…
এডিটর পিক
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা আবারও বিশ্ব রাজনীতির শক্তির ভারসাম্যকে নতুনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে…
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
মার্চ ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- যুদ্ধে ইরানে এ পর্যন্ত ২৪৩ শিক্ষার্থী–শিক্ষক নিহত
- ইরানকে ১৫-দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
- ইরান যুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকায় যে বিপদে মোদির ভারত
- পাকিস্তানে বৈঠক: থামবে কি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ?
- কোন জ্বালানি তেল দেশে কত দিন চলবে?
- ইরানের সাথে কেন হঠাৎ পিছু হটলেন ট্রাম্প?
- যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা: গুজব, বাস্তবতা ও যুদ্ধের আশঙ্কার আড়ালের সত্য
- হাদীর হত্যাকারীরা আদালতে: যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেল
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
“তিনি প্রতিদিন বিষ খেতেন।” প্রথম সুলতান মাহমুদ শাহ বেগ সম্পর্কে এ কথা বলেন একজন ইতালীয় পর্যটক। এই সুলতান ৫৩ বছর ধরে পশ্চিম ভারতের গুজরাট রাজ্য শাসন করেছিলেন। মুজাফফরি রাজবংশের অষ্টম সুলতান ১৪৫৮ থেকে ১৫১১ সাল পর্যন্ত গুজরাট শাসন করেন। এই সাম্রাজ্য ১৫৭২ সালে মুঘলদের গুজরাট বিজয়ের আগে প্রায় ২০০ বছর স্থায়ী ছিল। এ সাম্রাজ্য ১৪০৭ সালে তার পিতামহ সুলতান জাফর খান মুজাফফর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লেখক সাদুপ্তা মিশ্রের মতে, গুজরাটের প্রথম সুলতান মাহমুদ শাহ’র শাসনামলে তার সাম্রাজ্যের অবস্থান শীর্ষে পৌঁছেছিল। সে সময় এই সাম্রাজ্য পূর্বে মালওয়া ও পশ্চিমে কাচ উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। প্রথম সুলতান মাহমুদ শাহ-এর আসল নাম ছিল ফতেহ…
সরকারের উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় মেটাতে ঋণনির্ভরতা বাড়ছে। আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটেও ঘাটতি ব্যয় মেটাতে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে আড়াই লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। দেশের অর্থনীতিতে ডলার সংকটসহ নানা ধরনের বহির্মুখী চাপ রয়েছে। তাই বড় প্রকল্পের অর্থায়ন ও বাজেট সহায়তার জন্য এখন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর ওপরও নির্ভরতা বাড়ছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও চীন সফরের সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশ দুটি থেকে বড় ধরনের অর্থায়ন প্রতিশ্রুতিরও প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সপ্তাহেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। সে সময় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত…
প্রথমেই বলি, এটা একটা কাল্পনিক বিষয়। তারপরও ধরা যাক, সূর্যের চারদিকে পৃথিবী তার কক্ষপথে আলোর গতির ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ গতিতে ঘুরছে। তাহলে প্রথমেই পৃথিবী সৌরজগৎ থেকে ছিটকে বাইরে চলে যাবে। কারণ, সৌরজগৎ উত্ক্রমণ বেগ (Escape Velocity) হলো সেকেন্ডে মাত্র ৪২ কিলোমিটার। এ বিষয়ে একজন প্রকৌশলী জ্যাক ফ্রেজার কুয়োরা ডাইজেস্টে খুব চমত্কার কতগুলো তথ্য দিয়ে দেখিয়েছেন, এ রকম সাংঘাতিক কিছু ঘটলে কী পরিণতি হতে পারে। যেমন প্রথম তিন মিনিটেই পৃথিবী মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথ পার হয়ে যাবে। ১ ঘণ্টার মধ্যে পার হয়ে যাবে বৃহস্পতি গ্রহ, ৫ ঘণ্টার মধ্যে প্লুটোর কক্ষপথ, ১৫ ঘণ্টার মধ্যে ভয়েজার-২, ১৯ ঘণ্টার মধ্যে ভয়েজার-১ এবং দিন দুয়েকের…
