…
এডিটর পিক
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাল ভূরাজনীতির ভেতরে এমন এক নীরব সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি অনুভব করছে…
Trending Posts
-
শেখ হাসিনার সঙ্গে কী কথা হয়েছে জিএম কাদেরের? কেন কথা হয়েছে?
এপ্রিল ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান কেন বাংলাদেশি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না
এপ্রিল ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মোদিকে ট্রাম্পের ফোন, ভারত-পাকিস্তান নিয়ে ‘নতুন খেলায়’ যুক্তরাষ্ট্র
এপ্রিল ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
শেখ হাসিনার সঙ্গে কী কথা হয়েছে জিএম কাদেরের? কেন কথা হয়েছে?
এপ্রিল ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান কেন বাংলাদেশি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না
এপ্রিল ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মোদিকে ট্রাম্পের ফোন, ভারত-পাকিস্তান নিয়ে ‘নতুন খেলায়’ যুক্তরাষ্ট্র
এপ্রিল ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইরান কেন বাংলাদেশি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না
- ইরান যেভাবে বিশ্বে ক্ষমতার ধারণা বদলে দিয়েছে
- আবারও বাড়ছে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তৎপরতা
- মানব সভ্যতার বড় বাঁকবদলগুলো
- নির্বাচন কি ‘ইঞ্জিনিয়ারড’ ছিল? স্বাধীনভাবে সংগ্রহ করা ট্যালি শিট বলছে ভিন্ন কথা
- যুদ্ধে বিপর্যস্ত প্রবাসী আয়
- শেখ হাসিনার সঙ্গে কী কথা হয়েছে জিএম কাদেরের? কেন কথা হয়েছে?
- যুদ্ধে দিনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ প্রায় শত কোটি ডলার, ‘পিছু হটার’ পথ খুঁজছে ট্রাম্প
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
প্রাচীনকালে মানুষ ভাবত পৃথিবীর অবস্থান মহাবিশ্বের কেন্দ্রে। তাঁদের কাছে আধুনিক কোনো যন্ত্রপাতি ছিল না। ছিল না পরীক্ষা-নিরীক্ষার বালাই। খালি চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে যা বোঝার বুঝত। তারপর নিজেদের মতো করে সে ধারণার পক্ষে যুক্তি সাজাত। কেউ কেউ আসলেই সত্যান্বেষণের চেষ্টা করেছে। অনেকে আবার যুক্তি মিলতে না চাইলেও মিলে-ঝিলে মিলিয়ে নিয়েছে। আজ আমরা জানি, তাদের সেসব চিন্তা ঠিক ছিল না। গ্রিক জ্যোতির্বিদ ও গণিতজ্ঞ অ্যারিস্টার্কাস প্রথম বলেন, পৃথিবী নয়, সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য। মধ্যযুগে ভারত ও আরবের বিজ্ঞানীরাও একই কথা বলেছেন। কিন্তু বিরোধীদের আপত্তির মুখে সে ধারণা বেশি দূর এগোতে পারেনি। এরপর কোপার্নিকাস, গ্যালিলেওরা পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলকে নস্যাৎ করে দেন পরীক্ষালব্ধ প্রমাণের…
রাশিয়ার কেজিবি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ নয়, বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ানক, নিষ্ঠুর ও দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা বলা হয় ইসরায়েলের মোসাদকে। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মোসাদ বিভিন্ন দেশে গিয়ে গুপ্তহত্যার মতো লোমহর্ষক অপারেশনও করে থাকে নিয়মিত। এমনকি চিঠির মাধ্যমে বোমা পাঠিয়ে হত্যা করার কৌশল প্রথম আবিষ্কার করে। এছাড়াও ইরাকের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র উড়িয়ে দেওয়ার মতো দুঃসাহসিকতাও রয়েছে মোসাদের। মোসাদকে অনেকে ইসরায়েল রাষ্ট্রের ফুসফুসও বলে থাকে। দেশের ভরসা ও শত্রুদের সাক্ষাৎ যমদূত মানেন কেউ কেউ। সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র বাঁচানোর জন্য ইসরায়েল যেভাবে আয়রন ডোম ব্যবহার করে, তেমনি মোসাদ ইসরায়েলের অস্তিত্ব রক্ষায় ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। মোসাদের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী…
