…
এডিটর পিক
ক্ষমতার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রের নিয়ম বদলানো কেন কঠিন হয়ে ওঠে—জুলাই সনদের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এই প্রশ্নই…
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পোষা প্রাণী থেকে পরিবারের সদস্য: মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কের বদলে যাওয়া গল্প
অক্টোবর ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পোষা প্রাণী থেকে পরিবারের সদস্য: মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কের বদলে যাওয়া গল্প
অক্টোবর ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- ভোলা ঘূর্ণিঝড় ১৯৭০: ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু
- ভোটার তালিকা কার আস্থা ফেরাবে? পশ্চিমবঙ্গে ফের সংশোধনের দাবি ও নাগরিকের উদ্বেগ
- রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
- জুলাই সনদের এক বছর: সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন ক্ষমতার রাজনীতিতে আটকে যাচ্ছে?
- সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
- দশ প্রাণের বিনিময়ে অগ্নিনিরাপত্তার প্রশ্ন: আগুন লাগার আগে দায়িত্ব কোথায় ছিল?
- মাথাপিছু তিন হাজার ডলারের দেশ, তবু মানুষ কেন হাঁপাচ্ছে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
দুর্বৃত্তদের বাদ দিলে কোন বাঙালিকে প্রথম ফাঁসি দিয়েছিল ব্রিটিশরা? প্রথমেই মাথায় আসবে ক্ষুদিরাম বসু-র নাম। কিন্তু তা নয়। ১৯০৮-এর ১১ আগস্টে ১৮ বছর বয়সী এই কিশোরের আগেও এক সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধ প্রাণ দিয়েছিলেন ব্রিটিশ ফাঁসিকাঠে। ১৭৭৫ খ্রিস্টাব্দের ৫ আগস্ট। তার নাম মহারাজা নন্দকুমার। কথায় বলে, প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের শাস্তি পান। তেমনই এক হতভাগ্য পুরুষ মহারাজা নন্দকুমার। নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার জন্য তিনি পুরস্কৃত হয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজশক্তির কাছে। কিন্তু সেই ব্রিটিশ আদালতের বিচারেই তার ফাঁসি হয়। দিনটা ছিল ৫ আগস্ট, ১৭৭৫। অর্থাৎ আজ থেকে ঠিক ২৪৫ বছর আগে। আর সেটাই ছিল একটা পরিপূর্ণ বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে ব্রিটিশ শাসনে প্রথম ফাঁসি। নন্দকুমারের জন্ম ১৭০৫…
আমাদের দেশে এমন একটা সময় ছিল, যখন মানুষ ঘরের ভেতরে শৌচাগার রাখার কথা কল্পনাও করতে পারত না। চলতি বাংলায় ‘পায়খানা’ শব্দটি উচ্চারণমাত্রই নাক কুঁচকে যেত ঘৃণায়। অথচ ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, খ্রিষ্টের জন্মের তিন হাজার বছর আগে শৌচাগার ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়। ২৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মহেঞ্জোদারোতে বাড়ির আঙিনায় দেয়ালের সামনে কিছুটা উন্নত মানের শৌচাগার ছিল। পৃথিবীর প্রায় ৭৬৩ কোটি মানুষের মধ্যে আনুমানিক ৪২০ কোটি মানুষ শৌচাগার এবং পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অর্থাৎ, প্রতি ১০ জনে ৬ জন বা বিশ্বের ৬০ শতাংশ মানুষের জন্যই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়াটা বেশ কষ্টকর। কারণ, তাদের ঘরে কোনো শৌচাগার বা পায়খানা নেই। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী,…
প্লাস্টিক দূষণের কারণে রাজধানী ঢাকার প্রাণ বুড়িগঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন নদীর বেহাল দশা। বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে এখন প্লাস্টিকের কয়েক ফুট স্তর। এর ফলে এই নদীর পানি এখন ভয়াবহ দূষণের শিকার। এই দূষিত পানিতে মাছসহ অনেক প্রাণীর দেখা মিলছে না। আর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অভাবে নদীর তলদেশ থেকে পরিবেশের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর প্লাস্টিক সরানোও যাচ্ছে না। এর ফলে নদীটির নাব্য অনেক হ্রাস পেয়েছে। ভয়ঙ্কর ক্ষতির মানুষের ব্যবহার্য প্লাস্টিকের অধিকাংশের শেষ গন্তব্য সাগর। প্লাস্টিক কখনই পচে না। আর কোন কারণে পচলেও তা মাটিতে মিশতে ৩০০ থেকে ৪০০ বছর লেগে যায়। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে আনলেও প্লাস্টিকের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। একদিকে…
একদিকে করোনা অন্যদিকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস, বিশেষ করে গরম ও বর্ষার সময় ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। এ বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে ডেঙ্গু জ্বর বেশি হচ্ছে। শীতকালে সাধারণত এই জ্বর হয় না বললেই চলে। ডেঙ্গুজ্বর শরীরকে দুর্বল করে দেয়। শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। জ্বর চলে গেলেও শরীর স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে একটু সময় লাগে। সঠিক যত্ন ও নিয়মমাফিক না চললে শরীর সহজে ঠিক হয় না। ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর রোগী দুর্বল থাকে, অবসাদগ্রস্ত থাকে, মাথা হালকা থাকে, চলাফেরার সময় কিছু ভারসাম্যহীনতা থাকে, গভীর ও নিবিড়ভাবে কাজে মনোনিবেশ করা যায় না। যারা কাজে ব্যস্ত…
আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরের কেন্দ্রস্থলে তালিবান ক্রেনে একটি মৃতদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে। আজ শনিবার এক প্রত্যক্ষদর্শী এ খবর জানিয়েছেন বলে বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। হেরাত শহরের কেন্দ্রস্থলের পাশেই একটি ফার্মেসি চালান ওয়াজির আহমেদ সিদ্দিকী। তিনি জানান, ওইখানে চারটি মৃতদেহ নিয়ে আসা হয়। তিন মৃতদেহ সরিয়ে দিয়েও আরেকটি মৃতদেহ প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়। সিদ্দিকী আরও জানান, তালিবান ঘোষণা দিয়েছিল যে ওই চার ব্যক্তি ছিনতাই করার সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তালিবানের নিয়োগ দেওয়া হেরাত জেলা পুলিশের প্রধান জিয়াউল হক জালালি জানান, বাবা-ছেলেকে অপহরণ করেছিলেন ওই চার ব্যক্তি। পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের পর বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান জিয়াউল হক।…
৭৭ হাজার বিঘা জমি দখল করে বিশাল একটি শিবমন্দির কমপ্লেক্স বানানোর লক্ষ্যে সেখানকার মুসলিমদের উপর দফায় দফায় উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে আসাম সরকার। এই অভিযানে পুলিশের বর্বরতায় নিহত এক মুসলিম আদিবাসীর উপর ফটো সাংবাদিকের নৃশংসতায় শিউরে উঠেছে গোটা বিশ্ব। নিজের ভূমি রক্ষার্থে মানুষটা দৌড়ে এসেছিলেন প্রতিবাদের টগবগে রক্ত শরীরে নিয়ে। নিজের ভিটেমাটি বাঁচাতে রাষ্ট্রের সামনে সামান্য একটি লাঠি হাতে ছুটে এসেছিলেন। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুলিশ সদস্যদের উপর্যপুরি লাঠির আঘাতে মাটিতে পড়ে যান তিনি। কিন্তু সেখানেই শেষ হয়নি বিভৎসতা। নিথর দেহ যখন পড়ে আছে মাটিতে, তখন সেই দেহের ওপর যেন রাজ্যের জমানো ক্ষোভ উগড়ে দিলেন এক ফটো সাংবাদিক। দূর…
কানাডায় ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে গির্জায় শিশুদের নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় আদিবাসীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ক্যাথলিক গির্জার যাজকরা। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, সরকার ও ধর্মবিষয়ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত এসব স্কুলে জোর করে আদিবাসী শিশুদের এনে রাখা হতো। পরে সেখানে শিশুদের শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি যৌন হয়রানিও করা হতো। এভাবে নির্যাতনের মাধ্যমে কয়েকশ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। কানাডিয়ান কনফারেন্স অব ক্যাথলিক বিশপস গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত ও দুঃখিত। দ্ব্যর্থহীনভাবে আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। কানাডার…
নারী হজযাত্রীদের সেবা দিতে সৌদি আরবের মক্কা-মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের জন্য ৬০০ নারী কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এসব তথ্য জানিয়েছে। সৌদি আরবের নারী উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নারী উন্নয়ন বিভাগের উপ প্রধান আল-নাউদ আল-আবৌদ বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসব কর্মীদের মধ্যে ৩১০ জন এ মন্ত্রণালয়ের কর্মী। খবর আরব নিউজের। এছাড়া নারী বিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী ও নির্দেশনা বিভাগের প্রধান নোরা আল-থুয়াইবির দফতরের আরও ২০০ নারী কর্মী মসজিদে হজযাত্রীদের সেবা দিতে প্রশিক্ষণ নেন। বাকি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা হলেন সৌদির নারী প্রশাসন ও সেবা বিভাগের প্রধান ক্যামিলিয়া আল- দাদির দফতরের নারী কর্মীরা। এর আগে কর্মক্ষেত্রে সৌদি নারীদের অংশগ্রহণের অংশ…
আগামী বছরই সরকারের দেশে পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সেবা ফাইভজি চালুর চিন্তাভাবনা থেকে সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক শুরুতে রাজধানীর ২০০টি স্থানে পরীক্ষামূলক ফাইভজি সেবা চালু করবে। এ জন্য প্রথম ধাপে ১ লাখ গ্রাহককে পাঁচটি সেবার আওতায় আনতে চায় টেলিটক। এ পরিষেবা দিতে আড়াইশ’ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে অপারেটরটি। প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, গণভবন, বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ থানা ও বেশ কিছু বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার গ্রাহক ফাইভজির আওতায় আসবে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট (১০০ এমবিপিএস) গতির ইন্টারনেট সেবা পাবে তারা। বাংলাদেশে এ প্রযুক্তি দেশব্যাপী চালুর আগে স্বল্প মাত্রায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু…
আরব বসন্তের ঢেউ তিউনিসিয়া থেকে সিরিয়ায় পৌঁছাতে বেশি সময় লাগেনি। গণতন্ত্রের দাবিতে শুরুতে সিরিয়ায় ছোটখাটো বিক্ষোভ হয়। দ্রুতই এই বিক্ষোভ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ দমনে নৃশংস পথ বেছে নেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল–আসাদ। এতে এক দীর্ঘমেয়াদি গৃহযুদ্ধের চক্করে পড়ে যায় সিরিয়া। বুলেটের মুহুর্মুহু গুলি, বাবা-মা হারানো শিশুদের চিৎকার আর বাস্তুচ্যুত মানুষের ছোটাছুটি- এ যেন সিরিয়ার নিত্যদিনের চিত্র। দেশটিতে ২০১১ সালের মার্চে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কেবলই বেড়েছে লাশের সারি। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম সিরিয়া যুদ্ধ নিয়ে মৃত্যুর হিসাব দিল জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়। আর তাতেই শিউরে উঠলো বিশ্ব। গতকাল শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় থেকে দেওয়া এই হিসাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে…