Author: ডেস্ক রিপোর্ট

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে প্রায়ই দুর্নীতির অভিযোগ শোনা যায়। সেসব অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযোগ হচ্ছে, ক্ষমতাশালী শীর্ষ কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে তারা কেবল মধ্যম ও নিম্নসারির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। “অবস্থা দেখা মনে হচ্ছে, দুদকের কর্মকর্তারা হয়তো একটি সীমারেখা নির্ধারণ করে নিয়েছেন, যেটার উপরে তারা যেতে চায় না,” বিবিসি বাংলাকে বলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে দুদক বলছে, দুর্নীতির প্রশ্নে তারা কাউকেই ছাড় দেন না। “অভিযোগ পেলেই আমরা তদন্ত করে দেখি এবং প্রমাণ পেলে সঙ্গে…

Read More

ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে—সরকারের এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সম্মতি জানিয়েছিলেন শিল্প মালিকরা। বুধবার শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি। অথচ গতকাল পর্যন্ত শিল্প-অধ্যুষিত আট এলাকার কেবল ৩২ শতাংশ কারখানা মার্চের বেতন পরিশোধ করেছে। এ হিসাবে ৬৮ শতাংশের বেতন এখনো অপরিশোধিত। আর ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে ৭০ শতাংশ কারখানা। কারখানাগুলোয় গতকাল পর্যন্ত বেতন পরিশোধ পরিস্থিতি সুখকর নয় বলে মনে করছেন শিল্প মালিকরাও। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, অন্যবারের তুলনায় এবারের ঈদ সামনে রেখে বেতন পরিশোধে মালিকদের অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পোশাক কারখানার ক্রয়াদেশ কিছুটা বাড়লেও দাম অনেক কমিয়ে দিচ্ছেন ক্রেতারা। সার্বিক পরিস্থিতিতে নগদ অর্থ সংকটের প্রভাব পড়েছে বেতন-বোনাস পরিশোধ চিত্রে।…

Read More

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, চাকরির ক্ষেত্রে তাঁরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বৈষম্যের মাধ্যমে তাঁদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এ নিয়ে তাঁরা হতাশ। অন্যদিকে কমিশনের ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনেও প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বৈষম্য-বঞ্চনার শিকার হওয়ার বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। বার্ষিক প্রতিবেদনটি গত ৩১ মার্চ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে জমা দেয় কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বঞ্চনার অনুভূতি নিয়ে কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে মানবাধিকারের উত্তম সেবা আশা করা যায় না। সবার আগে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানবাধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে। একটি প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল রেখে তার কাছ থেকে উত্তম সেবা আশা করা যায় না। কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) জেলা ও দায়রা জজ মো. আশরাফুল আলম…

Read More

জার্মানিতে গত বছর দুই লাখ ১৪ হাজার সহিংস অপরাধ ঘটেছে৷ সামগ্রিকভাবেও অপরাধ বেড়েছে। এটা ছিল জার্মানিতে সহিংস অপরাধের নতুন রেকর্ড৷ শনিবার পুলিশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে এই তথ্য৷ জার্মানির ভেল্ট আম সনটাগ পত্রিকা শুধু সেই তথ্য পেয়েছে৷ এতে দেখা যাচ্ছে, গতবছর সহিংস অপরাধের ঘটনা আগের চেয়ে ৮ দশমিক ৬ ভাগ বেড়েছে যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ৷ পুলিশ মোট দুই লাখ ১৪ হাজার ৯৯টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে৷ এরমধ্যে গুরুতর এবং শারীরিক ক্ষতি হয়েছে এমন অপরাধের ঘটনা রয়েছে এক লাখ ৫৪ হাজার পাঁচশো ৪১টি যা একবছরের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ৷ সামগ্রিকভাবে জার্মানিতে অপরাধ ২০২৩ সালে আগের বছরের তুলনায় ৫ দধমিক…

Read More

সম্প্রতি প্রবাসী রহিম শেখের মুমূর্ষু মা’র আইসিইউ সাপোর্টের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে জানিয়ে দেয়া হয় নির্ধারিত আইসিইউ সিটের বিপরীতে লম্বা সিরিয়াল রয়েছে ফলে বাধ্য হয়ে রোগীর স্বজনরা বেসরকারি হাসপাতালে যান। শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধাকে বাঁচানো গেল না। দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজারের বেশি রোগী ভর্তি থাকে এই হাসপাতালে। ভর্তি থাকা এবং বহির্বিভাগের রোগীদের মধ্যে অনেকেরই আইসিইউ দরকার হয়। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ভরসাস্থল এই হাসপাতালে আইসিইউ বেড আছে মাত্র ২০টি। এর মধ্যে দু-একটি প্রায় নষ্ট থাকে। দেশে আইসিইউ সেবা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এখনো অনেক মুমূর্ষু রোগী প্রয়োজনে হাসপাতালে…

Read More

একটি ব্রিগেড ছাড়া দক্ষিণ গাজা উপত্যকা থেকে সমস্ত স্থল সেনা প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। রোববার এক সামরিক মুখপাত্র এ কথা বলেছেন। খবর রয়টার্স। তবে সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি। প্রত্যাহারের ফলে দক্ষিণ গাজার রাফা শহরে দীর্ঘ হুমকির প্রতিকার হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। কারণ হামাসকে নির্মূল করতে সব ধরনের অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছিল ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি নতুন দফা আলোচনার আয়োজন করেছিল মিসর। এমন সময় সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হলো। গত ৭ অক্টোবর থেকে অবরুদ্ধ গাজায় অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এরমধ্যে গত কয়েক মাস ধরে শুধু দক্ষিণ গাজাতেই মূল ফোকাস ছিল ইসরায়েলি বাহিনীর। মিশরের রাফা…

Read More

ভুক্তভোগী একজন গৃহিণী। বনানী থানাধীন মহাখালী আমতলী মোড় থেকে জিরাবো যাওয়ার পথে বাসে তার এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয়। কথাবার্তার এক পর্যায়ে তাকে অজ্ঞাত ব্যক্তি উপহার হিসেবে একটি কলম দেন। সেই কলম হাতে নেয়ার পর তার চিন্তা শক্তি কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যায় এবং অজ্ঞাত ব্যক্তি বাদীর মোবাইল নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে নামিয়ে দেয়। কয়েক ঘণ্টা পর ওই মহিলার চিন্তা শক্তি স্বাভাবিক হলে নিজেকে পল্লবী এলাকায় শনাক্ত করেন। কিন্তু তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটি খুঁজে না পেয়ে একজন পথচারীর মাধ্যমে তার ছেলেকে মোবাইলে তার অবস্থান জানালে তার ছেলে তাকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে যায়। বাসায় যাওয়ার পর…

Read More

শিকার সভ্যতা ছেড়ে কৃষিতে মানুষ পা রেখেছে আনুমানিক ১৫ হাজার বছর আগে। আর কৃষির গোড়া থেকেই প্রাধান্য পেয়েছে গম, বার্লি, বাজরা, জোয়ার ও ধান। প্রথম কীভাবে ধান চাষ করা হলো তা হলফ করে বলা মুশকিল। সূচনাটা নারীর হাতেই হোক আর স্বতঃস্ফূর্ত গতিতে; ধান চাষের আদি নজির দক্ষিণ এশিয়ায়। সম্ভবত এখানেই প্রথম চাষ করা হয় এবং সে চাষপ্রণালি চীনে অগ্রগতি পায়। চীনের ইয়াংজি নদীরে উপকূলেই ধানচাষ তার পরিণতি লাভ করে। পরবর্তী সময়ে যা ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে। ধান চাষের ইতিহাসের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারত, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ চীন ও ইন্দোনেশিয়া অঞ্চল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভারত ও চীনকে কেন্দ্র করে চাষ ব্যবস্থায় যে…

Read More

সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি বা বাজারে টাকার প্রবাহ কমানোর নীতি অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও কমে আসবে। এতে বেসরকারি খাত প্রসারে ক্ষতি এবং নতুন বিনিয়োগ বাধাপ্রাপ্ত হবে। নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মুখ থুবড়ে পড়বে। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের গতি যেমন কমবে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হবে চলমান কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রগুলো। ঋণের সুদের হার বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও ব্যবসার খরচ লাগামহীনভাবে বাড়তেই থাকবে। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত রপ্তানি বাণিজ্যও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এতে ডলারের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সব মিলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের গতি হ্রাস পাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি আগামী অর্থবছরেও অব্যাহত রাখতে হবে। এদিকে আইএমএফও…

Read More

স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনের পাশাপাশি প্রতিবেশী ভারত থেকে আমদানির মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের ১২ শতাংশই করা হচ্ছে আমদানির মাধ্যমে। গত অর্থবছরে (২০২২-২৩) বিদ্যুৎ আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ৯ হাজার ২২৩ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ বাবদ ব্যয় হতে পারে ১৭ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে এবার দেশে বিদ্যুৎ আমদানিতে ব্যয় বাড়তে পারে প্রায় ৮ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা বা ৯০ শতাংশের বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিতের চেয়ে আমদানি করা বিদ্যুতে খরচ তুলনামূলক কম। এ কারণে অর্থ সাশ্রয়ের জন্য বিদ্যুতের আমদানি বাড়াচ্ছে সরকার। চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ কেনায় ব্যয় বাড়তে যাচ্ছে সরকারের।…

Read More