
বাংলাদেশের পাঁচটি বিপর্যস্ত শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হয়েছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। নতুন ব্যাংকটিকে সচল রাখতে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। অথচ যাদের আমানত ব্যবহার করে ব্যাংকগুলো বছরের পর বছর ব্যবসা করেছে, সেই আমানতকারীদেরই এখন নিজের টাকা তুলতে নানা শর্ত মানতে হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে এমন একটি ধারা যুক্ত হয়েছিল, যা রেজল্যুশনের আওতায় যাওয়া ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের আবারও মালিকানায় ফেরার পথ খুলে দিয়েছিল। প্রবল সমালোচনার মুখে সরকার ধারাটি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু ঘোষণার এক মাসের বেশি সময় পরও সরকারি বাংলাদেশ কোডে ধারাটি দেখা যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের ব্যাংক সংস্কার নিয়ে মূল প্রশ্নটি আর শুধু অর্থের নয়—এই সংস্কারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে এবং রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত কাদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে?
ব্যাংক রক্ষায় রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবহার নিজেই অস্বাভাবিক নয়। কোনো বড় ব্যাংক হঠাৎ দেউলিয়া হলে তার প্রভাব শুধু মালিক বা পরিচালকদের ওপর পড়ে না; আমানতকারী, ব্যবসা, কর্মসংস্থান, ঋণপ্রবাহ এবং পুরো আর্থিক ব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়ে। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই সংকটাপন্ন ব্যাংক পুনর্গঠন, একীভূতকরণ কিংবা সাময়িক রাষ্ট্রীয় সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু ব্যাংক বাঁচানো এবং ব্যাংকের পতনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দায়মুক্তি দেওয়া এক বিষয় নয়। জনস্বার্থে দেওয়া অর্থ যদি শেষ পর্যন্ত পুরোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মালিকানা পুনরুদ্ধারের সেতু হয়ে ওঠে, তাহলে সেটিকে সংস্কার বলা কঠিন।
সংকটের গভীরতা বোঝার জন্য কয়েকটি সংখ্যা যথেষ্ট। বাংলাদেশ ব্যাংকের জুন ২০২৬-এর মুদ্রানীতির তথ্য অনুযায়ী, একীভূত পাঁচ ব্যাংকের সম্পদের মান পর্যালোচনার পর সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয় এবং এতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন দেয়। নতুন ব্যাংকটির মোট পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আসার কথা আমানতকারীদের অর্থ শেয়ারে রূপান্তরের মাধ্যমে। অর্থাৎ ব্যাংকটি উদ্ধারে শুধু করদাতার অর্থই ব্যবহৃত হচ্ছে না; আমানতকারীদের একটি অংশকেও কার্যত পুনর্গঠনের ঝুঁকি বহন করতে হচ্ছে।
জুলাইয়ের শেষ দিকে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, পাঁচ ব্যাংকের মোট বকেয়া ঋণ প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে জামানতের মূল্য মাত্র ৪৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা—মোট ঋণের এক-চতুর্থাংশেরও কম। আরও উদ্বেগজনক হলো, সম্মিলিত খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৮৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এই অনুপাত কোনো স্বাভাবিক ব্যবসায়িক মন্দার ছবি নয়; এটি দীর্ঘদিনের দুর্বল তদারকি, প্রশ্নবিদ্ধ ঋণ অনুমোদন, অপর্যাপ্ত জামানত এবং প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতাদের প্রতি নিয়ন্ত্রক শিথিলতার ফল নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।
এখানেই জবাবদিহির প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এত বড় ঋণঝুঁকি কীভাবে তৈরি হলো? কোন পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ঋণগুলো অনুমোদন করেছে? বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন ও তদারকির কোন স্তরে ব্যর্থতা ঘটেছে? পর্যাপ্ত জামানত ছাড়া দেওয়া ঋণের সুবিধাভোগী কারা? কত টাকা দেশের বাইরে গেছে এবং কত টাকা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে? ব্যাংক একীভূত করার ঘোষণা এসব প্রশ্নের উত্তর নয়। বরং একীভূতকরণের আগে দায় নির্ধারণ না হলে পুরোনো অনিয়ম একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের ব্যালান্সশিটের আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
১৮(ক) ধারার জন্ম ও বাতিলের ঘোষণা
ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ সংসদে পাস হয় ১০ এপ্রিল। এর ১৮(ক) ধারায় রেজল্যুশনের আওতায় যাওয়া কোনো তফসিলি ব্যাংকের সাবেক শেয়ারধারীকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় পুনরায় ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আইনটির আর্থিক শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদনের পর নির্ধারিত অর্থের অন্তত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রথমে জমা দিয়ে বাকি ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ দুই বছরে ১০ শতাংশ সরল সুদে পরিশোধের সুযোগ ছিল। আবেদনকারীকে নতুন মূলধন দেওয়া, আমানতকারী ও পাওনাদারদের দায় মেটানো, কর পরিশোধ এবং কমপ্লায়েন্স কাঠামো পুনর্গঠনের অঙ্গীকারও করতে হতো।
কাগজে এসব শর্ত কঠোর বলে মনে হতে পারে। কিন্তু সমালোচকদের প্রশ্ন ছিল আরও মৌলিক: একটি ব্যাংকের বিপর্যয়ের জন্য দায়ী বা সেই সময় নিয়ন্ত্রণে থাকা গোষ্ঠীকে কেন আবারও একই প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ফেরার বিশেষ পথ দেওয়া হবে? আর সেই গোষ্ঠীর দায় নির্ধারণ, অর্থ উদ্ধার কিংবা বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগেই যদি পুনরায় মালিকানা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, তবে ভবিষ্যৎ ব্যাংক মালিকদের কাছে রাষ্ট্র কী বার্তা পাঠাবে?
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ধারাটিকে ব্যাংক খাতের অনিয়মকারীদের পুনর্বাসন এবং দায়মুক্তির ঝুঁকি হিসেবে বর্ণনা করে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক বিশেষজ্ঞদের একাংশও সতর্ক করেন যে এতে সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুধু তাত্ত্বিক সম্ভাবনাই তৈরি হয়নি; নিউ এজের ২৮ এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক মালিকপক্ষ ১৮(ক) ধারার অধীনে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার আবেদনও করেছিল।
সমালোচনার মুখে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২৯ জুন সংসদে জানান, বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে সরকার ১৮(ক) ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনগণের সম্পদ যারা লুট করেছে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং আমানতকারীদের অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে। এই ঘোষণা নীতিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ঘোষণা এবং আইনি কার্যকারিতা এক নয়। কোনো আইন সংসদীয় সংশোধন, রাষ্ট্রপতির সম্মতি ও গেজেট প্রকাশের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ছাড়া শুধু মন্ত্রীর বক্তব্যে বদলে যায় না।
৮ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি বাংলাদেশ কোডের ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর অনলাইন পাঠে ১৮(ক) ধারাটি আলাদা ধারা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এটি থেকে এককভাবে বলা যায় না যে সরকার বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেনি বা অন্য কোনো সরকারি নথি প্রকাশিত হয়নি। তবে সরকারি আইনভান্ডারে ধারাটি বহাল দেখা যাওয়া একটি স্পষ্ট তথ্যগত অসঙ্গতি তৈরি করে। সরকারকে তাই জানাতে হবে: ধারা বাতিলের সংশোধনী সংসদে উত্থাপিত বা পাস হয়েছে কি না, কোনো গেজেট প্রকাশিত হয়েছে কি না, এবং বাতিল কার্যকর হওয়ার আগে জমা পড়া আবেদনগুলোর আইনি অবস্থান কী। এই উত্তরগুলো ছাড়া বাতিলের ঘোষণা রাজনৈতিক আশ্বাস হয়েই থেকে যায়।
আমানতকারীর টাকা, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ অন্যের
সংস্কারের সাফল্য আইন বা মূলধনের অঙ্ক দিয়ে নয়, আমানতকারীর বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি প্রয়োজনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে। চিকিৎসার পাশাপাশি পরিবারের জরুরি প্রয়োজনেও এই সুবিধা পাওয়া যাবে। এক বছরের বেশি মেয়াদের স্থায়ী আমানতকারীদের দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পর সম্পূর্ণ অর্থ তোলার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। আমানত সুরক্ষা তহবিল থেকে যোগ্য আমানতকারীদের সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
এই পদক্ষেপগুলো সংকটে থাকা মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও এগুলো একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতা প্রকাশ করে: একজন আমানতকারী নিজের বৈধ অর্থ কখন এবং কতটা তুলবেন, তা এখন তাঁর প্রয়োজনের ধরন ও নিয়ন্ত্রকের অনুমোদিত সীমার ওপর নির্ভর করছে। অন্যদিকে, ব্যাংকের পুরোনো মালিকদের ফেরার সুযোগ দিতে তৈরি ধারায় অর্থ পরিশোধের দীর্ঘ সময় ও নিয়ন্ত্রিত পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ আমানতকারীর জন্য তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ সীমিত, কিন্তু মালিকানার দাবিদারের জন্য আইন বিশেষ পথ তৈরি করেছিল—এই বৈপরীত্যই সংস্কারের