
বাংলাদেশের ক্রিকেটে শাকিব আল হাসান শুধু একজন সফল খেলোয়াড় নন। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি দেশের সবচেয়ে পরিচিত আন্তর্জাতিক মুখগুলোর একটি। কিন্তু এখন তাঁর দেশে ফেরার প্রশ্নটি আর কেবল ক্রিকেটের বিষয় নয়। এটি একই সঙ্গে বিচার, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, রাজনৈতিক দায় এবং জনআবেগের প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।
শাকিব বলেছেন, সরকার তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে তিনি দেশে ফিরতে, আদালতে চলমান মামলাগুলোর মুখোমুখি হতে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে প্রস্তুত। তাঁর আরেকটি আকাঙ্ক্ষা—দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো। আপাতদৃষ্টিতে এই দাবি খুব সরল: একজন নাগরিক দেশে ফিরবেন, আদালতে দাঁড়াবেন এবং একজন ক্রিকেটার হিসেবে শেষবার মাঠে নামবেন। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই তিনটি পরিচয়কে আর সহজে আলাদা করা যাচ্ছে না।
কারণ শাকিব শুধু ক্রিকেটার ছিলেন না; তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৪ সালের নির্বাচনে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। যে নির্বাচন বিরোধী দলের বর্জন, প্রতিযোগিতার অভাব এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, শাকিব সেই নির্বাচনের মাধ্যমে সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতার অংশ হন। ফলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তাঁর অবস্থানকে কেবল একজন ক্রীড়াবিদের অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ সংকুচিত হয়ে যায়।
এখানেই প্রথম সীমারেখাটি স্পষ্ট করা জরুরি। শাকিবের ক্রিকেটীয় অর্জন তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দায় মুছে দিতে পারে না। আবার তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ও প্রমাণ ছাড়াই তাঁকে যেকোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করার অনুমতি দেয় না। জনপ্রিয়তা বিচার থেকে দায়মুক্তির কারণ হতে পারে না; একইভাবে রাজনৈতিক অজনপ্রিয়তাও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার বৈধ ভিত্তি নয়।
অভিযোগ আছে, কিন্তু রায় হয়নি
শাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক আইনি অভিযোগ রয়েছে। আর্থিক তদন্তের মধ্যে তাঁর ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকার কথাও তিনি জানিয়েছেন। এসব অভিযোগ অবশ্যই গুরুতর এবং এগুলোকে ক্রিকেটীয় আবেগ দিয়ে আড়াল করা উচিত নয়। কোনো ব্যক্তি জাতীয় নায়ক, সাবেক অধিনায়ক বা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেই তাঁর জন্য আলাদা আইন হতে পারে না।
কিন্তু অভিযোগ দায়ের এবং অপরাধ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। ফৌজদারি বিচারের মৌলিক নীতি হলো—আদালতে দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগে একজন অভিযুক্তকে অপরাধী ধরে নেওয়া যায় না। হত্যা মামলায় শাকিবের নাম থাকা রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রশ্ন তৈরি করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিযোগের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের দায়িত্ব তদন্ত সংস্থা ও রাষ্ট্রপক্ষের। ঘটনার সময় তিনি কোথায় ছিলেন, অভিযোগের ভিত্তি কী, কোনো নির্দেশনা বা সহায়তার প্রমাণ আছে কি না—এসব আদালতেই পরীক্ষা হওয়া দরকার।
শাকিব নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন। এই দাবি সত্য কি না, তার সিদ্ধান্তও সংবাদমাধ্যম, রাজনৈতিক দল কিংবা ক্ষুব্ধ জনতা দেবে না। সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত। কিন্তু আদালতের সিদ্ধান্ত বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে তদন্তকে হতে হবে প্রমাণনির্ভর, স্বচ্ছ এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধের সন্দেহমুক্ত। দুর্বল বা নির্বিচার মামলা শেষ পর্যন্ত শুধু অভিযুক্তকেই সুবিধা দেয় না; প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিপুলসংখ্যক মামলা, গণহারে আসামি করা এবং অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না—এমন ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ বহুবার উঠেছে। এই বাস্তবতায় শাকিবের মামলাও বাড়তি বিচারিক সতর্কতা দাবি করে। তাঁকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়; বরং বিচারটি যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা তারকা-সুবিধা—কোনোটিরই শিকার না হয়।
নিরাপত্তা চাওয়া কি বিশেষ সুবিধা?
শাকিবের দেশে ফেরার প্রধান শর্ত নিরাপত্তা। কেউ বলতে পারেন, একজন অভিযুক্ত কীভাবে দেশে ফেরার আগে সরকারের কাছে শর্ত দেন? আইনের মুখোমুখি হওয়া তো তাঁর দায়িত্ব। এই আপত্তির ভিত্তি আছে। কোনো নাগরিক নিজের পছন্দমতো রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বিচার এড়িয়ে যেতে পারেন না। নিরাপত্তার দাবি বিচারিক হাজিরার বিকল্প হতে পারে না।
তবে সাম্প্রতিক ঘটনাও উপেক্ষা করা যাবে না। শেখ হাসিনার দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ার পর মাগুরায় শাকিবের বাড়িতে হামলা ও পেট্রলবোমা নিক্ষেপের খবর এসেছে। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ থাকতেই পারে; কিন্তু কোনো বাড়িতে হামলা সেই ক্ষোভ প্রকাশের বৈধ উপায় নয়। বরং ঘটনাটি দেখায়, দেশে ফিরলে তাঁর শারীরিক নিরাপত্তা নিয়ে বাস্তব ঝুঁকি থাকতে পারে।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু পছন্দের বা জনপ্রিয় নাগরিককে নিরাপত্তা দেওয়া নয়। অভিযুক্ত, দণ্ডিত, বিরোধী রাজনীতিক কিংবা জনরোষের মুখে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তাও রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হয়। কারণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া নয়; বরং তাঁকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় আদালতের সামনে উপস্থিত করার পথ তৈরি করা।
এই জায়গায় সরকারের অবস্থান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে শাকিবের ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়’ দেশে ফেরার সুযোগ নেই। এই বক্তব্য আইনের শাসনের দৃষ্টিতে অস্বস্তিকর প্রশ্ন তোলে। একজন বাংলাদেশি নাগরিকের দেশে ফেরার ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়া’ রাজনৈতিক আনুগত্যের ওপর নির্ভর করবে কেন? তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলে বিমানবন্দরে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আদালত জামিন দেবেন কি না, সেটিও আদালতের বিষয়। কিন্তু রাজনৈতিক অবস্থানকে দেশে প্রবেশের অনানুষ্ঠানিক বাধা বানানো হলে বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্বাহী ও দলীয় সিদ্ধান্তের ছায়া পড়ে।
সরকারের যুক্তি যদি হয় যে শাকিবকে ঘিরে জননিরাপত্তার ঝুঁকি আছে, তবে সেই ঝুঁকি মোকাবিলার পরিকল্পনা সরকারকেই করতে হবে। আর যদি কোনো নির্দিষ্ট আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে, সেটি স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। অস্পষ্টভাবে ‘ফেরার সুযোগ নেই’ বলা আইনি অবস্থান নয়; এটি রাজনৈতিক বার্তা।
ক্রিকেটার শাকিব ও রাজনীতিক শাকিব
শাকিবের সমর্থকেরা প্রায়ই তাঁর ক্রিকেটীয় অবদানের কথা সামনে আনেন। সত্যিই বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অসামান্য। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে অর্জন রাজনীতিক হিসেবে তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা থেকে সুরক্ষা দিতে পারে না।
তিনি এমন সময়ে ক্ষমতাসীন দলে যোগ দেন, যখন দেশের নির্বাচনব্যবস্থা, মানবাধিকার এবং বিরোধী মত দমনের প্রশ্নে সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে ছিল। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন বলে সমালোচিত নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হন। ২০২৪ সালের আন্দোলন ও প্রাণহানির সময় তাঁর নীরবতাও মানুষের ক্ষোভ বাড়িয়েছে। পরে তিনি সেই নীরবতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও জনমনে তৈরি হওয়া দূরত্ব পুরোপুরি ঘোচেনি। সম্প্রতি শেখ হাসিনার সঙ্গে একই সংবাদ আয়োজনে উপস্থিত হওয়া তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান যে এখনো বদলায়নি, অন্তত জনসাধারণের একটি বড় অংশ সেই বার্তাই পেয়েছে।
অতএব শাকিব যদি দেশে ফেরেন, তাঁকে শুধু আদালতের প্রশ্নের নয়, জনসমক্ষে রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রশ্নেরও উত্তর দিতে হবে। কেন তিনি রাজনীতিতে গিয়েছিলেন? কেন এমন একটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন? আন্দোলনের সময় তাঁর ভূমিকা ও নীরবতা কী ছিল? ক্ষমতার অংশ হিসেবে সংঘটিত অন্যায়ের কোনো নৈতিক দায় তিনি স্বীকার করেন কি না? এসব প্রশ্নের উত্তর আদালতের রায়ে নাও আসতে পারে, কিন্তু ইতিহাস ও জনপরিসরে এগুলোর উত্তর প্রয়োজন।
তবে রাজনৈতিক জবাবদিহি ও গণপিটুনির মানসিকতা এক নয়। তাঁকে প্রশ্ন করা যাবে, প্রতিবাদ করা যাবে, তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকার কঠোর সমালোচনাও করা যাবে। কিন্তু বাড়িতে হামলা, শারীরিক আক্রমণের হুমকি বা বিচার হওয়ার আগেই অপরাধী ঘোষণা—এসব কোনো গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নয়। এগুলো আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা, যা শেষ পর্যন্ত সব নাগরিকের নিরাপত্তাকে দুর্বল করে।
বিদায়ী সিরিজ কি অধিকার?
