
একটি বন্দরের মান শুধু কত কনটেইনার ওঠানামা করল, তা দিয়ে বোঝা যায় না। জাহাজ কতক্ষণ অপেক্ষা করল, ট্রাক কখন পণ্য নিয়ে বের হলো, রপ্তানিকারক নির্ধারিত জাহাজ ধরতে পারলেন কি না এবং পুরো প্রক্রিয়ায় কত খরচ হলো—এসবের মধ্যেই বন্দরের প্রকৃত কার্যকারিতা ধরা পড়ে। চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তিকে এই প্রশ্নগুলো দিয়েই বিচার করা প্রয়োজন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় নিউমুরিং টার্মিনাল ও ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ডের পরিচালনা-ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব যাচ্ছে দুবাই সরকারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটির কাছে। জমি ও অবকাঠামোর মালিকানা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছেই থাকছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সামনে এখন প্রশ্ন হচ্ছে, একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদের ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক দক্ষতা যুক্ত করে বাড়তি কী সুবিধা পাওয়া যাবে।
চুক্তি থেকে যে পরিবর্তনের আশা
বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো চুক্তির সারসংক্ষেপের ভিত্তিতে জানিয়েছে, অপারেটরের প্রায় ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের কথা আছে। প্রতি টিইইউতে গড় আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্বের অংশ ৪০ থেকে ৬৭ শতাংশ। কার্যসম্পাদনের লক্ষ্যের মধ্যে ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ধাপে ধাপে ৯০ মিনিটে নামানো, দ্বিতীয় বছর থেকে ক্রেনের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং কাগজবিহীন কার্যক্রম রয়েছে। বিদ্যমান কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা ও বেতন-সুবিধা বহাল রাখার কথাও প্রতিবেদনে এসেছে। এগুলো প্রকাশিত সারসংক্ষেপের শর্ত ও লক্ষ্য; বাস্তবে কতটা অর্জিত হবে, তা পর্যবেক্ষণের বিষয়।
এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা রয়েছে কাজের সমন্বয়ে। একটি জাহাজ থেকে কনটেইনার নামানোর পর সেটি কোথায় রাখা হবে, কোন ট্রাক কখন আসবে, রপ্তানি কনটেইনার কোন ক্রমে জাহাজে উঠবে—এসব কাজ আলাদা আলাদা ভালোভাবে করলেও পুরো ব্যবস্থা ধীর হতে পারে। আধুনিক টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, আগাম পরিকল্পনা এবং যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ একসঙ্গে কার্যকর হলে অপেক্ষা ও অপ্রয়োজনীয় কনটেইনার সরানো কমানো সম্ভব।
রপ্তানিকারকের কাছে এর অর্থ হতে পারে নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠানোর বেশি নিশ্চয়তা। আমদানিকারকের কাছে এর অর্থ হতে পারে কাঁচামাল পাওয়ার অনিশ্চয়তা কমা। তবে বিনিয়োগের ঘোষণা থেকে এসব ফলাফলে পৌঁছাতে সময় লাগে। নতুন যন্ত্রপাতি কেনা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পুরোনো তথ্যব্যবস্থার সঙ্গে নতুন ব্যবস্থার সংযোগ এবং দায়িত্ব হস্তান্তর—প্রতিটি ধাপের নির্দিষ্ট সময়সূচি থাকা জরুরি।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের নেটওয়ার্ক কেন গুরুত্বপূর্ণ
