হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপি সরকারের সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে নানা প্রশ্ন সামনে এনেছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরীসহ সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক এবং মতবিনিময় সেই আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে। বৈঠকে হেফাজতে ইসলাম তাদের নয় দফা দাবি তুলে ধরেছে, আর প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং কিছু বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন। একই সময়ে বিএনপির পক্ষ থেকেও হেফাজতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বলা হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই সম্পর্কের রাজনৈতিক তাৎপর্য আসলে কতটা এবং বিএনপি সরকার হেফাজতে ইসলামের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করছে?
রোববার ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আয়োজিত সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে সংগঠনটির আমির শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরীসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। হেফাজতের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে নয় দফা দাবি পেশ করা হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হেফাজতে ইসলামকে আগের মতো বিএনপির সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
হেফাজতের দাবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয়গুলোর একটি হলো ইসলাম ও কুরআনের অবমাননার সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন। সংগঠনটি কুরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন সংসদে পাস না করার দাবিও জানিয়েছে। পাশাপাশি ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে বিচার, ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি করেছে তারা।
শুধু ধর্মীয় ও বিচারসংক্রান্ত দাবিই নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় আলেম-ওলামাদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও এবার স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে হেফাজত। সংগঠনটির নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক আন্দোলন ও নির্বাচনী পর্যায়ে যোগাযোগ থাকলেও সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আলেমদের অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে না। তারা মনে করছেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী পণ্ডিতদের পরামর্শ ও অংশগ্রহণ থাকা প্রয়োজন।
হেফাজতের এই অবস্থান নতুন নয়। ২০১৩ সালে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই সংগঠনটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সমাজের বিভিন্ন দাবি সামনে এনেছে। ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে বড় সমাবেশের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনায় আসে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ওই সময় তাদের তীব্র বিরোধ তৈরি হয়েছিল। পরে অবশ্য সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্কের চরিত্রও বদলেছে। কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস ডিগ্রিকে মাস্টার্স বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমমানের স্বীকৃতি দেওয়ার মতো সিদ্ধান্তও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছিল। এমনকি হেফাজতের একটি অংশ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘কওমি জননী’ উপাধিও দিয়েছিল।
কিন্তু পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আবারও হেফাজতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধ তীব্র হয়। ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনের পর হেফাজতের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এখন সংগঠনটি সেই মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে। অর্থাৎ হেফাজতের বর্তমান নয় দফা দাবির মধ্যে অতীতের রাজনৈতিক সংঘাত, ধর্মীয় মূল্যবোধ, কওমি শিক্ষাব্যবস্থা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ—সবগুলো বিষয়ই একসঙ্গে জায়গা পেয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকারের সঙ্গে হেফাজতের ঘনিষ্ঠতার পেছনে রাজনৈতিক হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপির নেতারা বলছেন, হেফাজতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নতুন নয়। আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন থেকে শুরু করে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা ছিল। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যেও সেই সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে। তার মতে, বিভিন্ন আন্দোলনে দুই পক্ষ পরস্পরকে সমর্থন করেছে এবং এই যোগাযোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিএনপি আশা করে।
এখানেই মূল রাজনৈতিক প্রশ্নটি আসে। বিএনপি সরকার কেন হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দিচ্ছে? এর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো, বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক ও কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক সামাজিক নেটওয়ার্কের প্রভাব। হেফাজতে ইসলাম নিজে সরাসরি একটি প্রচলিত রাজনৈতিক দল নয়, কিন্তু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কওমি মাদ্রাসা, আলেম সমাজ এবং ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তাদের বিস্তৃত সাংগঠনিক ও সামাজিক যোগাযোগ রয়েছে। ফলে এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা একটি সরকারের জন্য রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি একদিকে নিজস্ব রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে ধর্মভিত্তিক ও রক্ষণশীল ভোটারদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে চায় না। নির্বাচনের রাজনীতিতে কোনো একটি দলের সমর্থন কেবল ভোটের অঙ্কে সীমাবদ্ধ থাকে না; সামাজিক প্রভাব, স্থানীয় সংগঠন, জনমত গঠন এবং রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিতেও এর ভূমিকা থাকে। হেফাজতের সঙ্গে যোগাযোগ সেই বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ হতে পারে।