ইতিহাস বিখ্যাত রানী সপ্তম ক্লিওপেট্রা ফিলোপেটর ছিলেন মিশরের টলেমাইক সাম্রাজের শেষ সক্রিয় শাসক। তিনি তার ঘটনাবহুল জীবনের জন্য ইতিহাসে কুখ্যাতি পেয়েছেন। তবে তার ৩৯ বছরের জীবন যতটা নাটকীয় ছিল তার থেকে বেশি আলোচনা জন্ম দেয় তার মৃত্যু রহস্য। আর এই রহস্যময় ঘটনার সূচনা তার প্রেমিক রোমান জেনারেল মার্ক অ্যান্টনির কারণে। ক্লিওপেট্রার সঙ্গে প্রেমের কারণে অ্যান্টনিওর দ্বন্দ্ব শুরু হয় রোমান সাম্রাজ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অক্টাভিয়ানের সঙ্গে। এই যুদ্ধে অক্টাভিয়ানকে পূর্ণ সমর্থন জানায় রোমান সাম্রাজ্যের জনসাধারণ। অতঃপর খ্রিস্টপূর্ব ৩১ সালে ঐ যুদ্ধে কৌশলগত কারণে ব্যর্থ হয় অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রার সমন্বিত বাহিনী। ইতিহাসে এই যুদ্ধ ব্যাটল অব অক্টিয়াম নামে বিখ্যাত। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে…
আগামী ২৮ জুন ইরানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মে মাসে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগেই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো প্রেসিডেন্ট মারা গেলে নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে নির্বাচন দিতে হবে পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যেই, ফলে দলগুলো নিজেদের প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার জন্য খুবই কম সময় পায়। সমস্ত প্রভাবশালী রক্ষণশীল দলগুলোর মধ্যে তাই এখন চূড়ান্ত প্রার্থী নিয়ে নানান বাছবিচার চলছে। কিন্তু আগের জাতীয় নির্বাচনে প্রচুর পরিমাণ প্রার্থিতা বাতিল হওয়া এবং প্রশাসন যেভাবে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে, তাতে অনেক সংস্কারপন্থী দল ও নেতারা এ নির্বাচনে…
একটা ছোট্ট সাধারণ কণা ডিটেক্টর নিয়ে কাজ করছিলেন তাঁরা। হঠাত্ ডিটেক্টরে অন্য রকম একটা কণার সন্ধান পান বিজ্ঞানী দল। কণাটি খুব হালকা। ভর ৩৪টি ইলেকট্রনের সমান। সেটার চরিত্র বোঝার জন্য চলল তথ্য-উপাত্ত নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্তু পদার্থবিদ্যার যে স্ট্যান্ডার্ড মডেল, তাতে যে কটি কণা ঠাঁই পেয়েছে, তার কোনোটির সঙ্গেই মেলে না কণাটির চরিত্র। তার মানে, স্ট্যান্ডার্ড মডেলের চেনাজানা গণ্ডির বাইরের কোথাও থেকে হাজির হয়েছে কণাটি! তাহলে কি তাঁদের হিসাবে কোনো ভুল হলো? ভাবলেন বিজ্ঞানীরা। আবার তাঁরা পরীক্ষাটি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। এবারও একই ফল। কী এই কণা? আবার শুরু হলো তাঁদের হিসাব-নিকাশ। শেষমেশ বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে এলেন, এটাই ডার্ক ফোটন। সেটা আবার…
দোয়াত থেকে কয়েক ফোঁটা কালি গড়িয়ে পড়লো চামড়ার তৈরি শক্ত কাগজের উপর। সেটি দ্রুত শুকিয়ে গিয়ে কাগজের উপর দীর্ঘস্থায়ী একটি দুর্বোধ্য চিত্রাঙ্কনের সৃষ্টি করলো। সেই কাগজের উপর একজন লেখক নিবিষ্ট চিত্তে পত্র লিখে চলেছেন। দামী আসবাবপত্রে সাজানো হলঘরের মাঝে তামার তৈরী একটি চেয়ারে বসে তামার টেবিলের উপর সেই পত্র লেখা হচ্ছে। কক্ষের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্রের অধিকাংশই তামার তৈরি। এ যেন রূপকথার সেই তামার মুলুকের মাঝে এসে পড়েছি! কিন্তু এ কোনো রূপকথা নয়। আলাসিয়া নামক এই অদ্ভুত তামার সাম্রাজ্যের রাজার নির্দেশে লেখক পত্র লিখে চলেছেন। পত্রের প্রাপক তৎকালীন মিশর সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি ফারাও আখেনাটন। সম্প্রতি তিনি ফারাওদের সাথে…
আমাদের এই উপমহাদেশের মাটিতে সর্বপ্রথম সভ্যতার ঝাণ্ডা গেড়েছিল কারা? প্রশ্নটির বেশিরভাগ উত্তরই হয়তো হবে হরপ্পা সভ্যতার লোকেরা। কথাটি পুরোপুরি উড়িয়েও দেওয়া যায় না, কারণ প্রাচীন ভারতবর্ষীয় সভ্যতার ইতিহাসে হরপ্পা এবং মহেঞ্জোদারো; দুটি নামই জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে। তাই অনেকের ধারণা- হরপ্পা নগরীর মাধ্যমেই এই উপমহাদেশে প্রাচীন সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়। এটাও ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যদিও তা বেশ পরের ঘটনা। বিশ্লেষণের প্রেক্ষিতেই ফিরে যেতে হচ্ছে আজ থেকে প্রায় ১২,০০০ বছর আগে। তখনই সর্বপ্রথম কৃষিকাজের সূচনা হয় মধ্যপ্রাচ্যের কোনো এক উর্বর ভূমিতে। ধীরে ধীরে পৃথিবীতে মানবসভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে পাল্টে যায় মানুষের চিরাচরিত জীবন অভ্যাস। প্রাচীন প্রস্তর যুগে পশু শিকার মানুষের বেঁচে থাকার…
অজান্তেই শরীরে ঢুকে যাচ্ছে। চিবিয়ে চিবিয়ে খাচ্ছে মাংস। তারপর দু’দিনের মধ্যে সব শেষ! মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়ার উৎপাতে এখন শোরগোল জাপানে। করোনাকালের যে বিধিনিষেধ এতদিন ধরে জারি ছিল সম্প্রতি তার অবসান ঘটেছে সেখানে। ব্যস, তারপরই এই ভয়ঙ্কর রোগের উৎপাত। তটস্থ হয়ে পড়েছে জাপানবাসী। ‘মাংস খাওয়া’ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি বিরল এবং মারাত্মক রোগ জাপানে, বিশেষ করে টোকিওতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। স্ট্রেপ্টোকোকাল টক্সিক শক সিনড্রোম (STSS) হল এমন একটি রোগ যা সংক্রমণের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মারাত্মক হতে পারে। ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে টোকিও একাই ১৪৫টি কেস রিপোর্ট করেছে। স্থানীয় সংবাদপত্র আসাহি শিম্বুনের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ৩০ বছরের বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মৃত্যুর…
ফ্রিজে গো-মাংস রাখার অভিযোগ। পুলিশের নির্দেশে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ১১টি বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্য প্রদেশের আদিবাসী অধ্যুষিত মান্দলায়। মধ্য প্রদেশে প্রকাশ্যে মাছ-মাংস, ডিম বিক্রি নিষিদ্ধ। পাশাপাশি ২০১২ সালেই গো-হত্যা প্রতিরোধ আইন কঠোর করা হয়েছে রাজ্যে। গরুর মাংস কেনা-বেচা নিষিদ্ধ। যদি কেউ গো-হত্যায় অভিযুক্ত হয়, তবে ৭ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গোপন সূত্রে খবর মিলেছিল নইনপুরের ভাইওয়াহি এলাকায় বিপুল সংখ্যক গরু এনে রাখা ছিল কুরবানির জন্য। এই খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালায়। উদ্ধার করা হয় ১৫০টিরও বেশি গরু। ১১টি বাড়িই সরকারি জমির উপরে তৈরি ছিল। ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গরুর চামড়া ও…