ডিপি ওয়ার্ল্ডের শক্তি বোঝার জন্য শুধু বন্দরগুলোর তালিকা দেখলে হবে না। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা টার্মিনাল পরিচালনা, সামুদ্রিক সেবা, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং এবং গুদাম ও বিতরণব্যবস্থায় বিস্তৃত। তাদের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং নেটওয়ার্কে প্রায় ৩০০ শাখা, চুক্তিভিত্তিক লজিস্টিকস কার্যক্রমে ৫০০টির বেশি স্থান এবং মেরিন সার্ভিসেস বিভাগে ২০০টির বেশি বন্দরের সঙ্গে যুক্ত ৫০০টির বেশি নৌযান রয়েছে। শেষ সংখ্যাটি সবই কনটেইনারবাহী বড় জাহাজ—এমন অর্থ করে না।
২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক টার্মিনাল পোর্টফোলিওতে ৯ কোটি ৩৪ লাখ টিইইউ কনটেইনার পরিচালিত হয়েছে; ঘোষিত সক্ষমতা ছিল ১০ কোটি ৯০ লাখ টিইইউ। টিইইউ হলো ২০ ফুট কনটেইনারের সমতুল্য পরিমাপ। সক্ষমতা ও বাস্তবে পরিচালিত পরিমাণ পৃথক বিষয়।
নেটওয়ার্কটির গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ মধ্যপ্রাচ্যের জেবেল আলী, যুক্তরাজ্যের লন্ডন গেটওয়ে এবং দক্ষিণ আমেরিকার পসোরহা। লাতিন আমেরিকায় সান্তোস, কাইয়েদো ও কাইয়াওতেও প্রতিষ্ঠানটির টার্মিনাল কার্যক্রম রয়েছে। ভারতে মুন্দ্রা টার্মিনালের একটি সেবার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের সংযোগের উদাহরণ পাওয়া যায়।
ডিপি ওয়ার্ল্ড এর এই উপস্থিতি চট্টগ্রাম বন্দরকে তিনভাবে সাহায্য করতে পারে। প্রথমত, বিভিন্ন বন্দরে ব্যবহৃত পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভিজ্ঞতা এখানে প্রয়োগের সুযোগ থাকে। দ্বিতীয়ত, শিপিং লাইন ও আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন সেবা নিয়ে আলোচনায় সহায়ক হতে পারে। তৃতীয়ত, বিদেশের গুদাম ও বিতরণব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ বাংলাদেশি রপ্তানিকারকের জন্য আরও সমন্বিত পণ্য পরিবহন সেবা তৈরি করতে পারে। এগুলো নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সুবিধা সম্পর্কে বিশ্লেষণ; চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ঘোষিত নিশ্চিত সেবা নয়।
বিশেষ করে পচনশীল কৃষিপণ্য বা সময়সংবেদনশীল শিল্পপণ্যের ক্ষেত্রে শুধু বন্দরের গতি যথেষ্ট নয়। পণ্য পৌঁছানোর সময়, শীতল সংরক্ষণ এবং গন্তব্যে বিতরণের ধারাবাহিকতা দরকার। ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিস্তৃত কার্যক্রম এসব নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু এনসিটি পরিচালনার চুক্তি হলেই পুরো আন্তর্জাতিক লজিস্টিকস সেবা বাংলাদেশে চালু হয়ে যাবে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। প্রয়োজন আলাদা বিনিয়োগ, বাণিজ্যিক সমঝোতা ও বাজারের চাহিদা।
গতির চেয়েও বড় পরিবর্তন: নির্ভরযোগ্যতা
চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণগত পরিবর্তন হতে পারে সেবার পূর্বানুমানযোগ্যতা। ব্যবসায়ী যদি জানেন, স্বাভাবিক অবস্থায় তাঁর পণ্য কত সময়ে ছাড় হবে, তাহলে কারখানার উৎপাদন, মজুত ও রপ্তানির সময়সূচি আরও ভালোভাবে সাজাতে পারবেন। অনিশ্চয়তা থাকলে তাঁকে বাড়তি মজুত রাখতে হয়, আগে থেকে পণ্য পাঠাতে হয় অথবা শেষ মুহূর্তের বিকল্প পরিবহনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়।
