…
এডিটর পিক
মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়েও দেশে ফেরার ঘোষণা—এমন সিদ্ধান্ত যে কোনো রাজনীতিকের ক্ষেত্রেই অসাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু…
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
হাসিনার দিল্লির বক্তব্যে কী ছিল: নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন?
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশ, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভারত–বাংলাদেশ টানাপোড়েন
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
হাসিনার দিল্লির বক্তব্যে কী ছিল: নিষেধাজ্ঞা পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক বার্তা দিলেন?
আগস্ট ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- ১৮১৬ সালের যে ঘটনা বদলে দিয়েছিল পৃথিবীর ইতিহাস
- বাংলাদেশের চেয়ে হাসিনাকে কেন বড় করে দেখছে দিল্লী?
- হাসিনার ফেরার ঘোষণা, দিল্লির মঞ্চ ও শাকিবের বাড়িতে হামলা: রাজনীতি কি আবার প্রতিশোধের চক্রে?
- শিক্ষকদের ভাগ্য এখন শিক্ষার্থীদের হাতে
- মৃত্যুদণ্ড, তবু কেন দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা
- মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে কি সত্যিই শান্তির পথ খুলছে?
- তরুণদের আন্দোলনে দুর্বল হয়ে পড়েছে মোদি সরকার
- গণভবন থেকে জুলাই জাদুঘর: স্মৃতি সংরক্ষণ, নাকি রাষ্ট্রীয় ইতিহাস নির্মাণ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, এর অন্যতম কারণ হলো ডলারের ক্রাইসিস। দীর্ঘদিন ধরেই ডলারের সংকট থাকলেও বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের সংকট প্রবল আকার ধারণ করেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলার মিলছে না বললেই চলে। অন্যদিকে কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারেও ডলার বেচাকেনা একেবারেই কম। আর থাকলেও দাম বেশি। ডলারের এই সংকটকালে বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতকে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রায় ১২ বিলিয়ন বা ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসা এবং ডলার সংকটের কারণে বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক সংস্থা মুডিস…
মঙ্গলগ্রহে অক্সিজেন উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, কার্বন ডাই অক্সাইডপূর্ণ গ্রহটিতে দুই বছরের চেষ্টায় অক্সিজেন গ্যাস তৈরি করা হয়েছে। এই অক্সিজের ওপর নির্ভর করে গ্রহটিতে নামতে পারবে মানুষ। তবে তার আগে আরও কিছু পরীক্ষা করে দেখতে হবে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার রোভার কিছু পরীক্ষামূলক বস্তু নিয়ে গেছে মঙ্গলগ্রহে। তার মাধ্যমেই তৈরি করা হয়েছে অক্সিজেন। একে বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করলেও সতর্ক বিজ্ঞানীরা। আবু ধাবির নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনও অক্সিজেন সমৃদ্ধ এলাকার নকশা পুরোপুরি তৈরি করা হয়নি। নাসার এই রোভারকে বলা হচ্ছে হোপ প্রোব। ২০২১ সালে নাসার প্রাণের সন্ধানকারী প্রোবটি যখন মঙ্গলগ্রহে অবতরণ করে তখনই অক্সিজেন…