দেশের মাটিতে বিদায়ী সিরিজ খেলা শাকিবের আকাঙ্ক্ষা হতে পারে, কিন্তু এটি তাঁর আইনি অধিকার নয়। জাতীয় দলে কে খেলবেন, সেটি নির্বাচক, ক্রিকেট বোর্ড, ফিটনেস, পারফরম্যান্স এবং দলের প্রয়োজনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়ার কথা। কোনো খেলোয়াড় যত বড়ই হোন, বিদায়ী ম্যাচ পাওয়ার নিশ্চয়তা তাঁর থাকে না।
আবার কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ক্রিকেটীয় সিদ্ধান্ত নেওয়াও বিপজ্জনক। শাকিব যদি আইনগতভাবে খেলার অযোগ্য না হন, নির্বাচনের মানদণ্ড পূরণ করেন এবং বোর্ড তাঁকে প্রয়োজনীয় মনে করে, তবে সিদ্ধান্তটি ক্রিকেটীয় যুক্তিতেই ব্যাখ্যা করা উচিত। একইভাবে তাঁকে দলে নিলে সেটিও যেন রাজনৈতিক পুনর্বাসনের আয়োজন না হয়।
সবচেয়ে যুক্তিসংগত পথ হলো বিচারিক প্রক্রিয়া ও ক্রিকেটীয় সিদ্ধান্তকে আলাদা রাখা। প্রথমে তিনি দেশে ফিরবেন এবং প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী আদালতের মুখোমুখি হবেন। জামিন বা হেফাজতের সিদ্ধান্ত আদালত নেবেন। এরপর তাঁর খেলার আইনগত বাধা না থাকলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড স্বাভাবিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেবে। সরকার নিরাপত্তা দেবে, কিন্তু দল নির্বাচন করবে না; জনতা প্রশ্ন তুলবে, কিন্তু রায় দেবে না।
এই ঘটনা আসলে রাষ্ট্রের পরীক্ষা
শাকিব আল হাসানের দেশে ফেরা শেষ পর্যন্ত একজন তারকা ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত সংকটের চেয়ে বড় বিষয়। এটি পরীক্ষা করবে, রাজনৈতিক পালাবদলের পর বাংলাদেশ ন্যায়বিচারের নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে পেরেছে কি না। আগের সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ছিল—আইনকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন, মামলা দিয়ে হয়রানি এবং অনুগতদের সুরক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাও যদি রাজনৈতিক পরিচয় দেখে নাগরিকের দেশে ফেরা, নিরাপত্তা বা বিচারিক সুযোগ নির্ধারণ করে, তবে বদলাবে শুধু সুবিধাভোগীর নাম; রাষ্ট্র পরিচালনার সংস্কৃতি বদলাবে না।
শাকিবকে তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দায় এড়ানোর সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হতে হবে। একই সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং দেশে ফেরার আইনসম্মত পথ স্পষ্ট করতে হবে। এই দুই অবস্থানের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। বরং ন্যায়বিচারের জন্য দুটিই অপরিহার্য।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শক্তি বোঝা যায় সে জনপ্রিয় মানুষকে কতটা সম্মান দেয়, তা দিয়ে নয়; বরং অজনপ্রিয় ও বিতর্কিত মানুষের ক্ষেত্রেও আইন কতটা সমানভাবে প্রয়োগ করে, তা দিয়ে। শাকিবের ক্রিকেটীয় উত্তরাধিকার নিয়ে বিতর্ক চলতেই পারে। তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও কঠোর মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তাঁর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে প্রমাণ, আইন ও আদালত—রাজনৈতিক আনুগত্য, তারকাখ্যাতি কিংবা জনরোষ নয়।
শাকিব দেশে ফিরবেন কি না, সেটি আপাতত তাঁর এবং সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। কিন্তু তিনি কীভাবে ফিরবেন, কীভাবে বিচার পাবেন এবং তাঁর নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত হবে—সেই উত্তরটি শুধু একজন ক্রিকেটারের জন্য নয়; বাংলাদেশের আইনের শাসনের ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার মতামত জানানঃ