Trial Run

জবি শিক্ষার্থী তিথির বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলাম ধর্ম ও মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটূক্তির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রী তিথি সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন এক ছাত্র।  বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর ২০২০) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে একই প্রতিষ্ঠানের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের ছাত্র আবু মুসা রিফাত এ মামলা করেছেন।

বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগের বিষয়ে সিটিটিসির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগকে তদন্ত করে আগামি ১২ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আভিযোগে বলা হয়, তিথি সরকার ১৬ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটূক্তি করেন। যা ইসলাম ধর্মের মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করেছে। ইসলাম ধর্ম অবমাননাকর বিভিন্ন পোস্ট লিখে ও প্রচার করে আসামি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

অভিযোগে আরও জানানো হয়, ইতোমধ্যে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার কারণে তিথিকে তার সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই অভিযোগে গত ২৬ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত আদেশে তিথি সরকারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

তিথি সরকার কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গড়ে ওঠা বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের জবি শাখার দফতর সম্পাদক ছিলেন। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠার পর সংগঠন থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই অভিযোগে গত ২৬ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তিথি সরকারকে বহিষ্কার করা হয়।

তবে তিথি সরকারকে কয়েকদিন ধরে পাওয়া যাচ্ছে না এমন দাবি করে গত ২৭ অক্টোবর পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার বোন স্মৃতি সরকার। তিনি গণমাধ্যমের কাছে জানান, ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে বলে গত ২৩ অক্টোবর তিথি নিজেই পল্লবী থানায় একটি জিডি করেন। জিডির পর পুলিশ তাকে থানায় যেতে বলে। থানায় যাওয়ার কথা বলে গত ২৫ অক্টোবর বলে বের হয়ে তিথি আর ফেরেননি। পুলিশ বলছে, তিথি পল্লবী থানায়ও যাননি।


We chose a different approach. Will you support it? We believe everyone deserves to read quality, independent, factual news and authoritative, calm analysis – that’s why we keep State Watch journalism open to all. The free press has never been so vital. No one sets our agenda, or edits our editor, so we can keep providing independent reporting each and every day. Every contribution, however big or small, is so valuable for our future – in times of crisis and beyond. Support the State Watch today a little amount. Thank you.

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •