ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নতুন এক উদ্বেগজনক মোড় নিয়েছে। প্রচলিত সামরিক শক্তি ব্যবহার করে তেহরানের নেতৃত্বকে নিজেদের শর্তে নত করতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথ বেছে নিতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক সন্ত্রাসবিরোধী উপদেষ্টা জো কেন্ট। তাঁর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ইতিমধ্যে ছয় মাসের কাছাকাছি গড়িয়েছে, সামরিক অভিযান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং ওয়াশিংটন একই সঙ্গে সামরিক চাপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞাকে আরও জোরদার করছে।
জো কেন্ট পডকাস্টার টাকার কার্লসনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কাকে অবাস্তব বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন সম্ভাবনার কথা চিন্তা করাই স্বাভাবিক। তিনি মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন এখনো ইরান সংঘাত থেকে বের হওয়ার কার্যকর পথ খুঁজে পাচ্ছে না। যুদ্ধের লক্ষ্যও বারবার পরিবর্তিত হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই পুরোপুরি অর্জিত হয়নি—এমনটাই তাঁর দাবি।
কেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন যদি ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশটিকে পুরোপুরি আত্মসমর্পণে বাধ্য করার লক্ষ্যেই অটল থাকে, তাহলে সামনে মূলত দুটি কঠিন পথ রয়েছে। প্রথমটি হলো পূর্ণমাত্রার স্থল অভিযান এবং দ্বিতীয়টি পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার। তবে ইরানের বিশাল ভূখণ্ড, বিপুল জনসংখ্যা এবং ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে পূর্ণমাত্রার স্থল অভিযান বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন তিনি। আর এখানেই তাঁর আশঙ্কা—যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল না এলে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আরও ভয়াবহ অস্ত্র ব্যবহারের চিন্তা সামনে আসতে পারে।
ইরানের পার্বত্য অঞ্চলের মাটির গভীরে থাকা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো নিয়েও কেন্ট বিশেষভাবে কথা বলেছেন। তাঁর ধারণা, তাত্ত্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র এসব স্থাপনায় সীমিত মাত্রার পারমাণবিক হামলার কথা বিবেচনা করতে পারে। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যায়ন ও আশঙ্কা; যুক্তরাষ্ট্র সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানে পারমাণবিক হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন কোনো তথ্য এই প্রতিবেদনে নেই। বরং ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নানা বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি সংঘাতের কৌশলও পরিবর্তন করছেন।
এই পরিবর্তনের একটি বড় ইঙ্গিত এসেছে সামরিক অভিযান থেকে অর্থনৈতিক চাপের দিকে ঝুঁকে পড়ার মধ্য দিয়ে। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে একটি ‘চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়ার মতো অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরু করার ঘোষণা দেন। তিনি এর নাম দিয়েছেন ‘ইকোনমিক ডি-ডে’। এর মাধ্যমে সামরিক হামলার পাশাপাশি ইরানের অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল স্পষ্ট হয়েছে।
এর কয়েক দিনের মধ্যেই মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে নতুন একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে যুক্ত বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজ। এর মধ্যে চীনে অবস্থিত ২১টি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য শুধু ইরানের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করা নয়; বরং যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখছে, তাদের ওপরও চাপ তৈরি করে ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করা।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে অস্বীকৃতি জানানো দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল এখন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই। অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি, পরিবহন এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক যোগাযোগ—সবকিছুকে চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কিন্তু একই সময়ে সামরিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। গত মাসের শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ দফার হামলা হঠাৎ স্থগিত করা হয়। এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পেন্টাগনের উচ্চনির্ভুলতার অস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। এই পরিস্থিতি যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে। যদি দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রকে একই মাত্রায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে হয়, তাহলে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের মজুত কতটা টেকসই থাকবে—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গোলাবারুদের সংকটের খবর জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, পেন্টাগনের হাতে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যে দুটি বিপরীত বয়ান তৈরি হয়েছে, তার কোনটি বাস্তব পরিস্থিতির কাছাকাছি—তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন থাকছে।
ইরান যুদ্ধের ছয় মাসের প্রেক্ষাপটে এই বিতর্ক আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘ যুদ্ধ শুধু অস্ত্র ও সৈন্যের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অর্থনীতি, কূটনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের অর্থনৈতিক ব্যয় কম নয়। অন্যদিকে ইরানের ওপর ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ দেশটির অর্থনীতি, সাধারণ মানুষের জীবন এবং আঞ্চলিক সম্পর্ককে আরও কঠিন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভাবনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্ন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলোর একটি। কোনো রাষ্ট্র যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে, তা শুধু একটি সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনা থাকে না; এর সঙ্গে যুক্ত হয় তেজস্ক্রিয়তা, বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি, পরিবেশগত বিপর্যয় এবং ব্যাপক আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা। সীমিত পারমাণবিক হামলা বলে কোনো ধারণা বাস্তবে কতটা সীমিত রাখা সম্ভব—সেটিও বড় প্রশ্ন।
ইরানের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ নতুন নয়। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম উত্তপ্ত ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কও দীর্ঘদিন ধরে অবিশ্বাস, নিষেধাজ্ঞা এবং পাল্টা হুমকির মধ্যে রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত সামরিক হামলা থেকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পর্যায়ে চলে যাওয়া হলে সংঘাতের চরিত্র সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
এ কারণেই জো কেন্টের বক্তব্যকে শুধু একজন সাবেক কর্মকর্তার মন্তব্য হিসেবে দেখলেও এর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। কারণ তিনি এমন একটি সম্ভাবনার কথা বলেছেন, যা যুদ্ধের বর্তমান গতিপথ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান থেকে অর্থনৈতিক চাপের দিকে কৌশলগত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—ওয়াশিংটন কি যুদ্ধকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে পারবে, নাকি সংঘাত আরও বড় মাত্রায় ছড়িয়ে পড়বে?
ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন একাধিক চাপ একসঙ্গে কাজ করছে। একদিকে রয়েছে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি। অন্যদিকে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের ব্যয় ও অস্ত্রের মজুত নিয়ে বিতর্ক। একই সঙ্গে মিত্র ও অংশীদার দেশগুলোর ওপরও চাপ তৈরি করতে হচ্ছে, যাতে তারা ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সীমিত করে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
ইরানের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন। সামরিক হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার চাপ সামলানোর পাশাপাশি দেশটির নেতৃত্বকে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাও ধরে রাখতে হচ্ছে। তেহরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে, তাহলে সেটি রাজনৈতিকভাবে বড় সিদ্ধান্ত হবে। আবার প্রতিরোধ অব্যাহত রাখলে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।
এই অবস্থায় কূটনীতির সুযোগ কতটা রয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সামরিক শক্তি দিয়ে একটি দেশের নির্দিষ্ট স্থাপনা ধ্বংস করা সম্ভব হলেও দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক পরিবর্তন নিশ্চিত করা অনেক বেশি কঠিন। ইতিহাসে বহু সংঘাত দেখিয়েছে, সামরিক বিজয় এবং রাজনৈতিক সমাধান এক বিষয় নয়। কোনো দেশের নেতৃত্বকে পরিবর্তন করার লক্ষ্য নিয়ে সামরিক অভিযান শুরু করলে যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায় কী হবে, সেটিও আগে থেকেই নির্ধারণ করা কঠিন।
তাই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের মতো ভয়াবহ সম্ভাবনা সামনে আসা আসলে যুদ্ধের সীমাবদ্ধতারই একটি ইঙ্গিত। প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করা না গেলে আরও বড় অস্ত্র ব্যবহারের চিন্তা যদি সামনে আসে, তাহলে সেটি শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের জন্য নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, তত বেশি দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এর প্রভাবের মধ্যে পড়বে। ইরানের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি বাজার এবং আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা—সবকিছুই এই সংঘাতের পরিধি বাড়াতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। ফলে যুদ্ধটি শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হয়ে উঠছে।
সবশেষে প্রশ্নটি দাঁড়ায়—ইরানকে চাপের মুখে নত করতে যুক্তরাষ্ট্র কতদূর যেতে প্রস্তুত? আর সেই সীমা যদি প্রচলিত অস্ত্রের বাইরে চলে যায়, তাহলে তার পরিণতি কোথায় গিয়ে থামবে? জো কেন্টের বক্তব্য কোনো সরকারি সিদ্ধান্তের ঘোষণা নয়, কিন্তু এটি এমন একটি সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করছে, যেটিকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। কারণ পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার একবার বাস্তবে রূপ নিলে যুদ্ধের হিসাব আর শুধু সামরিক শক্তি, গোলাবারুদ বা ভূখণ্ড দখলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তাই এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে প্রতিটি সামরিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি প্রতিটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপেরও বড় প্রভাব রয়েছে। সামরিক চাপ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং পাল্টা হুমকির এই চক্র যদি থামানো না যায়, তাহলে সংঘাত আরও বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা থেকেই যাবে। আর পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়াই প্রমাণ করে, ইরান যুদ্ধ এখন শুধু একটি আঞ্চলিক সংঘাত নয়—এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও ক্রমবর্ধমান এক বড় পরীক্ষা।
আপনার মতামত জানানঃ