ইরানের কাছাকাছি সমুদ্রে ভাসছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। বাইরে থেকে এটি মার্কিন সামরিক শক্তির অন্যতম প্রতীক—হাজারো সেনা, যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত একটি ভাসমান সামরিক ঘাঁটি। কিন্তু সেই শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজের ভেতরের চিত্র নিয়ে এখন উঠছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক প্রশ্ন। দীর্ঘ ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্রে অবস্থান করা এই রণতরীতে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের একটি অংশ খাবার, পানি নিষ্কাশন, পরিচ্ছন্নতা, বিশ্রাম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ওপর যে ধরনের দীর্ঘমেয়াদি operational চাপ তৈরি হয়েছে, আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি যেন তারই একটি প্রতিচ্ছবি। যুদ্ধক্ষেত্রে একটি বিমানবাহী রণতরীর গুরুত্ব যতটা কৌশলগত, সেটিকে দীর্ঘ সময় সমুদ্রে সচল রাখা ততটাই কঠিন। আর সেই কঠিন বাস্তবতার চাপ এবার দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে জাহাজে থাকা নাবিকদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে।
মার্কিন রণতরীটি গত বছরের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে। প্রথমদিকে এর গন্তব্য ছিল দক্ষিণ চীন সাগর। পরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাহাজটিকে ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী মে মাসে জাহাজটির দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু একের পর এক মেয়াদ বাড়তে থাকায় সেই প্রত্যাবর্তন আর হয়নি। বরং নাবিকদের সমুদ্রে অবস্থানের সময় ক্রমেই দীর্ঘ হয়েছে।
যুদ্ধের সময় একটি বিমানবাহী রণতরী শুধু যুদ্ধবিমান বহন করে না; এটি একই সঙ্গে একটি বিশাল ভাসমান শহরের মতো কাজ করে। সেখানে হাজারো মানুষের খাবার, পানীয় জল, চিকিৎসা, পোশাক পরিষ্কার, স্যানিটেশন, ঘুম, বিনোদন এবং যোগাযোগের ব্যবস্থা সচল রাখতে হয়। দীর্ঘদিন স্থলভাগে না ফিরলে এই প্রতিটি ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। আব্রাহাম লিংকনের ক্ষেত্রে সেই চাপ কতটা গভীর হয়েছে, তা নিয়ে এখন মার্কিন আইনপ্রণেতারাও প্রশ্ন তুলছেন।
কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্টাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাহাজটির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগের তালিকায় রয়েছে মৌলিক সরবরাহের ঘাটতি, পানি দূষণ, প্লাম্বিংয়ের সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, ডেকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং মেইল বা ডাক ব্যবস্থায় ব্যাঘাত। এমনকি পরিবারের সদস্যদের পাঠানো কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মাসের পর মাস ট্রানজিটে আটকে থাকার অভিযোগ উঠেছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তৈরি করেছে খাবারের সংকটের অভিযোগ। জাহাজে থাকা কিছু সামরিক সদস্যের পরিবারের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে তাজা খাবার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বন্দরে যাতায়াত কমে যাওয়ায় নাবিকদের অনেক সময় জাহাজ থেকে নামার সুযোগও থাকে না। ফলে স্থলভাগ থেকে তাজা খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে।
একজন নাবিকের আত্মীয় বিবিসিকে জানিয়েছেন, মোতায়েন শুরু হওয়ার পর ওই নাবিকের প্রায় ৬৫ পাউন্ড বা ২৯ কেজি ওজন কমে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, নাবিকদের কেউ কেউ দীর্ঘ সময় ধরে কাপড় পরিষ্কার করতে পারেননি, আবার কোথাও লন্ড্রি পরিষেবা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় বন্ধ ছিল। কেউ কেউ গরম পানির সংকটের কথাও জানিয়েছেন।
আরও গুরুতর অভিযোগ এসেছে জাহাজের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নিয়ে। ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান মাইকেল লেভিন সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, কোথাও ছত্রাকযুক্ত শাওয়ার, ভাঙা টয়লেট, দীর্ঘ সময় লন্ড্রি বন্ধ থাকা এবং গরম পানির সংকটের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমনকি কোনো কোনো সময়ে একজন নাবিকের একবেলার খাবারে অর্ধেক কাপ ভাত ও দুটি পাউরুটির মতো সীমিত খাবার পাওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে। সাবান, ডিওডোরেন্ট কিংবা টুথপেস্টের মতো সাধারণ ব্যক্তিগত সামগ্রীর ঘাটতির কথাও বলা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের সবকটিই যে সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, এমন নয়। বরং মার্কিন নৌবাহিনী পরিস্থিতির একটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, জাহাজে আত্মহত্যার চিন্তা বা আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধকালীন কার্যক্রমের কারণে প্রচলিত সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হলেও মিশন-সংক্রান্ত এবং জরুরি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, জাহাজে বিশুদ্ধ পানি, সচল শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং পুষ্টিকর খাবারের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ পরিবারের সদস্য ও আইনপ্রণেতাদের বর্ণনার সঙ্গে সামরিক কর্তৃপক্ষের দেওয়া চিত্রে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
এই বিরোধের মাঝেই সামনে এসেছে আরও উদ্বেগজনক একটি বিষয়—নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য।
মিলিটারি টাইমস এবং স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস-এর প্রতিবেদনে পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থান এবং জাহাজের ভেতরের পরিবেশ কিছু সামরিক সদস্যের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কয়েকজন নাবিক জাহাজ থেকে সাগরে লাফ দেওয়ার কথা বিবেচনা করেছেন বা চেষ্টা করেছেন বলেও পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন।
চলতি মাসের শুরুতে একজন নাবিক সমুদ্রের পানিতে পড়ে গেলে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। পরে জাহাজেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও প্রেক্ষাপট খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সামরিক বাহিনীতে কর্মরত একজন মানুষ সাধারণত জানেন যে যুদ্ধকালীন মোতায়েন সহজ কোনো দায়িত্ব নয়। তিনি জানেন, তাঁর কাজের সঙ্গে ঝুঁকি জড়িয়ে আছে। কিন্তু যুদ্ধের ঝুঁকি এবং দীর্ঘদিনের অবিরাম ক্লান্তি এক বিষয় নয়। একটি জাহাজে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত একই পরিবেশে বসবাস করা, চারপাশে সমুদ্র ছাড়া কিছু না দেখা এবং দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা মানসিকভাবে বড় চাপ তৈরি করতে পারে।
এক নাবিকের আত্মীয়ের বর্ণনায় সেই বাস্তবতারই ছবি পাওয়া যায়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নাবিকরা জানেন এটি কোনো ছুটি নয়, তাঁরা জানেন তাঁদের দায়িত্ব কী। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা দীর্ঘ সময় বন্দরে যেতে পারেন না, মাটিতে পা রাখার সুযোগ পান না এবং মানসিকভাবে স্বস্তি পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত বিরতিও থাকে না।
এর সঙ্গে যুক্ত হয় শব্দ ও কম্পন। একটি বিমানবাহী রণতরীর ইঞ্জিন, যুদ্ধবিমান ওঠানামা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক কার্যক্রমের কারণে সেখানে কখনোই পুরোপুরি নীরবতা থাকে না। ওই নাবিকের আত্মীয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘুম, খাবার কিংবা গোসল—কোনো সময়ই অবিরাম কম্পন থেকে পুরোপুরি মুক্তি নেই। দীর্ঘ সময় ধরে এমন পরিবেশে থাকা ঘুম ও বিশ্রামের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
জাহাজে কাজ করা মানুষের জন্য ঘুমের সংকট নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ৯৫৬ জন নাবিকের ওপর করা একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যান্য শাখার তুলনায় নৌবাহিনীর জাহাজে থাকা সদস্যদের মধ্যে তীব্র মানসিক সংকটের হার বেশি। সেখানে বসবাসের অনুপযুক্ত পরিবেশ, অতিরিক্ত শব্দ এবং ঘুম ও বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত সময় না থাকার মতো কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল।
এই পরিস্থিতি শুধু একটি জাহাজের সমস্যা নয়—এটি আধুনিক যুদ্ধের একটি বড় প্রশ্নও সামনে আনে। সামরিক শক্তি কতটা দূর পর্যন্ত প্রসারিত করা যায়? একটি রাষ্ট্র কতদিন তার যুদ্ধজাহাজ, বিমান, সেনা ও নাবিকদের একই মাত্রায় সক্রিয় রাখতে পারে? যুদ্ধের কৌশল যত দীর্ঘ হয়, তার মানবিক ও সাংগঠনিক মূল্যও কি তত বাড়তে থাকে?
রিচার্ড ব্লুমেন্টাল ঠিক এই প্রশ্নটিই তুলেছেন। তাঁর মতে, আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি শুধু তাৎক্ষণিক সমস্যার বিষয় নয়; এটি আরও বড় প্রশ্ন তৈরি করছে—মার্কিন নৌবাহিনী বর্তমানে বিমানবাহী রণতরীগুলোর ওপর যে ধরনের operational চাপ প্রয়োগ করছে, তা দীর্ঘদিন ধরে টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এসব অভিযোগকে অনেকাংশে ভিন্নভাবে দেখছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি জাহাজ, প্রতিটি ক্রু এবং প্রতিটি ক্যাপ্টেন যেন প্রয়োজনীয় সবকিছু পায়, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে সরকার। তিনি দীর্ঘ মোতায়েনে থাকা নাবিকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার কথাও বলেছেন। তাঁর মতে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কম বিরতি নিয়ে উত্তাল সমুদ্রে নাবিকরা যে কাজ করছেন, তা অসাধারণ।
সম্ভবত এই দুই বক্তব্যের মাঝেই বাস্তবতার একটি বড় অংশ লুকিয়ে আছে। একটি যুদ্ধজাহাজ হয়তো সামরিকভাবে তার দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে সেখানে থাকা মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ তৈরি হতে পারে। যুদ্ধের সক্ষমতা বজায় রাখা এবং সৈন্যদের মানবিক প্রয়োজন নিশ্চিত করা—দুটিই একই সঙ্গে করতে হয়।
আব্রাহাম লিংকনের দীর্ঘ মোতায়েন তাই শুধু একটি যুদ্ধজাহাজের গল্প নয়। এটি যুদ্ধের পেছনে থাকা মানুষগুলোর গল্পও। যে মানুষগুলো সংবাদ শিরোনামে খুব কমই আসে, কিন্তু মাসের পর মাস সমুদ্রের মধ্যে থেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি ধরে রাখে। তাদের জন্য একটি পরিষ্কার শাওয়ার, পর্যাপ্ত খাবার, বিশ্রামের সময়, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা কয়েক ঘণ্টা শান্তিতে ঘুমানোর সুযোগও সামরিক প্রস্তুতির অংশ।
এই পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আব্রাহাম লিংকনের পরিবর্তে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। এটি কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের মোতায়েন থেকে আব্রাহাম লিংকনের নাবিকদের কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
কিন্তু একটি জাহাজ বদলে দিলেই সমস্যার সমাধান হবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। যদি একই ধরনের দীর্ঘ মোতায়েন অন্য যুদ্ধজাহাজের ওপরও চাপ তৈরি করে, তাহলে বিষয়টি একটি বৃহত্তর কাঠামোগত সমস্যায় পরিণত হতে পারে।
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল যতই কঠোর হোক, যুদ্ধের সক্ষমতার চূড়ান্ত ভিত্তি কোনো যুদ্ধজাহাজ বা ক্ষেপণাস্ত্র নয়—মানুষ। সেই মানুষ যদি ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে কিংবা প্রয়োজনীয় মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়, তাহলে সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক যন্ত্রও একসময় তার সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হবে।
সমুদ্রের ওপর ভাসমান আব্রাহাম লিংকন তাই এখন শুধু ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক শক্তির প্রতীক নয়; এটি হয়ে উঠেছে যুদ্ধ কতটা দীর্ঘ হলে তার মূল্য সৈন্যদের ব্যক্তিগত জীবনেও পৌঁছে যায়, সেই প্রশ্নের একটি বাস্তব উদাহরণ। বাইরে থেকে রণতরীটি হয়তো এখনও আগের মতোই শক্তিশালী। কিন্তু তার ভেতরে থাকা হাজারো মানুষের ক্লান্তি, উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তা মনে করিয়ে দিচ্ছে—যুদ্ধের প্রতিটি দিনের পেছনে থাকে মানুষের শরীর, মানুষের মন এবং সহ্য করার একটি সীমা।
আপনার মতামত জানানঃ