Author: ডেস্ক রিপোর্ট

গত দুই বছরের ব্যবধানে গ্রাহক পর্যায়ে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১৫৫ শতাংশ। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাজারে প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের মূল্য ছিল ৭৮ টাকা। এখন এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৮ টাকা। আর এবার বাড়ছে চালের দাম। চলতি মাসের শুরুতে একজন ক্রেতা যে দামে চাল কিনেছেন, মাসের শেষে এসে চাল কিনতে গেলে তাঁকে বড় ধাক্কাই খেতে হবে। কারণ, তিন সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে সব ধরনের চালের দাম অনেকটা বেড়েছে। সর্বশেষ গত এক সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি দুই থেকে পাঁচ টাকা। সব মিলিয়ে তিন সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে পাঁচ থেকে আট টাকা। দেশে এখন চলছে বোরো ধানের ভরা মৌসুম। প্রতিবছর এই…

Read More

রুশ হামলায় ইউক্রেনে এখন পর্যন্ত ৬৮২ এর বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে। দেশটির প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় টেলিগ্রামে এই তথ্য জানিয়েছে। রবিবার (২৯ মে) আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৪২ শিশু নিহত হয়েছে এবং ৪৪০ জন শিশু আহত হয়েছে। এছাড়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পরিসংখ্যান চূড়ান্ত নয়। বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলার কারণে এই তথ্য চূড়ান্ত করা কঠিন। সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশু হতাহত হয়েছে দোনেতস্কে ১৫৩ জন এবং খারকিভে ১০৮ জন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর আজ পর্যন্ত টানা ৯৫ দিনের মতো চলছে দেশ দুইটির সংঘাত। এতে দুই…

Read More

শুষ্ক মৌসুমে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সুপেয় পানির সংকট নতুন নয়। এবার সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দূষণ। রাঙামাটির কিছু স্থানে ঝিরিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা পানিতে ইকোলাই ও কলিফর্মের মতো ব্যাকটেরিয়ার মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি পাওয়া গেছে পরীক্ষায়। এতে জেলায় পানিবাহিত রোগ বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। অন্যদিকে বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির পানি পরীক্ষা করা না হলেও এই দুই জেলার ডায়রিয়া পরিস্থিতি রাঙামাটির চেয়ে খারাপ। পানির তীব্র সঙ্কট পাহাড়ে রাঙামাটির সাপছড়ি ইউনিয়নের মরংছড়ি ও দেপ্পোছড়ি এলাকার অন্তত ৬০ পরিবার চরম পানিসংকটে রয়েছে। সরেজমিনে দেপ্পাছড়িতে দেখা যায়, সকালের দিকে নারীরা পানির জন্য একটি পাতকুয়ায় যান। সেখান থেকে পানি আনতে সময় লাগে…

Read More

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, ‘পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে না পারলে সুষ্ঠু তদন্ত সম্ভব নয়। পুলিশকে ঢেলে সাজানোর কথা বলা হয়। তবে, এটি রাজনৈতিক কথা। কীভাবে ঢেলে সাজাতে হয়, সেটা আমি জানি না।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক শক্তি ও আমলাতন্ত্র কখনো পুলিশের পরিবর্তন চায় না। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল চায়, তারা যা বলবে পুলিশ তাই করবে। সংসদ সদস্য চান, তিনি যা বলবেন, ওসি সেটাই করবেন। এসব চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে কাজ করা খুবই কঠিন। পুলিশ বিচারব্যবস্থার একটি অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে না পারলে ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেম কখনো কার্যকর হবে…

Read More

ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে ভাসছে রহস্যময় দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পাঁচ হাজার দ্বীপে বাস করে প্রায় দেড় হাজার উপজাতি। দ্বীপগুলোর প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায়, বেশ কিছু উপজাতি একসময় ছিল নরখাদক। দুর্গম অরণ্য ও পাহাড়গুলোর অন্ধকার উপত্যকায়, উপজাতিগুলো লুকিয়ে রেখেছে অজস্র হাড়হিম করে দেওয়া প্রথা। যেগুলোর বেশিরভাগই এখনও জানে না সভ্যজগতের মানুষরা। এরকমই এক গা ছমছমে প্রথা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বুকে আগলে রেখেছে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ সুলাওসি। দক্ষিণ সুলাওসির পাহাড়ি অঞ্চলে আছে ‘টানা টোরাজা’ এলাকা। দুর্গম পাহাড় ও অরণ্য ঘেরা সবুজ উপত্যকায় বাস করে ‘টোরাজা’ উপজাতি। টোরাজা শব্দটির অর্থ ‘পাহাড়ের মানুষ’। দুর্গম পাহাড়ের ঢালে ধান, ভুট্টা ও কন্দ…