স্মার্টফোন হোক, বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট, কিংবা ঘুড়ির মাঞ্জা, অত্যন্ত সস্তায় নিত্যব্যবহার্য জিনিস বিক্রি করার ব্যাপারে চীনের জুড়ি মেলা ভার। নিজের দেশ তো বটেই, ভারত সহ পৃথিবীর বহু দেশেই দেশি জিনিসকে মাত দিয়ে রমরমিয়ে বিক্রি হয় চীনা পণ্য। উদ্ভাবনীশক্তিতে চীনের মানুষ যে অতুলনীয়, তা একবাক্যে স্বীকার করেন অনেকেই। সম্প্রতি সে দেশের একটি অনলাইন পোর্টাল এমন একটি জিনিস বিক্রি করছে, যা দেখে তাজ্জব নেটিজেনরা। তাওবাও (Taobao) নামে ওই পোর্টালটি মস্তিষ্কের ক্ষমতা আরও উন্নত করার জন্য একটি জিনিস বিক্রি করছে, যেটির নাম ‘আইনস্টাইনস ব্রেন। চীনের তাওবাও নামে একটি অনলাইন শপিং পোর্টাল অবিশ্বাস্য কম দামে বিক্রি করছে “আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক”, শুনলে অবাক লাগলেও ঘটনাটি…
স্বাধীন ভারতে নিজ দেশের মানুষের উপর যে গণহত্যা মরিচঝাঁপি মূলত একটি দ্বীপের নাম। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ পরগণা জেলার একটি দ্বীপ এটি। সুন্দরবনের উত্তরভাগে অবস্থিত ১২৫ বর্গমাইলের একটি দ্বীপ মরিচঝাঁপি। যেখানকার অধিকাংশ জায়গা ছিলো শ্বাপদসংকুল। মানুষের বসবাসের অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে সেখানে মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা দুরূহ কোনো কাজ ছিলো না। পরিষ্কার করে বসবাসের যোগ্য করার মতো এলাকা মরিচঝাঁপি। এটি সুন্দরবনের সুন্দরী, গড়ানের বনভূমি, যার এখানে-সেখানে নারকেল গাছ। এখানকার জমি জলকাদা আর শীর্ণকায় উদ্ভিদে ভরা। ব্রিটিশরা যখন এই উপমহাদেশে ছিলেন, তখন থেকেই তারা এখানকার মানুষদের মনের ভেতর, চেতনায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বীজ বপন করেন। যার পরিণতি খুবই ভয়াবহ হয়। কাছের মানুষদের…
প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার আক্কাদীয় সাম্রাজ্যের প্রাজ্ঞ, প্রভাবশালী ও গুণীজনদের তালিকা করলে এনহেদুয়ানার নাম উঠে আসবে অবধারিতভাবেই। বলা হয়ে থাকে, তিনি আক্কাদীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মহামতি সার্গন দ্য গ্রেটের কন্যা। প্রত্নতাত্ত্বিক নথি থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এনহেদুয়ানা একইসাথে ছিলেন প্রাচীন সুমেরীয় মন্দিরের একজন মহাযাজিকা এবং বিশ্বের প্রথম পরিচিত লেখিকা। মৌলিক সাহিত্য রচনার জন্য সর্বাধিক খ্যাতি কুড়িয়েছেন। এসবে তিনি শুধু মেসোপটেমীয় দেবতাদের প্রশংসাই করেননি, বরং তাদের মানবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন দিকগুলোর দিকেও আলোকপাত করেছেন। সার্গনের হাতে নবনির্মিত আক্কাদীয় সাম্রাজ্যকে একতাবদ্ধকরণ, এবং সমৃদ্ধিসাধনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। খ্রি.পূ. ২২৮৬ অব্দের দিকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার উর্বর ভূমিতে এনহেদুয়ানার জন্ম। তার বাল্যকাল সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। শুধু বলা হয়ে থাকে,…
গত চার দশকে ইসলামী ধারার ব্যাংকিংয়ে বড় সাফল্য পেয়েছে মালয়েশিয়া। দেশটির আধুনিক অর্থনীতির ভিত তৈরিতে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ভূমিকা ছিল যুগান্তকারী। মালয়েশিয়ার মতো বাংলাদেশেও এ সময়ে ইসলামী ধারার ব্যাংকিং দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে। কিন্তু অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখার আগেই আস্থার সংকটের মুখে পড়েছে ইসলামী ধারার ব্যাংকিং। আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে এ ধারার ব্যাংকিং এখন দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় পতিত হয়েছে। বাংলাদেশে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের সূচনা হয়েছিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের হাত ধরে। ১৯৮৩ সালে কার্যক্রম শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে গড়ে উঠেছে আরো নয়টি পূর্ণাঙ্গ ধারার ইসলামী ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ছাড়াও এ ধারার অন্য ব্যাংকগুলো হলো সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল),…