ন্যায়সংগত চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সরকারের দেওয়া ২০ হাজার কোটি টাকাকেও নিছক একটি হিসাবরক্ষণ সমন্বয় হিসেবে দেখা যায় না। এটি জনগণের অর্থ। এর সুযোগব্যয় রয়েছে। এই টাকা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা কিংবা অবকাঠামোয় ব্যয় হতে পারত। ব্যাংকব্যবস্থার স্থিতিশীলতার স্বার্থে অর্থটি দেওয়া প্রয়োজন হয়ে থাকলেও জনগণ জানার অধিকার রাখে—কী শর্তে তা দেওয়া হয়েছে, কার কাছ থেকে কত টাকা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য রয়েছে, সম্পদ উদ্ধারের সময়সীমা কী এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র তার অর্থ ফেরত পাবে কি না।
একইভাবে আমানতকারীদের ১৫ হাজার কোটি টাকা শেয়ারে রূপান্তরের পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও পূর্ণ স্বচ্ছতা প্রয়োজন। কোন আমানতকারীর কত টাকা শেয়ারে রূপান্তর হবে, শেয়ারের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হবে, এই শেয়ার বিক্রির সুযোগ থাকবে কি না, ক্ষুদ্র আমানতকারী এর বাইরে থাকবেন কি না এবং ভবিষ্যতে ব্যাংকের ক্ষতি হলে ঝুঁকি কে বহন করবেন—এসব প্রশ্নের সহজ ভাষায় প্রকাশিত উত্তর থাকা উচিত। আমানতকে শেয়ারে রূপান্তর মানে নিশ্চিত পাওনাকে ঝুঁকিপূর্ণ মালিকানায় রূপ দেওয়া। তাই শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, আমানতকারীর অধিকার ও সম্মতির প্রশ্নও এখানে জড়িত।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি, সম্পদের মান পর্যালোচনা, আমানত সুরক্ষা এবং চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারের কাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। এগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে বাস্তব ফলের ওপর—কতজন দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হলো, কত সম্পদ জব্দ বা ফেরত আনা গেল, বড় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে কত টাকা আদায় হলো এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে একই নিয়ম প্রয়োগ করা হলো কি না।
ব্যাংক সংস্কারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা কোনো নতুন আইন পাস করা বা পাঁচটি ব্যাংকের নাম বদলে একটি ব্যাংক করা নয়। পরীক্ষা হলো, রাষ্ট্র লোকসানকে সামাজিকীকরণ আর মুনাফা ও নিয়ন্ত্রণকে ব্যক্তিগত গোষ্ঠীর হাতে রাখার পুরোনো চক্র ভাঙতে পারছে কি না। আমানতকারীর টাকা আটকে থাকবে, করদাতার অর্থ ব্যাংক বাঁচাবে, অথচ দায়ীদের বিচার ও সম্পদ উদ্ধারের হিসাব অস্পষ্ট থাকবে—এমন ব্যবস্থা সংস্কার নয়; এটি কেবল সংকটের বোঝা পুনর্বণ্টন।
১৮(ক) ধারা বাতিলের ঘোষণা সেই পুরোনো পথ থেকে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু সুযোগটিকে বাস্তব পরিবর্তনে পরিণত করতে হলে সরকারকে দ্রুত সংশোধিত আইন ও গেজেট প্রকাশ করতে হবে, পূর্ববর্তী আবেদনগুলোর অবস্থা জানাতে হবে, ২০ হাজার কোটি টাকার ব্যবহারের পূর্ণ হিসাব দিতে হবে এবং ঋণ ও সম্পদ উদ্ধারের অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের সময়সূচি, শেয়ারে রূপান্তরের নিয়ম এবং ঝুঁকি সম্পর্কে পরিষ্কার তথ্য দিতে হবে।
শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি খুব সাধারণ: ব্যাংকের ভুলের মূল্য কে দেবে? যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ও সুবিধা নিয়েছে, নাকি সাধারণ আমানতকারী ও করদাতা? বাংলাদেশের ব্যাংক সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা এই প্রশ্নের উত্তরের ওপরই নির্ভর করবে।
আপনার মতামত জানানঃ