সরকারি হিসাবে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৬ থেকে ২৭ হাজার। কিন্তু গবেষকদের হিসাবে সেই সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ। একই দুর্ভিক্ষে মৃত্যুর হিসাব নিয়ে এত বড় পার্থক্য কেন? সরকারি হিসাবের বাইরে থেকে যাওয়া মৃত্যুগুলো কি যথাযথভাবে গণনা করা হয়েছিল? আর স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মাথায় এমন ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছিল? বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত এই দুর্ভিক্ষকে ঘিরে এসব প্রশ্ন আজও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বড় খাদ্য ও মানবিক সংকট। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ কাটিয়ে দেশ যখন অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং মানুষের জীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছিল, তখনই এই দুর্যোগ আঘাত হানে। যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো, দুর্বল অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি, খাদ্যশস্যের বাজারে অস্থিরতা, বন্যা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। সেই সময় রাষ্ট্রের নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ফলে দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় তাঁর সরকারের সিদ্ধান্ত, প্রস্তুতি, খাদ্যবণ্টন নীতি এবং দরিদ্র মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিতর্কটি বোঝার জন্য ঐতিহাসিক গবেষণার দিকে তাকাতে হয়। অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তাঁর ‘Poverty and Famines’ গ্রন্থে বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সরকারি হিসাবে প্রায় ২৬ হাজার মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি মহিউদ্দিন আলমগীরের গবেষণার ভিত্তিতে অনেক বেশি মৃত্যুর অনুমানের কথা তুলে ধরেন। আলমগীরের ১৯৮০ সালের গবেষণায় ১৯৭৪ সালের আগস্ট থেকে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ অতিরিক্ত মৃত্যুর এবং পরবর্তী সময়ে আরও প্রায় পাঁচ লাখ মৃত্যুর হিসাব আলোচনায় এসেছে। এসব মৃত্যু শুধু সরাসরি অনাহারে নয়; দুর্ভিক্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত অপুষ্টি ও রোগের কারণেও ঘটে থাকতে পারে।
তবে ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যুকে নির্ভুলভাবে প্রমাণিত সরকারি সংখ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। এটি গবেষণাভিত্তিক একটি বহুল উদ্ধৃত অনুমান। দুর্ভিক্ষের সময় ও পরবর্তী পর্যায়ে অতিরিক্ত মৃত্যুর হিসাব, অপুষ্টি, কলেরা, ডায়রিয়া এবং অন্যান্য রোগের প্রভাব কীভাবে গণনা করা হয়েছে, তার ওপর মোট সংখ্যা নির্ভর করে। তা সত্ত্বেও সরকারি হিসাব ও গবেষকদের অনুমানের এই বিপুল ব্যবধান দুর্ভিক্ষের প্রকৃত ব্যাপ্তি এবং সে সময়কার তথ্য সংগ্রহব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে।
দুর্ভিক্ষের পেছনে ১৯৭৪ সালের ভয়াবহ বন্যা ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বন্যায় কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়। অনেক এলাকায় কৃষিশ্রমিক ও দিনমজুরেরা কাজ হারিয়ে ফেলেন। যাঁদের নিজস্ব জমি ছিল না, যাঁরা প্রতিদিনের মজুরির ওপর নির্ভর করে খাবার কিনতেন, তাঁদের অবস্থা দ্রুত শোচনীয় হয়ে ওঠে। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং চালের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে বহু পরিবার খাবার কিনতে অক্ষম হয়ে পড়ে।
এখানেই দুর্ভিক্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। দুর্ভিক্ষ মানেই সব সময় দেশের কোথাও কোনো খাদ্যশস্য নেই—এমন নয়। খাদ্য বাজারে থাকলেও দরিদ্র মানুষের তা কেনার সামর্থ্য না থাকলে ব্যাপক অনাহার দেখা দিতে পারে। অমর্ত্য সেনের দুর্ভিক্ষবিষয়ক বিশ্লেষণেও মানুষের খাদ্য পাওয়ার অধিকার, আয় ও ক্রয়ক্ষমতার সংকটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের পরিস্থিতিতে গ্রামীণ শ্রমিকদের আয় কমে যাওয়া এবং চালের দাম বেড়ে যাওয়া খাদ্যসংকটকে আরও তীব্র করে তোলে।
বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে প্রধান সমালোচনাগুলোর একটি ছিল, দুর্ভিক্ষের লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠার পরও খাদ্যবণ্টন ও ত্রাণব্যবস্থাকে যথেষ্ট কার্যকর করা যায়নি। যুদ্ধের পর দেশের প্রশাসন দুর্বল ছিল—এটি বাস্তবতা। খাদ্য সংগ্রহ, পরিবহন, মজুত ও আমদানির ক্ষেত্রেও নানা সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেই সবচেয়ে দরিদ্র মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ছিল। বিশেষ করে যখন গ্রামীণ এলাকায় মানুষ কাজ হারিয়ে অনাহারের মুখে পড়ছিল, তখন খাদ্যবণ্টনের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ এবং জরুরি সহায়তা বাড়ানো কতটা দ্রুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে। আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার সীমাবদ্ধতা এবং বিদেশি খাদ্যসহায়তা নিয়ে জটিলতা আমদানির সক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পাট রপ্তানি এবং কিউবায় পাটের বস্তা পাঠানো নিয়ে বিরোধের কারণে খাদ্যসহায়তা আটকে যাওয়ার ঘটনাও ইতিহাসের আলোচনায় এসেছে। স্নায়ুযুদ্ধের আন্তর্জাতিক রাজনীতি এই সংকটকে আরও জটিল করেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাধা থাকা সত্ত্বেও দেশের অভ্যন্তরে খাদ্যশস্যের মজুত, বাজার নিয়ন্ত্রণ, ত্রাণ বিতরণ এবং বিকল্প উৎস থেকে খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের গুরুত্ব কমে যায় না।
খাদ্যবণ্টনব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। শহরের রেশনভোগী জনগোষ্ঠী এবং সরকারি কর্মচারীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ বজায় রাখার চাপ ছিল। অন্যদিকে গ্রামের ভূমিহীন শ্রমিক, কৃষিশ্রমিক ও কর্মহীন মানুষদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। গবেষণায় দেখা যায়, দুর্ভিক্ষের সময় সবচেয়ে বিপন্ন মানুষদের খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে শুধু খাদ্যের মোট সরবরাহ বাড়ানো যথেষ্ট ছিল না; তাঁদের হাতে খাদ্য কেনার অর্থ বা সরাসরি খাদ্যসহায়তা পৌঁছানোও জরুরি ছিল। এই ক্ষেত্রে প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং বণ্টননীতির সীমাবদ্ধতা সংকটকে আরও গভীর করে।
দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও বিপর্যস্ত করে। কৃষিশ্রমিকদের মজুরি ও আয় চালের দামের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। কাজের অভাবে গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারগুলো খাবার কেনার সামর্থ্য হারায়। বাজারে মজুতদারি, অনিয়ম এবং ত্রাণসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগও সামনে আসে। তবে প্রতিটি অভিযোগের ব্যাপ্তি নির্ধারণের জন্য নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক নথি ও প্রমাণ প্রয়োজন। যে বিষয়টি স্পষ্ট, তা হলো—বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রাণ বিতরণে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে সংকটের বোঝা সবচেয়ে বেশি পড়ে দরিদ্র মানুষের ওপর।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিনা মূল্যে খাবার বিতরণের জন্য লঙ্গরখানা চালু করে। দুর্ভিক্ষের সময় এসব কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক মানুষ খাবার পেতেন। অমর্ত্য সেনের গবেষণায় প্রায় ছয় হাজার লঙ্গরখানার মাধ্যমে প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে সহায়তা দেওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এই তথ্য থেকে বোঝা যায়, সরকার ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল; তাই সরকার সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ছিল—এমন দাবি ঐতিহাসিকভাবে যথাযথ হবে না। তবে প্রশ্ন হলো, এই কার্যক্রম কতটা সময়মতো শুরু হয়েছিল, সংকটের চাহিদার তুলনায় তা যথেষ্ট ছিল কি না এবং সবচেয়ে বিপন্ন মানুষদের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে কতটা সফল হয়েছিল।
১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বন্যার ফলে বাংলাদেশে প্রায় দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। একই সময়ে তিনি খাদ্যসংকটের ব্যাপকতা এবং মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। সরকারের বক্তব্যে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজার বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু গবেষকদের অনেক বেশি মৃত্যুর অনুমান সরকারি হিসাবের নির্ভরযোগ্যতা এবং দুর্ভিক্ষের প্রকৃত মানবিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে।
এখানে সরকারের ভূমিকা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় আলাদা করে দেখা জরুরি। প্রথমত, যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, বন্যা, আন্তর্জাতিক খাদ্যবাজার এবং বিদেশি সহায়তার সংকট সরকারের সামনে বাস্তব বাধা তৈরি করেছিল। দ্বিতীয়ত, এসব বাধার মধ্যেও খাদ্যবণ্টন, বাজার নিয়ন্ত্রণ, আগাম সতর্কতা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং ত্রাণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ছিল। প্রথম বিষয়টি স্বীকার করলে দ্বিতীয় বিষয়টির জবাবদিহি অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায় না। বরং দুর্ভিক্ষের মতো বিপর্যয়ে সরকারের কার্যকারিতা বিচার করতে হলে উভয় দিকই বিবেচনা করতে হয়।
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও গভীর প্রভাব ফেলে। স্বাধীনতার পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল, নতুন রাষ্ট্র তাদের খাদ্য, জীবিকা ও মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কিন্তু ব্যাপক অনাহার, মূল্যস্ফীতি, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং ত্রাণ নিয়ে অসন্তোষ সরকারের প্রতি জনআস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। দুর্ভিক্ষ দেখিয়ে দেয়, শুধু স্বাধীনতা অর্জন বা রাজনৈতিক নেতৃত্বের জনপ্রিয়তা দিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করা যায় না। খাদ্যনিরাপত্তা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি কার্যকর সহায়তা রাষ্ট্র পরিচালনার অপরিহার্য অংশ।
তাহলে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে কত মানুষ মারা গিয়েছিলেন? সরকারি হিসাবে প্রায় ২৬ থেকে ২৭ হাজার মানুষের মৃত্যুর কথা বলা হলেও গবেষকদের বহুল উদ্ধৃত অনুমান প্রায় ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ। এই পার্থক্যের কারণেই মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করতে হলে সরকারি তথ্যের পাশাপাশি গবেষণালব্ধ অনুমানও বিবেচনায় নিতে হয়। তবে গবেষকদের অনুমানকে নিশ্চিত সরকারি সংখ্যা হিসেবে দেখানোও ঠিক নয়।
দুর্ভিক্ষের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শুধু কত মানুষ মারা গিয়েছিলেন, তা নয়; কেন এত মানুষ খাবার পাওয়ার সামর্থ্য হারিয়েছিলেন, কেন ত্রাণব্যবস্থা তাঁদের সবাইকে সময়মতো রক্ষা করতে পারেনি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় ঠেকাতে রাষ্ট্র কী করতে পারত—সেসব প্রশ্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময়কার এই দুর্ভিক্ষে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধোত্তর অর্থনৈতিক দুর্বলতা এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির পাশাপাশি নীতিগত ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিষয়গুলোও ইতিহাসের আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ তাই বাংলাদেশের জন্য কেবল একটি অতীতের দুর্যোগ নয়; এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব, খাদ্যবণ্টনের ন্যায্যতা এবং সরকারি জবাবদিহির একটি কঠিন ঐতিহাসিক পরীক্ষা। গবেষকদের অনুমান অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মৃত্যুর যে হিসাব বারবার আলোচনায় এসেছে, তা নিশ্চিত চূড়ান্ত সংখ্যা না হলেও দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা স্মরণ করিয়ে দেয়। ইতিহাসের এই অধ্যায় থেকে শিক্ষা হলো, খাদ্যসংকটের পূর্বাভাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, সবচেয়ে অসহায় মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ত্রাণ ও খাদ্যবণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।
আপনার মতামত জানানঃ