তিস্তা কি শুধুই একটি নদী? নাকি সীমান্ত পেরিয়ে বয়ে চলা এই নদীটি এখন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের রাজনৈতিক সমীকরণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক? দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি এখন আর কেবল নদীর পানির হিসাব-নিকাশের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে কৃষি, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন, আঞ্চলিক রাজনীতি, ভারতের কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সম্পর্ক এবং ঢাকা-নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক সমীকরণ।
তিস্তা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের আলোচনা নতুন নয়। প্রায় দেড় দশক ধরে একটি স্থায়ী পানি বণ্টন চুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে দুই দেশ। ২০১১ সালে চুক্তির একটি কাঠামো নিয়ে দুই দেশ প্রায় ঐকমত্যে পৌঁছে গিয়েছিল। সেই প্রস্তাবে শুষ্ক মৌসুমের পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারতের এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশের জন্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আপত্তির কারণে শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি বাস্তবায়িত হয়নি।
এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় ১৫ বছর। এই সময়ে শুধু কূটনৈতিক বাস্তবতাই বদলায়নি, বদলেছে তিস্তাও। জলবায়ুর পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, নদীর প্রবাহের ওঠানামা এবং দুই দেশের ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা পুরোনো পানি বণ্টনের হিসাবকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ফলে এখন প্রশ্ন শুধু কে কত শতাংশ পানি পাবে, তা নয়। প্রশ্ন হচ্ছে—কোন মৌসুমে নদীতে কত পানি থাকবে, সেই পানি কোথায় বেশি প্রয়োজন হবে এবং সংকটের সময়ে দুই দেশ কীভাবে পানির ব্যবহার নির্ধারণ করবে।
হিমালয় থেকে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নদীটি ভারতের উত্তরবঙ্গের কৃষি ও জনজীবনের সঙ্গে যেমন যুক্ত, তেমনি বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের কৃষি ও জীবিকার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার প্রবাহ কমে গেলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সেচব্যবস্থা ও কৃষি উৎপাদনে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে।
বাংলাদেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে পানির গুরুত্বও বিশাল। পানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় উদ্ধৃত একটি সাম্প্রতিক গবেষণার হিসাবে, দেশের মোট পানির চাহিদার প্রায় ৯৩ শতাংশ কৃষি খাতে ব্যবহৃত হয় এবং প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। ফলে তিস্তার পানি বাংলাদেশের জন্য কেবল একটি কূটনৈতিক বিষয় নয়; এটি খাদ্য উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গেও জড়িত।
তবে ভারতের উত্তরবঙ্গের বাস্তবতাও আলাদা নয়। পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলের কৃষক, সেচব্যবস্থা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পানির প্রয়োজন রয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের দোমোহানিতে তিস্তার গড় দশকভিত্তিক প্রবাহ ২০০১-১১ সময়ে ছিল প্রায় ২১ দশমিক ৩১৮ বিলিয়ন ঘনমিটার। ২০১১-২১ সময়ে তা বেড়ে প্রায় ২৪ দশমিক ০৯৪ বিলিয়ন ঘনমিটারে দাঁড়ায়।
এই তথ্য দেখায়, তিস্তার পানি নিয়ে বিতর্ককে শুধু ‘পানি আছে’ অথবা ‘পানি নেই’—এই দুই ভাগে দেখলে বাস্তবতাকে পুরোপুরি বোঝা যায় না। আসল প্রশ্ন আরও সূক্ষ্ম। পানিটি কখন পাওয়া যাচ্ছে, কোথায় পাওয়া যাচ্ছে এবং কোন সময়ে কতটা প্রয়োজন—এই তিনটি বিষয়ই ভবিষ্যতের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
তিস্তা ইস্যুর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভারতের অভ্যন্তরীণ ফেডারেল রাজনীতি। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী পররাষ্ট্রনীতি কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়। কিন্তু সীমান্ত অতিক্রমকারী নদীর পানি ব্যবস্থাপনার প্রভাব সরাসরি রাজ্য সরকারের ওপর পড়ে। কৃষি, সেচ, পানীয় জল এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থের কারণে রাজ্য সরকারগুলোর অবস্থান তাই আন্তর্জাতিক চুক্তির বাস্তবায়নেও প্রভাব ফেলতে পারে।