Read More

পুলিশের কাজ মিছিলে, বিক্ষোভ সমাবেশে বাধা দেয়া না, বরং তা যেন শান্তিপূর্ণভাবে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে শেষ হয় কোনপ্রকার রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই; সেদিকে নজর রাখা তাদের দায়িত্ব। শান্তিপূর্ণভাবে সংবিধানে অবাধে সভা-সমাবেশ করার অধিকার যেকোনো নাগরিক ও সংগঠনের আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সংবিধান স্বীকৃত জনগণের এই অধিকার বিভিন্ন সময় কেড়ে নিয়েছে অথবা সংকুচিত বা নিয়ন্ত্রিত করেছে। যা সংবিধানের লঙ্ঘন। সভা সমাবেশে বাধা জনবিরোধী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি। এতে জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হয়। কিন্তু বর্তমান সরকার প্রশাসনকে ব্যবহার করে জনগণের গণতান্ত্রিক কর্মসূচি সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তাদের স্বৈরতান্ত্রিক বৈশিষ্ট্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের…

Read More

আজ নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালের ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস ঘোষণা করেন এবং ১৯৯৮ সাল থেকে দেশব্যাপী জাতীয়ভাবে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও’র মতে, একজন মা গর্ভাবস্থা, প্রসব অবস্থা ও প্রসব পরবর্তী ৪২ দিনের মধ্যে মারা গেলে ঐ ঘটনাকে ‘মাতৃমৃত্যু’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সংস্থাটি বলছে, প্রসবজনিত জটিলতায় সারা বিশ্বে প্রতি দিন ৮০০ মাতৃমৃত্যু হয়। এর ৯৯ শতাংশ মৃত্যুই উন্নয়নশীল দেশে হয়ে থাকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রতি লাখে জীবিত শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে মাতৃমৃত্যু ১৬৫ জন, যা ২০০৯ সালে ছিল ২৫৯ জন। গত ১০ বছরে মাতৃমৃত্যু হার কমেছে প্রতি লাখে জীবিত…

Read More

বাংলাদেশে এখনো আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয় বন্দরের জন্য৷ সতর্ক সংকেতগুলো সাধারণ মানুষ বোঝেন না৷ দেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যায় আগাম কোনো পূর্বাভাস দিয়ে কৃষকদের ফসল রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়া যায়নি৷ উপকূলীয় বাঁধগুলো ভাদ্রমাসের জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায়৷ উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে উজাড় হয়ে যাচ্ছে৷ বজ্রপাত প্রতিরোধে লাগানো তালগাছ কেতাবে আছে কিন্তু বাস্তবে নেই৷ উপকূলের ৩২০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় দুই লাখ ৫৬ হাজার মানুষ এবং প্রায় ৪৪ হাজার গবাদি প্রাণীর আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ আছে৷ কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ আশ্রয় নিতে চায় না৷ এই পরিস্থিতির সাথে মিলে গেছে বিশ্ব ঝুঁকি সূচক ২০২১। জার্মানির নয়টি উন্নয়ন ও ত্রাণ সংস্থার অ্যালায়েন্স ‘ব্যুন্ডনিস এন্টভিকলুং হিল্ফট’…

Read More

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের পুরোনো দাবিকে সামনে এনে কিছুদিন ধরে বিএনপি দলগতভাবেই রাজপথে সমাবেশ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে, কিন্তু দলটি মনে করছে যে এককভাবে তাদের এ দাবি আদায়ে আওয়ামী লীগ সরকারকে চাপে ফেলা সম্ভব হবে না। সেজন্য বিএনপি নতুন কৌশল হিসাবে আওয়ামী লীগ বিরোধী অন্য সব দলের সাথে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়েছে। এখন এই ঐক্য তৈরির চেষ্টায় দলটি অন্যদলগুলোর সাথে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায়ে তারা আন্দোলনের ঐক্য বা প্লাটফরম তৈরির চেষ্টা করছেন। পুরোনো জোটগুলো সম্পর্কে তার বক্তব্য হচ্ছে, “সুনির্দিষ্টভাবে ২০ দলীয় জোট এখন এফেক্টিভ (কার্যকর) না। ঐক্যফ্রন্টও এফেক্টিভ না।”…

Read More

দক্ষিণ সুদানে যত সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, তার মূলেও রয়েছে এই গরু। নিজেদের মধ্যে প্রধান যুদ্ধ হয় গরু নিয়ে। এ কারণে নিজেদের চেয়েও তারা তাদের গরুরও বিশেষ যত্ন নিয়ে থাকেন। কিছু কিছু সম্প্রদায় তাদের গরু পাহারার জন্য স্বয়ংক্রিয় ভারী অস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি করেন। বিরাট শিংয়ের জন্য এই গরুকে গবাদি পশুর রাজা বলে ডাকা হয়। সুদানি একেকটা গরু আট ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। দক্ষিণ সুদানের মানুষের জীবন-জীবিকা গরু লালন-পালনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এক হাজার কিংবা দুই হাজার গরু যার আছে, তিনিই প্রভাবশালী। দক্ষিণ সুদানে বিয়েতে গরু আলাদা গুরুত্ব বহন করে। বিয়ের উপযুক্ত কেউ বিয়ে করতে চাইলে তার কাছে…

Read More