বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নিয়ে বড় ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল এক দশক আগে। ২০১৬ সালের হলি আর্টিজান হামলার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে জঙ্গি নেটওয়ার্কের বড় একটি অংশ ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিচ্ছিন্ন কিছু তৎপরতা ধরা পড়লেও বড় ধরনের সাংগঠনিক সক্ষমতার প্রমাণ তুলনামূলকভাবে কমই দেখা গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে—বাংলাদেশে কি জঙ্গিবাদ নতুন কৌশল ও নতুন সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছে?
ঢাকার সাভারে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। গত মঙ্গলবার হেমায়েতপুর থেকে মোহাম্মদ আরিফ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে পাঁচটি বোমা ও ছুরিসদৃশ তিনটি বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরও ১১টি পাইপবোমা ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের কথা বলা হয়েছে। পরদিন সাভারের সাধাপুর এলাকায় একটি মসজিদের মাঠ থেকেও একটি সন্দেহভাজন প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার করা হয় এবং সেটি বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল নিষ্ক্রিয় করে।
এসব ঘটনা বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে হয়তো এগুলোকে কয়েকটি বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কিন্তু তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসা তথ্যগুলোকে পাশাপাশি রাখলে চিত্রটি আরও উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, এসব ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য জেএমবির সদস্যদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় ব্যবহৃত বিস্ফোরক ও অন্যান্য উপকরণের মধ্যেও মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। ফলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, ঘটনাগুলোর মধ্যে সাংগঠনিক যোগাযোগ থাকতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জঙ্গিদের যোগাযোগের ধরনেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার আরিফ জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, নব্য জেএমবির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ‘প্রটেকটেড টেক্সট’ বা পিটি নামের একটি ওয়েবসাইট এবং অর্থ লেনদেনের জন্য ‘ইলিমেন্ট’ নামের একটি অ্যাপ ব্যবহার করতেন। অর্থাৎ, জঙ্গিবাদী নেটওয়ার্ক শুধু অস্ত্র ও বিস্ফোরকের ওপর নির্ভর করে না; প্রযুক্তি, গোপন যোগাযোগ এবং অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও নিজেদের সংগঠিত রাখার চেষ্টা করছে।
এখানেই বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। জঙ্গিবাদ যখন প্রকাশ্য সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে না, তখন সেটি ছোট ছোট সেল, সীমিত যোগাযোগ এবং গোপন অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করতে পারে। এতে একটি সংগঠনকে পুরোপুরি শনাক্ত ও ধ্বংস করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য কঠিন হয়ে যায়। একজন সদস্য গ্রেপ্তার হলেও অন্যরা আলাদা যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।
সাভারের ঘটনাগুলোতে আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে নজরে এসেছে—চলাফেরার ধরন। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ পিঠের ব্যাগ বহন করতেন এবং সেই ব্যাগে অস্ত্র ও বিস্ফোরক রাখতেন। তল্লাশির মুখে পড়লে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কৌশলও তাঁরা অনুসরণ করতে পারেন বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন। এটি সত্য হলে বোঝা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ এড়িয়ে দ্রুত স্থান পরিবর্তন এবং আকস্মিক হামলার সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে এসব তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশে বড় ধরনের জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান ঘটেছে—এমন সিদ্ধান্তে এখনই পৌঁছানো ঠিক হবে না। কারণ তদন্ত এখনো চলমান এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের পাশাপাশি আদালত, ফরেনসিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য তদন্তের ফলও বিবেচনায় নিতে হবে। বরং বলা যায়, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো জঙ্গিবাদের সম্ভাব্য পুনর্গঠন বা পুনঃসংগঠিত হওয়ার একটি সতর্কসংকেত। এই সংকেতকে অবহেলা করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের পুনরুত্থানের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে গেলে অতীত অভিজ্ঞতার দিকে তাকানো জরুরি। হলি আর্টিজানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক অভিযানে জঙ্গি সংগঠনগুলোর প্রকাশ্য কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। নেতৃত্বের একটি বড় অংশ গ্রেপ্তার বা নিহত হয়, অনেক সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং অর্থায়নের পথেও চাপ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু কোনো জঙ্গি মতাদর্শকে শুধু কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুরোপুরি নির্মূল করা যায় না। মতাদর্শ, অনলাইন প্রচার, ব্যক্তিগত যোগাযোগ, অর্থায়ন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের পথ যদি কোনোভাবে টিকে থাকে, তাহলে পুরোনো সংগঠন দুর্বল হলেও নতুন ছোট সেল তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই ঝুঁকিটিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। বড় আকারের প্রশিক্ষণশিবির বা প্রকাশ্য সাংগঠনিক কাঠামোর বদলে ছোট সেলভিত্তিক কর্মকাণ্ড জঙ্গিদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হতে পারে। একজন বা কয়েকজন সদস্য আলাদাভাবে চলাফেরা করতে পারে, গোপন যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একত্রিত হতে পারে। এতে গোয়েন্দা নজরদারির কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো প্রযুক্তির ব্যবহার। অতীতে জঙ্গি সংগঠনগুলোর যোগাযোগের জন্য সরাসরি সাক্ষাৎ, চিঠিপত্র বা প্রচলিত যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নির্ভরতার সুযোগ বেশি ছিল। এখন এনক্রিপশন, অপ্রচলিত ওয়েবসাইট, বিভিন্ন অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কারণে যোগাযোগের ধরন বদলে গেছে। প্রযুক্তি নিজে কোনো সমস্যা নয়; কিন্তু অপরাধী বা জঙ্গি নেটওয়ার্ক যখন প্রযুক্তির আড়াল ব্যবহার করে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার গোয়েন্দা সক্ষমতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