২০১১ সালের তিস্তা চুক্তির অভিজ্ঞতা তারই একটি উদাহরণ। নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আপত্তির কারণে সেটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। এর অর্থ এই নয় যে কোনো রাজ্য সরকার ভারতের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করে। বরং তিস্তা দেখিয়েছে, আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির প্রভাব যখন সরাসরি একটি রাজ্যের কৃষি, সেচ ও স্থানীয় রাজনীতিতে পড়ে, তখন কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য সেই চুক্তিকে বাস্তবায়ন করা কতটা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এখানে নয়াদিল্লি ও কলকাতার অগ্রাধিকারও এক নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে সংযোগ—এসব বিষয় নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক হিসাবের অংশ। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের কাছে তিস্তা মানে উত্তরবঙ্গের কৃষি, সেচ, পানীয় জল এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ।
দুই পক্ষের এই ভিন্ন বাস্তবতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে একই নদী।
তিস্তা ইস্যুকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন নদীগুলোর বৃহত্তর বাস্তবতা। দুই দেশ ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী ভাগ করে নেয়। তিস্তা তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলেও একমাত্র নদী নয়। গঙ্গা, ধরলা, দুধকুমার, ফেনী, মনু, মুহুরি, খোয়াই ও গোমতীসহ আরও বহু নদীর পানি দুই দেশের কৃষি, পরিবেশ ও মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত।
২০২১ সালের ভারত-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকেও মনু, মুহুরি, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার—এই ছয়টি অভিন্ন নদীর অন্তর্বর্তী পানি বণ্টন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। ফলে তিস্তা নিয়ে কোনো সমঝোতা হলে তার প্রভাব শুধু একটি নদীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভবিষ্যতে অন্যান্য অভিন্ন নদী নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রেও এটি একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে।
২০২৬ সাল এই আলোচনায় আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই সময়ে গঙ্গা ও তিস্তা—দুই নদীর পানি নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন আলোচনার মুখোমুখি হচ্ছে।
গঙ্গা চুক্তিতে ফারাক্কায় প্রবাহের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের মধ্যে পানির বণ্টনের বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে। প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার নিচে হলে দুই দেশ ৫০ শতাংশ করে পানি পায়। ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে প্রবাহ থাকলে বাংলাদেশের জন্য ৩৫ হাজার কিউসেক বরাদ্দের বিধান রয়েছে। আর প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পায় এবং অবশিষ্ট পানি বাংলাদেশের জন্য থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দুই দেশের ৩৫ হাজার কিউসেক করে পানির নিশ্চয়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।
তাই ২০২৬ সালকে ভারত-বাংলাদেশ পানি কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গঙ্গা ও তিস্তার আলোচনা আলাদা হলেও দুটি নদীর প্রশ্ন একই বৃহত্তর বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে—আগের জলবায়ু, জনসংখ্যা ও কৃষি ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা পানি বণ্টন কাঠামো ভবিষ্যতের পরিবর্তিত বাস্তবতায় কতটা কার্যকর থাকবে?
জলবায়ু পরিবর্তন এই প্রশ্নকে আরও জটিল করেছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে Water International জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় তিস্তা অববাহিকায় পানির সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসামঞ্জস্যের বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এর ফলে ভবিষ্যতের তিস্তা চুক্তি হয়তো শুধু একটি নির্দিষ্ট শতাংশের ওপর নির্ভর করলে যথেষ্ট হবে না। প্রয়োজন হতে পারে এমন একটি ব্যবস্থা, যা নদীর বাস্তব প্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তিত হতে পারে।
কারণ নদী কোনো চুক্তির নির্দিষ্ট শতাংশ মেনে প্রবাহিত হয় না। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি বন্যার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেলে সেচ ও কৃষি উৎপাদন হুমকির মুখে পড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই বৈপরীত্য ভবিষ্যতে আরও তীব্র হতে পারে।
তখন নতুন করে প্রশ্ন উঠবে—নদীর প্রবাহ একটি নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে গেলে কী হবে? অতিবৃষ্টির সময় অতিরিক্ত পানি কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে? জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যদি নদীর মৌসুমি প্রবাহের ধরনই বদলে যায়, তাহলে পুরোনো চুক্তির কাঠামো কীভাবে কার্যকর থাকবে? আর পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে কত বছর পরপর চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে?
এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো তিস্তা নিয়ে ভবিষ্যতের আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারে।
তিস্তার সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশের বৃহত্তর সম্পর্কও জড়িয়ে আছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০০৯ সালে ছিল ৩ বিলিয়ন ডলারেরও কম। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বৃহত্তর পূর্বাঞ্চলীয় উপ-অঞ্চলের সংযোগ কৌশলেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ফলে পানি, বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে এখন আর পুরোপুরি আলাদা আলাদা বিষয়ে দেখা কঠিন। একটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি অন্য ক্ষেত্রের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য তিস্তার প্রশ্ন মূলত ন্যায্য পানির প্রবাহ ও কৃষি নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। উত্তরবঙ্গের পশ্চিমবঙ্গের জন্য এটি সেচ ও জীবিকার প্রশ্ন। নয়াদিল্লির জন্য এটি বৃহত্তর প্রতিবেশী কূটনীতি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক যোগাযোগের অংশ। আর কলকাতার জন্য এটি রাজ্য পর্যায়ের পানি নিরাপত্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
এই সব স্বার্থ একে অপরের সঙ্গে সবসময় সাংঘর্ষিক হতে হবে—এমন নয়। কিন্তু এগুলোকে একই আলোচনার কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে।
তাই তিস্তার ভবিষ্যৎ শুধু দিল্লি ও ঢাকার আলোচনার টেবিলে নির্ধারিত হবে না; এর সঙ্গে কলকাতার ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। প্রশ্নটি এখন কেবল দুই দেশের মধ্যে কত শতাংশ পানি ভাগ হবে—এখানে আটকে নেই। বরং আরও বড় প্রশ্ন হলো, ভারত কি এমন একটি ফেডারেল পানি কূটনীতির কাঠামো তৈরি করতে পারে, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার এবং প্রতিবেশী দেশ একই ব্যবস্থার মধ্যে নিজেদের স্বার্থ ও উদ্বেগ তুলে ধরতে পারে?
তিস্তার দীর্ঘ অমীমাংসিত ইতিহাস দেখিয়েছে, একটি আন্তর্জাতিক পানি চুক্তির প্রভাব সীমান্তের দুই পাশেই পড়ে, আবার একটি দেশের ভেতরেও তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তাই ভবিষ্যতের সমাধান যদি আসে, সেটি শুধু তিস্তার পানি বণ্টনকে এগিয়ে নেবে না; অভিন্ন নদী, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তঃসীমান্ত সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও নতুন ধরনের সহযোগিতার পথ তৈরি করতে পারে।
শেষ পর্যন্ত তিস্তা তার স্বাভাবিক গতিতে সীমান্ত পেরিয়ে বয়ে চলবে। নদীর গতিপথ প্রকৃতির নিয়মে বদলাবে, বর্ষায় ফুলে উঠবে, শুষ্ক মৌসুমে সংকুচিত হবে। কিন্তু নদীকে ঘিরে মানুষের প্রয়োজন ও দুই দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা আরও পরিবর্তিত হবে।
তাই তিস্তার সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন শুধু পানি কার কতটা—তা নয়। প্রশ্ন হলো, পরিবর্তনশীল নদী ও জলবায়ুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারত-বাংলাদেশের কূটনীতি কতটা পরিবর্তিত হতে পারে। সেই উত্তরই হয়তো নির্ধারণ করবে, তিস্তা ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী অমীমাংসিত অধ্যায় হয়ে থাকবে, নাকি নতুন ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতার একটি পরীক্ষাগার হয়ে উঠবে।
আপনার মতামত জানানঃ