দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত যেন একসঙ্গে কয়েকটি সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমছে, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় গ্যাসের অভাবে বন্ধ থাকছে, বাড়ছে লোডশেডিং। আর এই পরিস্থিতির মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে—তাৎক্ষণিকভাবে সংকট কাটানোর সুযোগ খুব সীমিত। ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ মেরামত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লোডশেডিং যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখা—এই মুহূর্তে মূলত সেটিই সরকারের হাতে থাকা পথ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) আয়োজিত ‘নেভিগেটিং বাংলাদেশ এনার্জি ক্রাইসিস: ইমিডিয়েট প্রায়োরিটিজ অ্যান্ড দ্য পাথ টু এ সাসটেইনেবল এনার্জি ফিউচার’ শীর্ষক সংলাপে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ অনলাইনে যুক্ত হয়ে সরকারের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে সংকটের তাৎক্ষণিক বাস্তবতা যেমন স্পষ্ট হয়েছে, তেমনি ফুটে উঠেছে দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার চিত্রও।
মন্ত্রী সরাসরি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস উৎপাদন হঠাৎ করে বাড়ানো সম্ভব নয়। আবার এফএসআরইউ সচল না থাকায় বিদ্যমান এলএনজিও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে সংকটের এই সময়ে সরকারের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে সরবরাহের সীমিত সম্পদকে কীভাবে ভাগ করে দেওয়া যায়, কোথায় কতটা লোডশেডিং করা হবে এবং শিল্পকারখানায় কীভাবে কিছুটা হলেও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখা যায়।
এই বাস্তবতা সাধারণ মানুষের জন্য যেমন ভোগান্তির, শিল্প খাতের জন্য তার প্রভাব আরও গভীর। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ না থাকলে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়, সময়মতো পণ্য তৈরি করা যায় না, রপ্তানি আদেশ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে উৎপাদন কমলেও শ্রমিকের বেতন, ব্যাংকঋণের কিস্তি, কারখানার পরিচালন ব্যয়—এসব কিন্তু থেমে থাকে না। ফলে দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট শুধু বিদ্যুৎ বা গ্যাসের সমস্যা থাকে না; তা ধীরে ধীরে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, রপ্তানি ও বিনিয়োগের ওপর চাপ তৈরি করে।
সংলাপে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ জানান, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কারণে দেশের কারখানাগুলোতে উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। শিল্পের জন্য বিষয়টি কতটা উদ্বেগজনক, তা বোঝা যায় তাঁর আরেকটি বক্তব্যে। তাঁর মতে, সংকটের খবর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বড় করে প্রচারিত হলে তৈরি পোশাক খাতে বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার হারানোর ঝুঁকিও বাড়ছে।
অর্থাৎ একটি কারখানায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকা কিংবা গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া হয়তো একটি দিনের সমস্যা মনে হতে পারে। কিন্তু যখন এই সমস্যা নিয়মিত হয়, তখন এর প্রভাব সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। উৎপাদন কমে, সময়মতো পণ্য পাঠানো যায় না, ক্রেতার আস্থা কমতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, এফএসআরইউ মেরামতের কাজ চলছে। যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের প্রকৌশলীরা এ কাজে যুক্ত রয়েছেন। তবে মেরামত শেষ হলেই যে সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তেমনও নয়। নতুন দুটি বয়লার একসঙ্গে চালু করার সময় পুরো সিস্টেমকে প্রায় ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন বন্ধ রাখার প্রয়োজন হতে পারে। ফলে মেরামত শেষে সাময়িকভাবে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে।
এই ৭২ ঘণ্টার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমান সংকটের মধ্যে দেশের গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা এমনিতেই চাপের মধ্যে রয়েছে। সেখানে পুরো সিস্টেম কয়েক দিন বন্ধ থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং অন্যান্য গ্যাসনির্ভর খাতে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়তে পারে। তাই একদিকে মানুষ স্বাভাবিক সরবরাহের অপেক্ষায়, অন্যদিকে কর্তৃপক্ষকে মেরামত ও সিস্টেম পুনরায় চালুর ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়াটিও সামলাতে হচ্ছে।
তবে বর্তমান সংকটকে শুধু একটি এফএসআরইউর সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে পুরো চিত্রটি বোঝা যাবে না। সিপিডির উপস্থাপনায় উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের একটি কাঠামোগত সমস্যা। সংস্থাটির সিনিয়র গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবির বলেন, দেশের জ্বালানি সংকট এখন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এবং এর পেছনে অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা ও কাঠামোগত দুর্বলতা বড় কারণ।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা অনেক বেশি। সিপিডির হিসাবে, দেশে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ৮৪ শতাংশ আসে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে, আর নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ মাত্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। এর অর্থ হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কিংবা সরবরাহব্যবস্থায় কোনো বড় সমস্যা দেখা দিলে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা সরাসরি চাপের মুখে পড়ে।
এই জায়গাতেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রশ্নটি সামনে আসে। শুধু সংকট দেখা দিলে আমদানি বাড়ানো কিংবা জরুরি ভিত্তিতে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা করা দিয়ে একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, জ্বালানি সংরক্ষণ এবং আমদানির ঝুঁকি কমানোর মতো বিষয়গুলোকে সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ করতে হয়।