অর্থায়নের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি জঙ্গি নেটওয়ার্ক টিকে থাকতে হলে শুধু সদস্য ও মতাদর্শ থাকলেই হয় না; অর্থের প্রয়োজন হয়। বিস্ফোরক বা অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ, যাতায়াত, নিরাপদ আশ্রয় এবং যোগাযোগ—সবকিছুর সঙ্গে অর্থ জড়িত। তাই জঙ্গিবাদ দমনে শুধু বিস্ফোরক উদ্ধার বা গ্রেপ্তার নয়, অর্থের উৎস ও লেনদেনের ধরণ শনাক্ত করাও জরুরি।
সাভারের ঘটনাগুলোর সঙ্গে অতীতের কয়েকটি ঘটনার মিল পাওয়া যাচ্ছে বলেও তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা এবং আশুলিয়ার একটি দোকান থেকে উদ্ধার হওয়া প্রেশার কুকার বোমায় একই ধরনের কিছু উপকরণ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে সত্যিই কোনো সাংগঠনিক যোগসূত্র আছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে। তবে একই ধরনের বিস্ফোরক ও কৌশলের পুনরাবৃত্তি হলে বিষয়টি নিঃসন্দেহে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
এখানে রাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ শুধু জঙ্গিদের শনাক্ত করা নয়; একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও। একের পর এক জনবহুল বা গুরুত্বপূর্ণ স্থানের আশপাশে সন্দেহজনক বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করতে পারে। আবার অতিরিক্ত আতঙ্কও জঙ্গিদের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে। তাই প্রশাসনের দায়িত্ব হলো দ্রুত, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীলভাবে তথ্য জানানো এবং গুজব ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ কমানো।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। জঙ্গিবাদ নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের সময় তথ্যের গুরুত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। জঙ্গিদের প্রচার, হামলার কৌশল বা বিস্ফোরক তৈরির বিস্তারিত তথ্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে তুলে ধরলে তা অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের প্রচারণাকে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে তদন্তাধীন অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করে আইনগত অবস্থান স্পষ্ট রাখা জরুরি।
বাংলাদেশের জন্য আশার জায়গা হলো, অতীতের তুলনায় জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা বেড়েছে। কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, অ্যান্টিটেররিজম ইউনিট এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ও আগের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে জঙ্গিবাদও স্থির কোনো হুমকি নয়। সংগঠন দুর্বল হলে কৌশল বদলায়, যোগাযোগব্যবস্থা বদলায়, সদস্য সংগ্রহের পদ্ধতি বদলায়। ফলে রাষ্ট্রের প্রতিরোধব্যবস্থাকেও একইভাবে পরিবর্তনশীল হতে হবে।
সবচেয়ে জরুরি হলো, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে না দেখে একটি বৃহত্তর নিরাপত্তা প্রশ্নের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা। একই ব্যক্তিদের একাধিক ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার তথ্য, বিস্ফোরক উদ্ধারের পুনরাবৃত্তি, গোপন যোগাযোগ এবং অর্থ লেনদেন—এসব যদি তদন্তে সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা একটি পুনর্গঠিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দিতে পারে। আবার তদন্তে যদি ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায়, সেটিও স্বচ্ছভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই মূলত দুই স্তরের। প্রথমটি আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থা—যেখানে সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধ, নেটওয়ার্ক শনাক্ত, অর্থায়ন বন্ধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। দ্বিতীয়টি সামাজিক ও আদর্শিক—যেখানে তরুণদের উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়ার কারণ, অনলাইন র্যাডিক্যালাইজেশন, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং উগ্র মতাদর্শের প্রচার মোকাবিলা করতে হবে।
সাভারে সাম্প্রতিক বোমা উদ্ধারের ঘটনাগুলো তাই শুধু কয়েকটি বিস্ফোরক উদ্ধারের খবর নয়। এগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সামনে একটি পুরোনো কিন্তু পরিবর্তিত হুমকির নতুন সংকেতও হতে পারে। এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, কিন্তু আত্মতুষ্টিরও সুযোগ নেই। কারণ জঙ্গিবাদ যখন প্রকাশ্য মিছিল বা বড় সংগঠনের পরিবর্তে ছোট সেল, গোপন যোগাযোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নেটওয়ার্কের আড়ালে ফিরে আসার চেষ্টা করে, তখন তাকে শনাক্ত করতে আরও সূক্ষ্ম গোয়েন্দা নজরদারি প্রয়োজন হয়।
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে একবার বড় মূল্য দিয়ে শিখেছে, জঙ্গিবাদের ছোট সংকেতকে অবহেলা করার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। তাই সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর প্রতিটি সূত্র, প্রতিটি অর্থের প্রবাহ এবং প্রতিটি সাংগঠনিক যোগাযোগ গভীরভাবে অনুসন্ধান করা জরুরি। একই সঙ্গে তরুণ সমাজকে উগ্রবাদ থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সাভারের ঘটনাগুলো শেষ পর্যন্ত একটি বিচ্ছিন্ন চক্রের প্রমাণিত হয়, নাকি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের নতুন কোনো অধ্যায়ের সূচনা—তার উত্তর দেবে তদন্ত। কিন্তু আপাতত যে বার্তাটি সবচেয়ে স্পষ্ট, তা হলো: জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষ হয়নি; শুধু তার রূপ বদলেছে।
আপনার মতামত জানানঃ