সাউথ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর প্রান্তের ছোট্ট এক শহর কুবার পেডি। স্টুয়ার্ট হাইওয়ে ধরে গেলে অ্যাডিলেডের ৮৫০ কিলোমিটার উত্তরে এর অবস্থান। সাধারণভাবে একে দেখলে মোটামুটি জনবিরল এক জায়গা বলেই মনে হবে। বৃক্ষহীন সমতল এক এলাকা, পাতলাভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কিছু ঘর-বাড়ি, এক জোড়া সরাইখানা, একটি পুলিশ স্টেশন, একটি স্কুল আর একেবারে উত্তর সীমায় একটি হাসপাতাল। তবে এতটুকুন দেখে যদি চলে যান, তাহলে আপনি শহরের আসল মজাটাই পেলেন না। প্রকৃতপক্ষে আপনি দেখলেন শহরের অর্ধেকটি। বাকি অর্ধেকটা ‘ডাগআউট’ নামে পরিচিত চওড়া গুহা আর সুড়ঙ্গের এক পাতাল রাজ্য। কুবার পেডির পাতালরাজ্যে শহরের বাসিন্দারা বানিয়েছেন বাড়ি, ওপাল জাদুঘর, রেস্তোরাঁ, বার, গির্জা, পাঠাগার আরও কত কিছু। কুবার পেডি…
যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ কোটি ২ লাখ ডলার। যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭২ কোটি ২০ লাখ ডলার। সে অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৪৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাত্র ১৭ কোটি ২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা একক মাসের হিসাব অনুসারে তিন বছরে সর্বনিম্ন। রেমিট্যান্স প্রবাহের দিক থেকে শীর্ষ তালিকার দ্বিতীয় স্থানটি টানা তিন বছর…
সর্বপ্রথম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের উত্থান ঘটেছিল। সেসময় বিখ্যাত ব্রেটন উডস কনফারেন্সে দেশটি একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল, যা বাস্তবে একটি সাম্রাজ্যিক অর্থনীতি হিসাবে কাজ করে থাকে, অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ফল পাশ্চাত্যের নাগরিকদের হাতে তুলে দেয়। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের জন্য নিরাপত্তা ছায়া প্রদানের জন্য ন্যাটো তৈরি করেছে, যাতে তাদের সংগঠনগুলো অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার মতো সাধারণ বৈশ্বিক নীতিগুলো তৈরি ও আরোপ করতে পারে। শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে, এই ব্যবস্থা বিশ্ব আধিপত্যের এমন একটি মাত্রা অর্জন করেছে, যা পরবর্তী কোন সাম্রাজ্য কখনও কল্পনাও করেনি। কিন্তু গত দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য হ্রাস পেয়েছে। এই সহস্রাব্দের শুরুতে পশ্চিমারা…
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ছাপানো টাকায় ঋণ নেওয়ার রেকর্ড গড়েছে সরকার। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার ৯৭ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। আগের অর্থবছরে ঋণ নিয়েছিল ৩১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে তিনগুণের বেশি ঋণ নিয়েছে। তারল্য কমে যাওয়ার কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা কমে গেছে। অর্থনৈতিক মন্দায় সরকারের রাজস্ব আয় কম হওয়ায় ও ব্যয় বাড়ায় নিতে হয়েছে বাড়তি ঋণ। ফলে বাধ্য হয়েই সরকারকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাড়িয়ে ঋণ নিতে হয়েছে। এতে একদিকে টাকার প্রবাহ বেড়ে গিয়ে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ছে। অন্যদিকে টাকার মান কমে গিয়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।…