…
এডিটর পিক
Political journeys often reveal how individuals evolve with time, responsibility and experience. The life of…
Trending Posts
-
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
মার্চ ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
মার্চ ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
মার্চ ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- এক বছরে যে কারণে ধর্ষণ বেড়েছে ২৭%
- যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ধ্বংসের শুরু
- আসিফ নজরুলের দুর্নীতি?
- হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দিতে ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ ইরানের
- From Fugitive to Prime Minister
- ভারত মহাসাগরে ভারতের অতিথি ইরানি জাহাজকে ডুবিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা প্রমাণ করল
- হাসিনার লুটপাট, নির্বাচন, ইন্টেরিম, যুদ্ধ: অর্থনীতির চাপ কি সামলাতে পারবে সরকার?
- দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য: পাল্টা হামলায় বদলে যাচ্ছে সমীকরণ
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে দুটি অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প চলমান। এর একটি পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, যার আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ। অন্যদিকে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। রেলপথ দুটির কোনোটিই এখনো বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যেতে পারেনি। তাছাড়া প্রকল্পগুলো অর্থনৈতিকভাবে কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন করে আরেকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ভাঙ্গা থেকে বরিশাল ও পায়রা বন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪১ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা। জানা গেছে, মেগা প্রকল্পটির…
সরকার দেশের গণপরিবহন নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি স্মার্ট টিকেট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ স্মার্ট টিকেট কার্ড দিয়ে ইউটিলিটি বিল, সড়ক ও সেতুর টোল, সুপার মার্কেটের কেনাকাটা থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধ করা যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে একক এই পেমেন্ট ব্যবস্থার সুবিধা শুধু ঢাকার বাসিন্দারা নিতে পারবেন। তবে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ সুবিধা চালু হবে। বহুমুখী এই কার্ডের নাম হলো ‘র্যাপিড পাস’। এটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সরকারি পরিষেবার বিলও পরিশোধ করা যাবে। গ্রাহকরা তাদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট থেকে কার্ডটি রিচার্জ করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক সচিব এবং সরকারের পরিবহন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে…
বিজ্ঞানীদের ধারণানুযায়ী, পৃথিবীতে জেলিফিশের আবির্ভাব ঘটে আজ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন বছর পূর্বে। সেই হিসেবে জেলিফিশ দানবাকৃতির ডাইনোসর থেকেও প্রবীণ। পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রাণীর নাম জিজ্ঞেস করা হলে উদাহরণ হিসেবে জেলিফিশের কথা বলা যেতেই পারে। পৃথিবীতে ডাইনোসর নিজের অস্তিত্ব না টিকিয়ে রাখতে পারলেও, জেলিফিশ বিলীন হবার বদলে শত ঝামেলা চুকিয়েও প্রকৃতির বুকে সদর্পে টিকে রয়েছে। শরীরে কোনো হাড় বা মাংস না থাকায় এদের জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য। তবে ২০০৭ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যে ৫০০ মিলিয়ন বছর পূর্বের জেলিফিশের জীবাশ্মের সন্ধান মিলেছিল। জেলিফিশ সমুদ্রের এক অপার বৈচিত্র্যের নাম। অথৈ জলরাশির বুকে ভেসে বেড়ানো থকথকে জেলির মতো মুক্ত সাঁতারু জেলিফিশগুলো একদিকে যেমন…
জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ, ১৮৯৮ সাল। ব্রিটিশ ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ আর অউধের মুখ্য বাস্তুকার সি ডব্লিউ উডলিং ও ফৈজাবাদের কমিশনার ভিনসেন্ট স্মিথের নির্দেশ পেয়ে লক্ষ্ণৌ থেকে নেপালের তরাই অঞ্চলের দিকে রওনা দিলেন পূর্ণচন্দ্র মুখার্জী। তিনি সেই সময়ে উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পুরাতত্ত্ব বিভাগে কাজ করতেন। সেটা ছিল ওই বিভাগে তার দ্বিতীয়বার যোগদানের পর্ব। পুরাতত্ত্ব বিভাগে প্রথম পর্বে যে পুরাতত্ত্ববিদ ড. এ ফুহয়ারের সহকারী ছিলেন মি. মুখার্জী, তারই অনুযোগে সেবারের চাকরী হারিয়েছিলেন পূর্ণচন্দ্র। অথচ, সেই পুরাতত্ত্ববিদেরই এক ‘আবিষ্কার’ নিয়ে উপরমহলে গুরুতর সন্দেহ হওয়ায় চাকরি হারাতে হয় ড. ফুহয়ারকে। আর সেই তথাকথিত আবিষ্কারের সত্যতা যাচাইয়ের এবং সঠিক তথ্যানুসন্ধানের দায়িত্ব পড়ে…
সমুদ্রতীরের কাছে এক দ্বীপের উপর মঠ৷ শুধু ভাটার সময়েই সেখানে পৌঁছানো যায়৷ ফ্রান্সের এই সৌধের টানে অনেক পর্যটক ভিড় করেন৷ প্রায় হাজার বছর পুরানো সেই অ্যাবির অনেক রহস্য আজো অজানা থেকে গেছে৷ ফ্রান্সের মঁ স্যাঁ মিশেল মধ্যযুগের সবচেয়ে জটিল নির্মাণের অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত৷ আজও সেখানে পৌঁছানোর পথ অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে৷ তবে অক্ষত শরীরে একবার সেখানে পৌঁছতে পারলে অনেক রহস্য সমাধানের সুযোগ রয়েছে৷ আন ল্য পাজ নয় বছর ধরে মঁ স্যাঁ মিশেল অ্যাবির গাইডের কাজ করছেন৷ ডয়চে ভেলে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অ্যাবি চার্চের অর্ধেক রোমানেস্ক, বাকি অর্ধেক গথিক শৈলি অনুযায়ী তৈরি৷ আনাচেকানাচে রহস্য লুকিয়ে রয়েছে৷ সবচেয়ে গভীর…
দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলে আসছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। এ লক্ষ্যে ভিসা নীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সর্বশেষ শুক্রবার দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করার জন্য দায়ী বা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ দেশের রাজনীতি ও ভোটের ক্ষেত্রে বড় প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এটি কেবল নির্বাচনে প্রভাব রাখবে না বরং নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সরকার যদি এটি উপলব্ধি করতে পারে তাহলে দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের কোর্টে বল ঠেলে দিয়েছে। এখন যা করার আমাদেরই…
দেশের প্রায় সব কারাগারেই বন্দির সংখ্যা ধারণক্ষমতার চেয়ে প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি। কাশিমপুরে একমাত্র মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের মোট ধারণক্ষমতা ২০০ হলেও আটক আছেন প্রায় ৬৫০ বন্দি। এতে একদিকে যেমন থাকা-খাওয়ার কষ্ট, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত তাদের। অতিরিক্ত বন্দির চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষকে। খাবারসহ অন্যান্য খাতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ব্যয়ও। রাজনৈতিক মামলায় আটক ও বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কারণেই মূলত কারাগারে বন্দির সংখ্যা বাড়ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে বিচারের অপেক্ষায় আটক রয়েছেন প্রায় ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ বন্দি। সে প্রেক্ষাপটে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ নম্বরে। বিভিন্ন দেশের কারাগারের ধারণক্ষমতা ও বন্দিদের নিয়ে কাজ…
দিল্লিতে সম্প্রতি যে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন হয়ে গেল, সেই উপলক্ষ্যে প্রকাশিত একটা স্মরণিকা গ্রন্থে মুঘল সম্রাট আকবরের গুণগান করা হয়েছে। হিন্দুত্ববাদীরা নানা ভাবে মুঘল আমল সহ পুরো মুসলমান শাসনামলের ইতিহাস ছেঁটে ফেলার চেষ্টা করে। তাই মুসলমান শাসকদের মধ্যে একমাত্র আকবরের উল্লেখ এবং তার প্রশংসা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন তাহলে কী আকবরের সম্বন্ধে নিজেদের মনোভাব পরিবর্তন করছে বিজেপি? ওই স্মরণিকায় খ্রিষ্টপূর্ব ছয় হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার সময় থেকে শুরু করে বৈদিক যুগ, রামায়ণ-মহাভারত, গৌতম বুদ্ধের আমল সহ ভারতের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের টুকরো টুকরো ছবি তুলে ধরা হয়েছে। কী লেখা হয়েছে আকবর সম্বন্ধে? ‘ইন্ডিয়া: মাদার অব ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক…
প্রত্যেকটি প্রাণীর কিছু না কিছু বিশেষ দক্ষতা রয়েছে যেটা তার টিকে থাকার মূল শক্তি। কিন্তু এর মধ্যে কিছু এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা বিস্ময়ের জন্ম দেয়। বিবিসি ফোর এমন দশটি প্রাণীর বিস্ময়ের সন্ধান করেছে। পেঙ্গুইন পেঙ্গুইন পাখি শ্রেণীভুক্ত হলেও এটি উড়তে পারে না। কিন্তু খর্বকায় এই প্রাণী সমুদ্রের ৫৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত সাঁতরে যেতে পারে। নিশ্বাস বন্ধ রাখতে পারে টানা ২০ মিনিট। পেঙ্গুইনের বসবাস যেহেতু বরফ ঢাকা মেরু অঞ্চলে তাই তার শরীর উষ্ণ রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এমনিতে পেঙ্গুইন মাইনাস ৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মতো হিমশীতল তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। প্রাথমিকভাবে তাদের লোম শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর পালকগুলো খুবই ঘন যেকোনো…
বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক অধিকার ‘অবদমিত’ বলে মনে করে নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা সিভিকাস। দেশে নাগরিকদের অবস্থাকে ‘নিপীড়িত’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। বৈশ্বিকভাবে প্রকাশিত সংস্থাটির ‘পিপল পাওয়ার আন্ডার অ্যাটাক ২০২২’ শীর্ষক প্রতিবেদনে টানা পঞ্চমবারের মতো বাংলাদেশের এই অবস্থান উঠে এলো। বিশ্বের ১৯৬টি দেশের মানুষের নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতার অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে এ প্রতিবেদনে। নাগরিক অধিকার যাচাই করে ৫টি ক্যাটাগরিতে এসব দেশকে ফেলা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা- এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকারের অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়েছে। অধিকারের দিক বিবেচনায় পাঁচটি ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে- উন্মুক্ত, সংকীর্ণ, বাধাগ্রস্ত, অবদমিত ও বন্ধ। এ বছরও বাংলাদেশ পড়েছে ‘অবদমিত’ ক্যাটাগরিতে। সিভিকাস…