“আপনার সঙ্গে কেউ নেই?”, “আপনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত?”, “আপনার পরিবার জানে?”, “মেয়েদের একা যেতে দেওয়া হবে না”—ভ্রমণের পথে এমন প্রশ্ন একজন নারীকে কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারে, তা হয়তো দূর থেকে বোঝা কঠিন। অথচ বাংলাদেশে একা কিংবা কয়েকজন নারী মিলে ভ্রমণ করতে গিয়ে অনেক নারীই এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। ভ্রমণ যেখানে মানুষের স্বাধীনতা, আনন্দ ও নতুন কিছু জানার সুযোগ হওয়ার কথা, সেখানে নারীদের জন্য সেটিই কখনো কখনো হয়ে উঠছে জিজ্ঞাসাবাদ, সন্দেহ এবং নিরাপত্তাহীনতার অভিজ্ঞতা।
সম্প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বাংলাদেশ থেকে নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাদের অভিযোগ, প্রশ্নের ধরন ও পরিস্থিতি এতটাই অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল যে শেষ পর্যন্ত তারা নেপাল সফরে যেতে পারেননি। ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগীরা উচ্চ আদালতেরও দ্বারস্থ হয়েছেন। আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ দর্শানোর রুল জারি করেছে। এই ঘটনা আবারও সামনে এনেছে একটি পুরোনো প্রশ্ন—একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী নিজের ইচ্ছায় ভ্রমণ করতে চাইলে তাকে কেন বারবার নিজের সিদ্ধান্তের বৈধতা প্রমাণ করতে হবে?
দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা যাচাই অবশ্যই প্রয়োজন। একজন যাত্রী কোথায় যাচ্ছেন, কতদিন থাকবেন, কোথায় থাকবেন, ফেরার টিকিট আছে কি না, ভ্রমণের খরচ বহনের সামর্থ্য আছে কি না—এসব তথ্য যাচাই করা স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন যাচাইয়ের প্রয়োজনীয় প্রশ্নের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন, বৈবাহিক অবস্থা, পরিবারের অনুমতি বা একজন নারীর সঙ্গে পুরুষ সঙ্গী আছে কি না—এসব বিষয়কে এমনভাবে যুক্ত করা হয়, যা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বাংলাদেশের ভেতরেও একা নারী ভ্রমণকারীদের অভিজ্ঞতা খুব একটা ভিন্ন নয়। ২৫ বছর বয়সী তাহুরা সুলতানা রেখা নিয়মিত দেশে-বিদেশে ভ্রমণ করেন। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় তিনি কখনো একা, কখনো দল নিয়ে ঘুরেছেন। তার অভিজ্ঞতায়, পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের সময় নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাম্পে প্রবেশের তথ্য দিতে হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই কখনো কখনো নারী হিসেবে তাকে আলাদা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
একবার আলীকদমের প্রত্যন্ত এলাকায় যাওয়ার সময় একটি ক্যাম্পে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, একা নারীদের প্রবেশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। তার সঙ্গে পুরুষ কেউ নেই—এই বিষয়টিই যেন হয়ে উঠেছিল মূল সমস্যা। পরে দলের একজন পুরুষ সদস্যকে সামনে আনতে হয়। অন্য একটি ঘটনায়, একটি নারী একটি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন—এটিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে অস্বাভাবিক বলে মনে হয়েছিল বলে তিনি জানান।
এখানে প্রশ্নটি শুধু একজন নারী কোথায় যাচ্ছেন, তা নয়। প্রশ্ন হলো, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী নিজের ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে, দল পরিচালনা করতে কিংবা একা কোথাও যেতে সক্ষম—এই ধারণাটি সমাজ ও প্রতিষ্ঠান কতটা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারছে?
বাংলাদেশে একা নারী ভ্রমণের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো থাকার ব্যবস্থা। ঢাকায় একটি বায়িং হাউজে কর্মরত সুবর্ণা ওয়াহিদ, যিনি নিজের পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, দুই বছর আগে একা কক্সবাজার গিয়ে হোটেলে রুম পেতে সমস্যায় পড়েছিলেন বলে জানান। তার জাতীয় পরিচয়পত্র দেখানোর পরও তাকে বারবার জিজ্ঞেস করা হয় তিনি একা কেন, বিবাহিত নাকি অবিবাহিত এবং তার সঙ্গে কেউ নেই কেন। শেষ পর্যন্ত পরিবারের একজন সরকারি কর্মকর্তা সদস্য ফোন করার পর তিনি হোটেলে থাকার সুযোগ পান বলে জানান।
এই অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি গভীর সামাজিক বাস্তবতা লুকিয়ে আছে। একজন পুরুষ একা হোটেলে উঠলে সেটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু একজন নারী একা হোটেলে উঠতে চাইলে তার ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক কিংবা পরিবারের অনুমতির বিষয়টি হঠাৎ করেই আলোচনায় চলে আসে। যেন একজন নারীর একা থাকা নিজেই সন্দেহের কারণ।
এর ফলও অনেক সময় সরাসরি ভ্রমণ পরিকল্পনার ওপর পড়ে। ওই নারী কক্সবাজারের পর সিলেট যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু প্রথম গন্তব্যেই থাকার জায়গা নিয়ে সমস্যায় পড়ার পর শেষ পর্যন্ত তার পরবর্তী সফর বাতিল করতে হয়। অর্থাৎ একটি প্রশাসনিক বা সামাজিক বাধা শুধু একটি রাতের থাকার সমস্যাই তৈরি করছে না; সেটি একজন নারীর পুরো ভ্রমণ পরিকল্পনাকেও বদলে দিতে পারে।
তবে বাংলাদেশের সব জায়গার অভিজ্ঞতা যে নেতিবাচক, তা নয়। নারী ভ্রমণকারীদের অনেকেই স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতার কথাও বলেছেন। জান্নাতুল ফেরদৌসি মানু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একা ভ্রমণ করেছেন। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় তার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের অনেক এলাকার স্থানীয় মানুষ ভ্রমণকারীদের সাহায্য করেন এবং আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে তার ভ্রমণের অভ্যাসেও পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তার উদ্বেগ বেড়েছে বলে তিনি জানান। আগে রাতে একা যাতায়াত করলেও এখন ডাকাতি, সড়ক দুর্ঘটনা কিংবা অন্য ধরনের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে রাতে একা ভ্রমণ এড়িয়ে চলেন। তার মতে, অনেক নারীও এখন সাধারণ মিশ্র গ্রুপের বদলে শুধু নারীদের নিয়ে গঠিত গ্রুপে ভ্রমণ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
এখানেই নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বন্দ্ব দেখা যায়। একজন নারী স্বাধীনভাবে ভ্রমণ করতে চান, কিন্তু একই সঙ্গে তাকে নিজের নিরাপত্তার দায়িত্বও নিতে হয়। ফলে ভ্রমণের আগে তাকে শুধু গন্তব্য, বাজেট ও সময়ের কথা ভাবলেই হয় না; ভাবতে হয় কোন রুট নিরাপদ, রাতে কোথায় থাকা যাবে, কোথায় স্থানীয়দের আচরণ কেমন হতে পারে, কোথায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে পারেন এবং প্রয়োজনে কার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
যাত্রাপথেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়েছেন কেউ কেউ। বাসে বা সড়কে চেকিংয়ের সময় অনেক যাত্রীর পরিবর্তে একা নারী বা অল্প কয়েকজন নারীকে বেশি প্রশ্ন করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। ভ্রমণকারী এলিজা বিনতে এলাহী একবার কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে একটি চেকপয়েন্টে তার ও তার ছোট ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, একই বাসের অন্য অনেক যাত্রীর ক্ষেত্রে এমন প্রশ্ন করা হয়নি।
তবে এলিজার ভ্রমণজীবন আবার অন্য একটি দিকও দেখায়। তিনি দেশের ৬৪ জেলায় ঘুরেছেন এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা নিয়ে কাজ করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণের সময় কখনো স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়েছে, কখনো পরিত্যক্ত বা দখল হয়ে থাকা ঐতিহাসিক স্থানে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। কিন্তু এসব অভিজ্ঞতা তাকে ভ্রমণ থেকে বিরত করেনি। বরং সম্ভাব্য সমস্যার কথা মাথায় রেখেই তিনি প্রস্তুতি নিয়ে বের হন।