সিপিডি জরুরি ভিত্তিতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের পাশাপাশি সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে কৌশলগত জ্বালানি মজুত বা স্ট্র্যাটেজিক ফুয়েল রিজার্ভ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ কোনো একটি সরবরাহ উৎসে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকলে পুরো অর্থনীতি একসঙ্গে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
সরকারও দীর্ঘমেয়াদে অবকাঠামো বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। ২০২৯ সালকে লক্ষ্য করে নতুন জ্বালানি অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। ইতিমধ্যে একটি নতুন এফএসআরইউর অর্ডার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পায়রা, মোংলা ও হিরণ পয়েন্টে আরও তিনটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পকারখানায় বিকল্প উপায়ে গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভোলা থেকে কনটেইনার ট্রাকে করে গ্যাস সরবরাহের জন্য একটি কোম্পানিকে ৩০টি ট্রাক পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কনটেইনারের মাধ্যমে সরাসরি গ্যাস সরবরাহের সুবিধা নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে অবকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবস্থার অপচয় ও অনিয়ম বন্ধ করাও জরুরি। মন্ত্রী ব্যাটারিচালিত রিকশার উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, এগুলোর বড় অংশ রাত ১২টার পর অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে চার্জ দেওয়া হয়। এর ফলে বিদ্যুতের চাহিদার সর্বোচ্চ সময় বদলে রাতের দিকে চলে যাচ্ছে এবং মোট চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাচ্ছে। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীদের হামলার শিকার হওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
এই বক্তব্যের মধ্যে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার আরেকটি বাস্তবতা উঠে আসে—শুধু উৎপাদন বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না; চাহিদা ব্যবস্থাপনাও জরুরি। কোন সময়ে কত বিদ্যুৎ প্রয়োজন, কোথায় অপচয় হচ্ছে, কোথায় অবৈধ ব্যবহার হচ্ছে এবং কোন খাতে বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে—এসব সিদ্ধান্তও বিদ্যুৎ নিরাপত্তার অংশ।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইজাজ হোসেনও সরবরাহের পাশাপাশি চাহিদা নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, অতিরিক্ত সামাজিক প্রতিশ্রুতি, সঠিক মূল্যনীতির অভাব এবং সিস্টেম লসের মতো বিষয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে জমতে জমতে বর্তমান সংকটকে গভীর করেছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে আরেকটি কঠিন বাস্তবতা—কম দামে শতভাগ বিদ্যুতায়ন এবং আবাসিক খাতে ভর্তুকি মূল্যে গ্যাস দেওয়ার মতো নীতির আর্থিক চাপও একসময় রাষ্ট্রের ওপর বড় বোঝা তৈরি করতে পারে।
এদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ সৌরবিদ্যুতে আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোলার স্টোরেজ প্রযুক্তিতে শুল্কছাড় এবং দেশের বিপুলসংখ্যক ডিজেলচালিত সেচপাম্পকে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তরের মাধ্যমে জ্বালানি ব্যয় কমানোর সুযোগের কথাও তিনি বলেছেন।
সব মিলিয়ে বর্তমান সংকট বাংলাদেশের জন্য শুধু তাৎক্ষণিক লোডশেডিংয়ের সমস্যা নয়। এটি এমন একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে, যার সঙ্গে অর্থনীতি, শিল্প, কৃষি, কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা—সবকিছুই যুক্ত। আজকের সংকট সামাল দিতে সরকারকে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষা করতে হচ্ছে, লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা করতে হচ্ছে এবং সীমিত গ্যাসের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হচ্ছে। কিন্তু আগামী দিনের সংকট এড়াতে প্রয়োজন আরও গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সংসদ অধিবেশনে ২০২৯ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। সেই পরিকল্পনার সাফল্য নির্ভর করবে শুধু কতটি নতুন টার্মিনাল তৈরি হলো বা কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা যোগ হলো তার ওপর নয়। নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, সঠিক মূল্যনীতি, দেশীয় সম্পদের অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, সিস্টেম লস কমানো এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সুশাসন—সবকিছুকে একই কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।
কারণ সংকটের সময়ে লোডশেডিং সামলানো যায়, কয়েক দিন অপেক্ষাও করা যায়। কিন্তু একটি দেশের শিল্প যদি দীর্ঘদিন অনিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহের মধ্যে থাকে, তাহলে তার অর্থনৈতিক ক্ষতি শুধু বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টায় মাপা যায় না। তার প্রভাব পড়ে বিনিয়োগে, উৎপাদনে, রপ্তানিতে এবং মানুষের কর্মসংস্থানে।
বাংলাদেশের সামনে তাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন শুধু ‘কখন বিদ্যুৎ আসবে’ নয়। বরং প্রশ্ন হলো, এমন একটি জ্বালানি ব্যবস্থা কবে তৈরি হবে যেখানে একটি এফএসআরইউ বন্ধ হয়ে গেলে পুরো দেশকে দিন গুনতে হবে না, গ্যাসের ঘাটতিতে শিল্প উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না এবং লোডশেডিং ব্যবস্থাপনাই সরকারের প্রধান তাৎক্ষণিক কৌশল হয়ে থাকবে না।
বর্তমান সংকট হয়তো সাময়িকভাবে কেটে যাবে। এফএসআরইউ মেরামত হবে, গ্যাস সরবরাহ বাড়বে, বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু সংকটের মূল কারণগুলো যদি থেকে যায়, তাহলে একই ধরনের পরিস্থিতি আবারও ফিরে আসার আশঙ্কা থাকবে। তাই এখনকার এই কঠিন সময়কে শুধু সাময়িক বিপর্যয় হিসেবে না দেখে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতা চিহ্নিত ও সংস্কারের সুযোগ হিসেবেই দেখা জরুরি। কারণ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা এখন আর কোনো একটি মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি জাতীয় প্রশ্ন।
আপনার মতামত জানানঃ