গুজরাতের রাজনীতির ইতিহাসে আব্দুল লতিফ এমন এক নাম, যাকে শুধু একজন গ্যাংস্টার, মদ চোরাকারবারি কিংবা আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেতা হিসেবে দেখলে গল্পের বড় একটি অংশ বাদ পড়ে যায়। আহমেদাবাদের পুরোনো শহরকেন্দ্রিক অপরাধজগত থেকে উঠে আসা এই ব্যক্তি একসময় স্থানীয় রাজনীতিতেও এমন প্রভাব বিস্তার করেছিলেন যে, কারাগারে থেকেও নির্বাচনে জয়ী হওয়ার নজির তৈরি করেন। তার অপরাধজগতের পরিচয়, রাজনৈতিক যোগাযোগ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সময় তার ভূমিকা এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচনী প্রচারে তার নামের ব্যবহার—সব মিলিয়ে আব্দুল লতিফ হয়ে ওঠেন গুজরাতের রাজনীতির একটি বিতর্কিত প্রতীকে।
১৯৫১ সালে আহমেদাবাদের ওল্ড সিটি এলাকার একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মেছিলেন আব্দুল লতিফ। সময়ের সঙ্গে তিনি অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং দাউদ ইব্রাহিমের গ্যাংয়ের সঙ্গেও তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চোরাচালান, খুন, অপহরণসহ একাধিক মামলা ছিল। তবে তার সবচেয়ে বড় ব্যবসা ছিল গুজরাতে নিষিদ্ধ মদের অবৈধ সরবরাহ ও বিক্রি। নিষেধাজ্ঞার কারণে গুজরাতে মদের কালোবাজার গড়ে উঠেছিল, আর সেই বাজারে লতিফের প্রভাব ক্রমে বাড়তে থাকে।
আশির দশকে এসে আহমেদাবাদের অপরাধজগতে তার নাম ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে যায়। তার প্রভাব শুধু অপরাধীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; পুলিশ, প্রশাসন ও রাজনীতির বিভিন্ন স্তরেও তার যোগাযোগ ছিল বলে সাংবাদিক ও গবেষকদের বিভিন্ন লেখায় উঠে এসেছে। ১৯৯৫ সালের একটি ঘটনার বর্ণনায় দেখা যায়, পুলিশ তার বাড়ির বাইরে অবস্থান করেও ভেতরে ঢুকতে দ্বিধা করেছিল। প্রবীণ সাংবাদিক প্রশান্ত দয়াল তার ‘লতিফ’ বইয়ে ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন। ঘটনাটি সত্যতা যাচাইয়ের পৃথক প্রমাণ নয়, তবে এটি সেই সময় লতিফকে ঘিরে তৈরি হওয়া ভয় ও প্রভাবের একটি চিত্র তুলে ধরে।
লতিফের জনপ্রিয়তার আরেকটি দিক ছিল তার সামাজিক যোগাযোগ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড। ১৯৮৫ সালের দাঙ্গার সময় মুসলিম অধ্যুষিত দরিদ্র এলাকায় তিনি খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা দিয়েছিলেন বলে গবেষকদের লেখায় উল্লেখ রয়েছে। ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ক্রিস্টোফ জাফ্রেলো তাকে আহমেদাবাদের ওল্ড সিটির মুসলমানদের কাছে একসময় ‘স্থানীয় রবিন হুড’-এর মতো হয়ে ওঠা ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এই জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অপরাধ, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার অভিযোগও ছিল। ফলে লতিফকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল একই সঙ্গে ভয়, নির্ভরতা, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং সামাজিক আনুগত্যের এক জটিল সম্পর্ক।
এই প্রভাবের সবচেয়ে নাটকীয় প্রকাশ ঘটে ১৯৮৭ সালের আহমেদাবাদ মিউনিসিপাল কর্পোরেশন নির্বাচনে। তখন লতিফ কারাগারে ছিলেন। তবুও তিনি দরিয়াপুর, কালুপুর, দানিলিমাদা, জামালপুর ও রায়খার—এই পাঁচটি ওয়ার্ড থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, পাঁচটি আসনেই তিনি জয়ী হয়েছেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী চারটি আসন ছেড়ে দেন।
এই নির্বাচন শুধু লতিফের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে আলোচিত হয়নি। এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় আহমেদাবাদের রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাসও। ওই নির্বাচনে বিজেপি ১২৭টি আসনের মধ্যে ৬৭টি পায়, যেখানে কংগ্রেস পায় ৩০টি। বিজেপি প্রথমবার আহমেদাবাদ মিউনিসিপাল কর্পোরেশনে ক্ষমতায় আসে।
এখানেই আব্দুল লতিফের রাজনৈতিক গল্প নতুন মাত্রা পায়। অধ্যাপক ক্রিস্টোফ জাফ্রেলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিজেপি লতিফের রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও তার অপরাধজগতের পরিচয়কে গুজরাতের রাজনীতিতে ধর্মীয় মেরুকরণের একটি উপাদান হিসেবে ব্যবহার করেছিল। তার ব্যাখ্যায়, লতিফের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের অভিযোগ তুলে বিজেপি কংগ্রেসকে মুসলিম অপরাধী ও মুসলিম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে দেখানোর চেষ্টা করেছিল।
তবে এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সবাই একমত নন। প্রবীণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিষ্ণু পান্ডিয়া মনে করেন, লতিফকে বিজেপির রাজনৈতিক উত্থানের নির্ণায়ক কারণ হিসেবে দেখাটা অতিরঞ্জিত। তার মতে, সে সময় গুজরাতে মাফিয়া ও অপরাধীদের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল দীর্ঘদিনের বাস্তবতা এবং সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের প্রধান কারণ ছিল দাঙ্গা ও বৃহত্তর সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
অর্থাৎ লতিফকে ঘিরে ইতিহাসের ব্যাখ্যাও একমুখী নয়। কেউ তাকে বিজেপির রাজনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে দেখেন, কেউ আবার মনে করেন গুজরাতের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে আরও অনেক বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ ছিল।
১৯৯৩ সালের আহমেদাবাদের এলিসব্রিজ আসনের উপনির্বাচনে লতিফের নাম আবার নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে চলে আসে। বিজেপির প্রার্থী ছিলেন হরেন পান্ডিয়া এবং সে সময় গুজরাত বিজেপির সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। জাফ্রেলোর বর্ণনা অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি প্রচারে বিজেপি কর্মীরা ভোটারদের লতিফের অপরাধ ও চাঁদাবাজির কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। ফলাফলে হরেন পান্ডিয়া প্রায় ৪৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।
এই ঘটনাকে জাফ্রেলো পরবর্তী নির্বাচনী কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখেছেন। তার মতে, ১৯৯৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লতিফকে কেন্দ্র করে তৈরি করা রাজনৈতিক বার্তা আরও বিস্তৃত হয়। লতিফ তখন ভারতে ছিলেন না; তিনি পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তবুও নির্বাচনী প্রচারে তার নাম নিয়মিত উঠে আসতে থাকে।
বিজেপি নেতারা কংগ্রেসের সঙ্গে লতিফের যোগাযোগের অভিযোগ তুলে দলটিকে মুসলিম স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করেছিল—এমন দাবি বিভিন্ন লেখায় পাওয়া যায়। প্রশান্ত দয়ালের বর্ণনা অনুযায়ী, ১৯৯৫ সালের নির্বাচনে বিজেপির কাছে লতিফ একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়। অন্যদিকে, লতিফের সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের সম্পর্কের অভিযোগের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও তখন ব্যাপক আলোচনা হয়।
সেই নির্বাচনে বিজেপি ১৮২টি আসনের মধ্যে ১২১টি জয় করে এবং কংগ্রেস পায় ৪৫টি আসন। গুজরাতের রাজনীতিতে এটি ছিল একটি বড় ক্ষমতার পরিবর্তন। তবে এই ফলাফলের একমাত্র কারণ হিসেবে লতিফকে দেখার সুযোগ নেই। রাম জন্মভূমি আন্দোলন, ১৯৮০-এর দশকের সামাজিক আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা, শহরাঞ্চলে বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার এবং জাতীয় রাজনীতির পরিবর্তন—সবকিছু মিলিয়েই সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল।
অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা আর বি শ্রীকুমারের বিশ্লেষণেও এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের কথা উঠে এসেছে। তার মতে, ১৯৮৪ সালের পর গুজরাতে সংঘ পরিবারের রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূল হতে শুরু করে। সংরক্ষণবিরোধী আন্দোলন, মুসলিমবিরোধী সহিংসতা, রাম জন্মভূমি আন্দোলন এবং পরবর্তী সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো ধীরে ধীরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেয়।
আব্দুল লতিফের গল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তার মৃত্যু। ১৯৯৭ সালের নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় জনতা পার্টি ও কংগ্রেসের জোট সরকারের সময় কথিত পুলিশ এনকাউন্টারে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পরও বিতর্ক শেষ হয়নি। বরং প্রশ্ন উঠতে থাকে—একজন অপরাধী কীভাবে এত বছর ধরে সমাজ ও রাজনীতির মধ্যে এত শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারলেন?
প্রশান্ত দয়ালের বর্ণনায়, লতিফের মৃত্যুর পর আহমেদাবাদে প্রত্যাশিত বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা দেখা যায়নি। কারণ লতিফ শুধু হিন্দুদের জন্য আতঙ্কের প্রতীক ছিলেন না; তার বিরুদ্ধে মুসলিমদের কাছ থেকেও অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল। ফলে তার অনুপস্থিতি দুই সম্প্রদায়ের বহু মানুষের জন্য স্বস্তি নিয়ে এসেছিল বলে তার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
তবুও তার নাম গুজরাতের নির্বাচনী রাজনীতি থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। বরং কয়েক দশক পরও বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে লতিফের নাম ফিরে এসেছে। ২০২৬ সালের আহমেদাবাদ মিউনিসিপাল কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরেও বিজেপির নেতাদের বক্তব্যে তার নাম উঠে আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এপ্রিল মাসে দরিয়াপুরে এক সভায় গুজরাতের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভি লতিফের সময়কার পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। একই সময়ে বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক ভূষণ ভাটও নির্বাচনী প্রচারে লতিফের নাম স্মরণ করেন। তার বক্তব্যে লতিফের সময়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়।
তবে এই প্রচারের রাজনৈতিক ফলাফলও সব জায়গায় একরকম ছিল না। যে খাদিয়া এলাকাকে দীর্ঘদিন বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হতো, সেখানেই এবারের নির্বাচনে বিজেপি পরাজিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে কোনো একটি পুরোনো রাজনৈতিক প্রতীককে সামনে আনা সবসময় একই ধরনের নির্বাচনী ফল তৈরি করে—এমন সরল সিদ্ধান্তও টানা যায় না।
আব্দুল লতিফকে ঘিরে গুজরাতের রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সম্ভবত এখানেই। একজন অপরাধীর ব্যক্তিগত ইতিহাস কীভাবে বৃহত্তর রাজনৈতিক বয়ানের অংশ হয়ে উঠতে পারে, তার একটি দীর্ঘ উদাহরণ লতিফের জীবন। অপরাধ, প্রশাসনের দুর্বলতা, রাজনৈতিক যোগাযোগ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, জনমনে নিরাপত্তাহীনতা এবং নির্বাচনী প্রচার—এই সবগুলো বিষয় তার নামের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে যুক্ত হয়েছে।
অধ্যাপক ঘনশ্যাম শাহ মনে করেন, লতিফ না থাকলে বিজেপি গুজরাতে শক্তিশালী হতে পারত না—এমন দাবি করা ঠিক নয়। তবে তিনি তাকে রাজনৈতিক আবহে একটি অনুঘটক হিসেবে দেখেন। অন্যদিকে উর্ভিশ কোঠারির মতে, লতিফ একসময় বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়ের কাছেই রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠেছিলেন, যদিও বিজেপি তার নাম থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি রাজনৈতিক সুবিধা পেয়েছিল বলে তিনি মনে করেন।
এই ভিন্ন মতগুলোই দেখায়, গুজরাতের রাজনৈতিক ইতিহাসে আব্দুল লতিফের ভূমিকা নিয়ে একক কোনো ব্যাখ্যা নেই। কেউ তাকে মেরুকরণের প্রতীক হিসেবে দেখেন, কেউ অপরাধ ও রাজনীতির যোগসূত্রের উদাহরণ হিসেবে দেখেন, আবার কেউ বৃহত্তর সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তনের একটি উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেন।
লতিফের মৃত্যু ঘটেছে প্রায় তিন দশক আগে। কিন্তু তার নাম এখনও নির্বাচনী বক্তৃতায় ফিরে আসে। কারণ লতিফ কেবল একজন ব্যক্তি নন; গুজরাতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের প্রতীক হয়ে গেছেন তিনি—যে সময়ে অপরাধজগত, রাজনীতি, ধর্মীয় পরিচয়, প্রশাসন ও নির্বাচনী কৌশল একে অন্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল।
আজকের রাজনীতিতে লতিফের প্রয়োজন আছে কি না, সে প্রশ্ন নিয়েও বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কারও মতে, তার জায়গা নিয়েছে নতুন রাজনৈতিক প্রতীক ও নতুন ইস্যু। আবার কেউ মনে করেন, লতিফের মতো পুরোনো চরিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া এখনও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ানকে সক্রিয় করার উপায়।
তবে ইতিহাসের বিচারে আব্দুল লতিফের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য সম্ভবত তার অপরাধের তালিকায় নয়, বরং সেই অপরাধকে ঘিরে কীভাবে একটি রাজনৈতিক বয়ান তৈরি হয়েছিল তাতে। একজন গ্যাংস্টারের নাম কীভাবে একটি শহরের আইনশৃঙ্খলা, একটি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাবোধ, দুটি বড় রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক এবং শেষ পর্যন্ত একটি রাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক পরিবর্তনের আলোচনায় জায়গা করে নিতে পারে—আব্দুল লতিফের কাহিনি তারই জটিল উদাহরণ।
আপনার মতামত জানানঃ