এ জন্য গড় সময়ের পাশাপাশি অস্বাভাবিক বিলম্বও মাপতে হবে। অধিকাংশ ট্রাক দ্রুত বের হলেও কিছু ট্রাক দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকলে ব্যবহারকারীর সমস্যা থেকে যায়। একইভাবে একটি ক্রেনের ভালো ফলাফল দিয়ে পুরো টার্মিনালের মান বোঝা যায় না। যন্ত্রপাতির সচলতা, জাহাজের অপেক্ষা, ইয়ার্ডের জট এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার হার একসঙ্গে দেখতে হবে।
কাগজবিহীন কার্যক্রমও গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল নথি ও নিরীক্ষাযোগ্য সিদ্ধান্তের রেকর্ড তৈরি হলে অপ্রয়োজনীয় ঘোরাঘুরি কমতে পারে এবং বিলম্বের দায় শনাক্ত করা সহজ হয়। তবে একটি কাগজের ফরমকে অনলাইন ফরমে রূপ দিলেই সংস্কার সম্পন্ন হয় না। একই তথ্য বারবার চাওয়া, অনুমোদনের অপ্রয়োজনীয় ধাপ এবং বন্দরের সঙ্গে কাস্টমসের তথ্য বিনিময়ের সমস্যা দূর করতে হবে।
টার্মিনালের বাইরে যে সীমাবদ্ধতা
ডিপি ওয়ার্ল্ড এনসিটির পরিচালনার দায়িত্ব নিলেও পুরো বন্দরের সব সমস্যা তার নিয়ন্ত্রণে আসবে না। কাস্টমস পরীক্ষা, অন্য সংস্থার ছাড়পত্র, সড়কের যানজট, রেল ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের সীমাবদ্ধতা—এসব কারণে পণ্য আটকে থাকতে পারে। টার্মিনালে কনটেইনার দ্রুত নামলেও কাস্টমস ছাড়পত্র দেরি হলে ব্যবসায়ী পূর্ণ সুবিধা পাবেন না।
একই কারণে আন্তর্জাতিক অপারেটর আসা মানেই বড় জাহাজের সরাসরি ইউরোপ বা আমেরিকায় যাতায়াত নিশ্চিত নয়। জাহাজের আকার নির্ভর করে নৌপথের গভীরতা, জেটির সীমা, নিরাপদ নৌচলাচল ও পর্যাপ্ত পণ্যসম্ভারের ওপর। শিপিং লাইন রুট নির্বাচন করে নিজস্ব বাণিজ্যিক হিসাবেও। ডিপি ওয়ার্ল্ডের যোগাযোগ সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এনসিটির ব্যবস্থাপনা চুক্তিকে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির সমতুল্য ধরে নেওয়া যাবে না।
আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো খরচ। দ্রুত কাজ হলে অপেক্ষাজনিত ব্যয় কমতে পারে। কিন্তু নতুন মাশুল বা অতিরিক্ত সেবার চার্জ সেই সাশ্রয়ের অংশ নিয়ে নিতে পারে। তাই শুধু টার্মিনালের উৎপাদনশীলতা কিংবা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় বাড়ল কি না, তা দেখলে চলবে না। আমদানি-রপ্তানিকারকের মোট ব্যয় কত বদলাল, সেটিই অর্থনৈতিক সুফলের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
বাংলাদেশের লাভ নিশ্চিত করার শর্ত
এনসিটি আগে থেকেই চালু একটি টার্মিনাল। তাই বিনিয়োগের মূল্য বিচার করতে হবে বিদ্যমান অবকাঠামো, সরকারি আয় এবং নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উন্নতির সম্ভাবনার সঙ্গে তুলনা করে। প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক অপারেটর যে বাড়তি ফল দেবে, তা কি তার আয় ও প্রদত্ত অধিকারকে যৌক্তিক করে? এই তুলনার জন্য নিরীক্ষিত আর্থিক তথ্য ও স্বাধীন মূল্যায়ন দরকার।