তবে এর অর্থ এই নয় যে বিএনপি হেফাজতের সব দাবি মেনে নেবে বা হেফাজত সরকারের সব নীতিকে নিঃশর্তভাবে সমর্থন করবে। বরং উভয় পক্ষের স্বার্থের জায়গাগুলোতে সমঝোতা তৈরি করাই বেশি বাস্তবসম্মত। বিএনপি চাইতে পারে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে হেফাজতের সমর্থন ও সামাজিক সহযোগিতা। অন্যদিকে হেফাজত চাইছে তাদের ধর্মীয়, শিক্ষাগত ও রাজনৈতিক দাবিগুলোর বাস্তবায়ন। এই দুই ধরনের প্রত্যাশার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
এই সম্পর্ক নিয়ে অবশ্য সন্দেহ প্রকাশ করছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের অভিযোগ, হেফাজতে ইসলামকে ব্যবহার করে কওমি ধারার রাজনৈতিক দলগুলোকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। গত জুলাইয়ে জামায়াতের একজন নেতা এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে তুলেছিলেন। তাদের ধারণা, হেফাজতের নেতৃত্বে কওমি ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক আয়োজনের পেছনে সরকারের প্রভাব থাকতে পারে।
যদিও বিএনপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিএনপির বক্তব্য হলো, কওমি ধারার রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ ও ভবিষ্যৎ কৌশল নিজেরাই নির্ধারণ করবে। তারা কোনো দলের সঙ্গে থাকবে কি না, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। ফলে হেফাজতের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগকে জামায়াতের জোট ভাঙার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার কারণ নেই—এটাই বিএনপির অবস্থান।
তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মভিত্তিক দল ও সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা যে বাড়ছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে তার ইঙ্গিত রয়েছে। কওমি ধারার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের মধ্যে দূরত্ব কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। একই সময়ে বিএনপি সরকারের সঙ্গে হেফাজতের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। ফলে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোটের ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ধর্মীয় মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় নীতির ভারসাম্য। হেফাজতের পক্ষ থেকে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন না করার দাবি এসেছে। স্কুল-কলেজে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস ডিগ্রির স্বীকৃতি, কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা এবং হিজবুত তাওহিদকে নিষিদ্ধ করার মতো দাবিও রয়েছে। এগুলোর অনেকগুলোই কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; এর সঙ্গে সাংবিধানিক অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, আইন ও রাষ্ট্রের নীতির মতো জটিল বিষয় জড়িয়ে আছে।
তাই হেফাজতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা আর তাদের প্রতিটি দাবি বাস্তবায়ন করা এক বিষয় নয়। সরকারকে একদিকে তাদের সমর্থক ও প্রভাবশালী সামাজিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে, অন্যদিকে রাষ্ট্র পরিচালনায় সংবিধান, আইন এবং নাগরিক অধিকারকে বিবেচনায় রাখতে হবে। এই ভারসাম্য রক্ষা করাই হবে বিএনপি সরকারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
হেফাজতের পক্ষ থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় আলেমদের অংশগ্রহণের যে দাবি উঠেছে, সেটিও ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হতে পারে। সংগঠনটি কোনো নির্দিষ্ট পদ বা মন্ত্রণালয়ের কথা না বললেও তারা চায় দেশের শীর্ষ আলেমদের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কাজে পরামর্শ ও অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হোক। তাদের যুক্তি, আলেম সমাজ দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখতে পারে এবং রাষ্ট্রকে সঠিক পথে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
অন্যদিকে সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে এই দাবির বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, সেটি নির্ভর করবে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। ধর্মীয় পণ্ডিতদের পরামর্শ গ্রহণ এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের সরাসরি নিয়োগ—দুটি আলাদা বিষয়। সরকার সম্ভবত প্রথমটির মাধ্যমে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ নিতে পারে, কিন্তু দ্বিতীয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।
সব মিলিয়ে তারেক রহমান ও হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক বৈঠককে শুধু একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখলে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যায়। এখানে রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাব, নির্বাচনী হিসাব, কওমি ধারার রাজনৈতিক সমীকরণ এবং সরকার পরিচালনায় স্থিতিশীলতা ধরে রাখার চেষ্টা। একই সঙ্গে রয়েছে জামায়াতের সঙ্গে কওমি রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক নিয়ে নতুন টানাপোড়েন।
বিএনপি সরকারের জন্য হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক একদিকে সুযোগ, অন্যদিকে চ্যালেঞ্জ। হেফাজতের সামাজিক ও ধর্মীয় প্রভাবকে সরকারের পক্ষে কাজে লাগানো সম্ভব হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনসমর্থনের কিছু ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত নির্ভরতা সরকারের নীতিনির্ধারণে প্রশ্নও তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে এমন দাবিগুলো নিয়ে, যেগুলোর সঙ্গে সংবিধান, নাগরিক অধিকার কিংবা রাষ্ট্রের ধর্মীয় নিরপেক্ষতার প্রশ্ন জড়িত।
শেষ পর্যন্ত এই সম্পর্ক কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের প্রত্যাশা কতটা বাস্তবসম্মত এবং সরকার কতটা ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে তার ওপর। হেফাজত যেমন তাদের দাবির বাস্তবায়ন চায়, বিএনপি তেমনি তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সমর্থন ধরে রাখতে চায়। দুই পক্ষের এই পারস্পরিক প্রয়োজনই বর্তমান ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি বলে মনে হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, এই সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি ও রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথেও এর দৃশ্যমান প্রভাব পড়ে।
আপনার মতামত জানানঃ