থল হারানো, অতিরিক্ত মাছ ধরাসহ নানা কারণে হুমকির মুখে সামুদ্রিক প্রাণীর অস্তিত্ব। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই পৃথিবী থেকেই বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে হাঙর। সম্প্রতি এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজারভেশন অব নেচার (আইসিইউএন)। আইসিইউএন-এর তরফে একটি সমীক্ষা করে সবচেয়ে বিপন্ন সামুদ্রিক জীবের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে প্রথম স্থানেই রয়েছে হাঙর। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাঙরের ৩৭ শতাংশ প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়ার পথে। এর পিছনে দুটো কারণ আছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত, হাঙরের যথেচ্ছ মাত্রায় শিকার এবং দ্বিতীয়টি হল জলবায়ুর পরিবর্তন এবং হাঙরের বিচরণ ক্ষেত্রের ক্রম সঙ্কোচন। শুধু হাঙর নয়, আইসিইউএন-এর বিপন্ন প্রাণীর তালিকায়…
কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো এখন জঙ্গিদের নিরাপদ ঘাঁটি। এসব ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ। দুর্গম অরণ্যে গড়ে তোলা হয়েছে প্রশিক্ষণকেন্দ্র। সূত্র মতে, ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জঙ্গিদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠনগুলো। তাদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে দেশি-বিদেশি কয়েকটি এনজিওর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি স্থানীয় মাদ্রাসাগুলো হয়ে উঠেছে জঙ্গিদের প্রজননক্ষেত্র হিসেবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প জঙ্গিদের নিরাপদ ঠিকানা জানা যায়, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তালিকাভুক্ত শরণার্থী ১০ হাজার ৪০০ জন। অথচ নিবন্ধন ছাড়া আরো এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা আগে থেকেই অবৈধভাবে বসবাস করছে এখানে। স্থানীয় সূত্র জানায়, এই ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য গঠিত হয়েছে ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট কমিটি।…
বিদ্যুৎকেন্দ্র বসিয়ে রেখে প্রতি মাসে কয়েক হাজার কোটি টাকা ভাড়া দেওয়ার ঘটনা এই উন্নয়নের জোয়ারে ডালভাত হয়ে গেছে। মূলত দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নির্মাণে এমনভাবে চুক্তি করা হয় যে সেগুলো বসে থাকলেও মাসে মাসে ভাড়া দিতে হবে। এটাকে বলা হচ্ছে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’। কয়েক বছর ধরেই দেশে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা অনেক বেশি। ফলে যেসব কেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা কাজে লাগে না, সেগুলোকে নিয়মিত ভর্তুকি দিতে হয়। এরপরেও একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যৌক্তিকতা জানে না খোদ বিশেষজ্ঞরাই। বছরে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) গত বছর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাত্র ৪৩ শতাংশ ব্যবহার…