একইভাবে ৪০ থেকে ৬৭ শতাংশ রাজস্বের অংশ শুনলেই রাষ্ট্রের লাভের সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না। কোন আয় ভাগ হবে, কী ব্যয় কে বহন করবে, বিনিয়োগ কখন হবে এবং মাশুল পরিবর্তনের ক্ষমতা কার হাতে থাকবে—এসব জানা প্রয়োজন। চুক্তির পূর্ণ পাঠ হাতে না থাকায় এসবের নির্দিষ্ট উত্তর এখানে দেওয়া সম্ভব নয়।
মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে থাকার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগের সক্ষমতাও প্রয়োজন। বন্দর কর্তৃপক্ষকে সেবার মান যাচাই, ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত, তথ্য নিরীক্ষা এবং শর্ত ভঙ্গ হলে প্রতিকার আদায়ে সক্ষম হতে হবে। সংশ্লিষ্ট পরিবহন প্রতিষ্ঠানের প্রতি পক্ষপাত ঠেকাতে সব শিপিং লাইন ও ব্যবহারকারীর জন্য সমান সুযোগের নীতিও গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রমিকদের জন্য বর্তমান চাকরি ও সুবিধা রক্ষার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা দরকার। প্রযুক্তি বদলালে কাজের ধরনও বদলাবে। স্থানীয় কর্মীরা নতুন দক্ষতা অর্জন করলে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সুফল দেশে থাকবে। মেয়াদ শেষে রাষ্ট্র যেন কার্যকরভাবে টার্মিনাল চালাতে পারে, সে জন্য প্রযুক্তি, তথ্য এবং ব্যবস্থাপনার জ্ঞান হস্তান্তরের প্রস্তুতি শুরু থেকেই থাকা প্রয়োজন।
চুক্তির সাফল্য মূল্যায়নের জন্য এখনকার অবস্থার তথ্য সংরক্ষণ করে ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রকাশ করা যেতে পারে। জাহাজের অপেক্ষা, কনটেইনারের অবস্থানকাল, ট্রাকের সময়, যন্ত্রপাতির সচলতা, বিনিয়োগের অগ্রগতি এবং ব্যবহারকারীর মোট খরচ—এসব সূচক প্রকাশ পেলে উন্নতির দাবি যাচাই করা সম্ভব হবে।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের অভিজ্ঞতা চট্টগ্রামের জন্য একটি বাস্তব সুযোগ। সেই সুযোগের মূল্য বোঝা যাবে দ্রুত জাহাজ ছাড়লে, নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছালে, শ্রমিকের দক্ষতা বাড়লে এবং ব্যবসায়ীর খরচ কমলে। আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কতটা সুবিধা আনবে, তার উত্তর তৈরি হবে চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিদিনের কাজে।
সম্ভাব্য পরিবর্তন: প্রকাশনায় ব্যবহারযোগ্য সংক্ষিপ্ত সারণি
| ক্ষেত্র | সম্ভাব্য গুণগত পরিবর্তন | ফল পাওয়ার শর্ত |
|---|---|---|
| জাহাজ ও ক্রেন | অপেক্ষা কমা, দ্রুত ওঠানামা | পরিকল্পনা, সচল যন্ত্রপাতি, মাপযোগ্য লক্ষ্য |
| ইয়ার্ড ও ট্রাক | কম অপ্রয়োজনীয় সরানো, নির্ভরযোগ্য সময় | গেট ও ট্রাকসূচির সমন্বয়, ইয়ার্ড সফটওয়্যার |
| তথ্য ও নথি | পণ্য অনুসরণ, কম কাগজ, দায় শনাক্ত | কাস্টমস সংযোগ, তথ্যের নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার |
| আন্তর্জাতিক সেবা | নতুন রুট ও সমন্বিত পরিবহনের সুযোগ | পণ্যসম্ভার, নৌপথের উপযোগিতা, শিপিং লাইনের সিদ্ধান্ত |
| ব্যবসার খরচ | অপেক্ষা ও বাড়তি মজুতের ব্যয় কমা | মাশুলসহ মোট ব্যয় নিয়ন্ত্রণ |
| শ্রম ও প্রতিষ্ঠান | দক্ষতা ও স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি | প্রশিক্ষণ, অধিকার রক্ষা, কার্যকর জ্ঞান হস্তান্তর |
আপনার মতামত জানানঃ