এপ্রিল মাসের প্রথম দিনটাকে বলা হয় ‘এপ্রিল ফুল’ ডে। এই দিনটি পরিচিতদের বোকা বানানোর ‘শুভ মহরৎ’। তত্ত্ব অনুসারে, পাঁচ শতক আগে শুরু হয়েছিল এপ্রিল ফুলস ডে। অনেকের অনুমান, ১৬ শতকে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে গ্রেগারি জর্জিয়ান ক্যালেন্ডারে পরিবর্তনের সময়কাল থেকেই এই ১ এপ্রিল উদ্যাপন হয়ে থাকে। ক্যালেন্ডার মাফিক, ১৫৮২ সালে প্রথমবার পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন বছর শুরু হয়। তার আগে, জুলিয়ান ক্যালেন্ডার মতে, ১ এপ্রিলকে বছরের প্রথম দিন ধরা হত। অর্থাৎ জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সময়ে মার্চের শেষ পর্যন্ত মনে করা হত বছরের শেষ। আর বছরের শুরুর দিনটি হল এপ্রিলের প্রথম দিন। যদিও গ্রেগারি জর্জিয়ান ক্যালেন্ডারে সেটি পাল্টে যায়। তবে গ্রেগারি জর্জিয়ান ক্যালেন্ডারের…
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না, এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং বুয়েটের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে রোববার ক্যাম্পাসে রীতিমত থমথমে অবস্থা দেখা গেছে। কথিত আছে, ‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়’। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের অবস্থাটাও এমন। ২০০২ সালে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে সাবেকুন নাহার সনি নিহত হওয়ার ঘটনায় বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি দানা বেঁধেছিল। ২০১৯ সালে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার পর উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের মুখে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয় প্রতিষ্ঠানটিতে। কিন্তু এ ঘটনার ৪ বছর না পেরোতেই বুয়েটে আবারও ছাত্ররাজনীতি চালুর…
এলসওয়ার্থ পর্বতমালায় বেশ কয়েকটি পর্বতচূড়া রয়েছে, যেগুলি ত্রিকোণাকৃতি হলেও তাদের ভিত্তি বর্গাকার এবং প্রতিটি দিকে দু’কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত। ঠিক মিশরের পিরামিডের মতো। পিরামিডের ‘জন্ম’ মিশরে। তবে মিশরের বাইরেও পিরামিড-সদৃশ কাঠামোর হদিস একাধিক বার মিলেছে। পিরামিডের সঙ্গে সেই সব কাঠামোর অনেক মিলও রয়েছে। কিন্তু শ্বেতশুভ্র বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকাতেও রয়েছে পিরামিড! এমনটাই মনে করছেন এক দল ‘কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট’। ‘কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট’দের মতে, আন্টার্কটিকা বরফে আচ্ছাদিত হওয়া সত্ত্বেও এবং কোনও স্থায়ী মানববসতি না থাকা সত্ত্বেও, সেই বরফের নীচেই নাকি ঢাকা রয়েছে ত্রিকোণাকৃতি এক ‘পিরামিড’। কিন্তু কেন এমনটা মনে করছেন ‘কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট’রা? এর নেপথ্যে রয়েছে একটি উপগ্রহচিত্র। সেই ছবি দেখার পরে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও একাংশ মনে…
ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধে সরকারের খরচ দ্বিগুণ বেড়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে সুদ বেড়ে ৮০ কোটি ৬০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে একই সময়ে সুদ পরিশোধে সরকার খরচ করেছিল ৪০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থ্যাৎ সুদ পরিশোধের পরিমাণ ২০০ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সার্বিকভাবে ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে। বিষয়টি উদ্বেগের। আর এই অবস্থার অন্যতম কারণ হলো গত এক দশকে বাংলাদেশ স্বল্পমেয়াদি বেশকিছু ঋণ নিয়েছে। অন্যদিকে এসব ঋণের সুদহারও তুলনামূলক বেশি। ইআরডি’র প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে বিদেশি ঋণদাতাদের সুদ-আসল মিলিয়ে ২০৩ কোটি ডলার…
ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরীয়াভিত্তিক ব্যাংক। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকটির পিএলসি’র বর্তমানে শাখা ৩৯৪টি। এটিএম বুথ রয়েছে ২১১২টি। প্রায় ২১ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত ব্যাংকটি সুদমুক্ত ও কল্যাণমুখী ব্যাংকিং ধারার প্রবর্তক। সব সূচকেই দীর্ঘদিন দেশের শীর্ষে ছিল। চার দশকের পথচলায় শরীয়াভিত্তিক ব্যাংক ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কৃষি ও ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রবাসী সেবা, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় অর্থনীতিতে অনবদ্য অবদান রেখে চলেছে। অথচ স্বনামধন্য ব্যাংকটি এখন ডুবতে বসেছে। জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ প্রফেসর আবু আহমেদ বলেন, সবার চোখের সামনে ডুবে যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে সবাই দেখছে ব্যাংকটি সঙ্কটে…
যিনি ভাঁড়, আমাদের কাছে তিনিই তো গোপাল। ভাঁড়ের অবয়ব মনে এলে তাই অবধারিতভাবে টাক মাথায় টিকিওয়ালা পেট মোটা দারুণ এক রগুড়ে লোকের চেহারাই ভেসে ওঠে বাঙালির চোখে। তার নাম অবশ্যই গোপাল ভাঁড়। হাস্যরসিক গোপাল ভাঁড়ের নাম শুনেননি, বিশ্বে এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। গোপাল ভাঁড় ছিলেন মধ্য যুগের নদীয়া অঞ্চলের একজন প্রখ্যাত মনোরঞ্জনকারী। তার আসল নাম গোপাল চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নদীয়া জেলার প্রখ্যাত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজ সভায় নিযুক্ত ছিলেন। রাজা তাকে সভাসদদের একজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভা ও জনগণের যাবতীয় বিনোদনের আস্ত এক ভাণ্ডার ছিলেন বুদ্ধিমান গোপাল। কিন্তু এত প্রিয় মানুষ হয়েও বাংলাতে তার ঠাঁই হয়নি; বরং…
শত শত বছর আগে, এক প্রসিদ্ধ ইসলামিক লাইব্রেরি বিশ্বে আরবি সংখ্যা নিয়ে আসে। যদিও সেই লাইব্রেরি বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে কিন্তু গণিতে এটি যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল, তা আমাদের পৃথিবীকেই বদলে দিয়েছে। বায়াত আল-হিকমাহ্ বা হাউজ অফ উইজডম – প্রাচীন এই লাইব্রেরির এখন আর কোন অস্তিত্বই নেই, সেটি ১৩ শতকেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাই শুধুমাত্র কল্পনা করা ছাড়া আমাদের এখন আর নিশ্চিত হবার কোন উপায় নেই যে এটার অবস্থান ঠিক কোথায় ছিল এবং এটি দেখতে কেমন ছিল। কিন্তু এই মর্যাদাপূর্ণ একাডেমি ইসলামের স্বর্ণযুগে ছিল বাগদাদের প্রথম বড় জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্র। একইসাথে এটিকে বলা হয় আধুনিক ‘আরবি’ সংখ্যার জন্মভূমি, আর ‘শূন্য’ দিয়ে…
একটি কিংবা দুটি নয়, সহস্রাধিক মানুষের মস্তিষ্কের জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এসব মস্তিষ্কের কিছু আবার ১২ হাজার বছর কিংবা তারও আগের কোনো মানুষের। জাহাজের ধ্বংসাবশেষ কিংবা জলাবদ্ধ কোনো কবরের মতো স্থানে হাজার হাজার বছর ধরে কীভাবে মস্তিষ্কের মতো একটি নরম বস্তু জীবাশ্মে পরিণত হলো তা বিজ্ঞানীদের কাছে এক রহস্য। দেখা গেছে—মানুষগুলোর অস্থি, চর্ম সহ শারীরিক অবয়বের সবকিছু বিলীন হয়ে গেলেও অলৌকিকভাবে শুধু মস্তিষ্কটি জীবাশ্ম আকারে থেকে গেছে। বিষয়টিকে অদ্ভুত আখ্যা দিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক আলেকজান্দ্রা মর্টন-হেওয়ার্ড বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে, যে পরিবেশই হোক না কেন—তা মস্তিষ্ককে সংরক্ষণ করবে, এমনটা আমরা আশা করি না।’ এ বিষয়ে নিও সায়েন্টিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,…