দেশের বাইরে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলনা করলেও বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। নারী ভ্রমণকারীরা জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইমিগ্রেশনেও প্রশ্ন করা হয় এবং কখনো কখনো সেগুলো কঠিন হতে পারে। কিন্তু সাধারণত ভ্রমণের উদ্দেশ্য, থাকার জায়গা, টিকিট, ভ্রমণসূচি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার মতো বিষয় পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারলে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যায়। অর্থাৎ প্রশ্ন থাকা সমস্যা নয়; প্রশ্নের প্রাসঙ্গিকতা, পদ্ধতি এবং যাত্রীর সঙ্গে আচরণই গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে নারী পর্যটনকে এগিয়ে নিতে হলে তাই শুধু নতুন পর্যটনকেন্দ্র তৈরি করলেই হবে না। প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে একজন নারী একা ভ্রমণ করলেও তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হবে না। হোটেল কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে, যাতে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত প্রশ্নের মুখোমুখি হতে না হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা যাচাইও হতে হবে পেশাদার ও নির্দিষ্ট নিয়মের ভিত্তিতে।
একই সঙ্গে পর্যটন এলাকাগুলোতে নারীবান্ধব অবকাঠামোও জরুরি। নিরাপদ গণপরিবহন, পর্যাপ্ত আলো, নির্ভরযোগ্য হোটেল, জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত পর্যটন পুলিশ ও দ্রুত অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকলে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ অনেকটাই কমতে পারে।
পরিবারের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনেক সময় নারীকে ভ্রমণে যেতে দেওয়া হবে কি না, সেটি তার নিজের সিদ্ধান্তের চেয়ে পরিবারের সামাজিক ধারণার ওপর বেশি নির্ভর করে। “মেয়ে একা যাবে কেন?”, “কে সঙ্গে থাকবে?”, “মানুষ কী বলবে?”—এই প্রশ্নগুলো ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের স্বাধীন চলাচলকে সীমিত করে। ফলে ভ্রমণ শুধু একটি বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড থাকে না; এটি হয়ে ওঠে সামাজিক অনুমোদনের একটি বিষয়।
অন্যদিকে নারীদেরও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র, জরুরি যোগাযোগের নম্বর, থাকার জায়গার নিশ্চিত বুকিং, যাতায়াতের পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত অর্থ, ফোনে জরুরি অবস্থার ব্যবস্থা এবং ভ্রমণসূচি পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্যকে জানিয়ে রাখা—এসব সতর্কতা স্বাধীনতাকে কমায় না; বরং স্বাধীনভাবে ভ্রমণের সক্ষমতা বাড়ায়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নারী ভ্রমণকারীকে একজন পূর্ণবয়স্ক নাগরিক হিসেবে দেখা। তিনি একা ভ্রমণ করছেন মানেই তিনি অসহায় নন। তিনি বিবাহিত কি না, সঙ্গে পুরুষ আছে কি না কিংবা তার পরিবার জানে কি না—এসব প্রশ্ন সব পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা যাচাইয়ের অংশ হতে পারে না। একজন ভ্রমণকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব; তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপ্রয়োজনীয় কৌতূহল দেখানো সেই দায়িত্বের বিকল্প নয়।
বাংলাদেশে পর্যটনের সম্ভাবনা বিশাল। পাহাড়, সমুদ্র, বন, নদী, প্রত্নস্থাপনা, ঐতিহাসিক স্থাপনা—সব মিলিয়ে দেশটি ভ্রমণকারীদের জন্য বৈচিত্র্যময়। কিন্তু পর্যটন খাতের প্রকৃত বিকাশ তখনই সম্ভব, যখন নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশে ভ্রমণ করতে পারবেন।
একজন নারী যখন ব্যাকপ্যাক কাঁধে নিয়ে একা বের হন, সেটি শুধু একটি ব্যক্তিগত ভ্রমণ নয়; এটি নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতারও প্রকাশ। সেই যাত্রাপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু নিরাপত্তার নামে তাকে বারবার সন্দেহ করা, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করা কিংবা তার সক্ষমতাকে অস্বীকার করা কোনো সমাধান নয়।
ভ্রমণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়। নতুন মানুষ, নতুন সংস্কৃতি, নতুন ইতিহাস ও নতুন ভূগোলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। নারীরাও সেই অভিজ্ঞতার সমান অধিকারী। বাংলাদেশে একা নারী ভ্রমণকে যদি সত্যিই স্বাভাবিক করতে হয়, তাহলে শুধু নারীদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিলেই হবে না; সমাজ, পরিবার, হোটেল, পরিবহনব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী—সব পক্ষকেই নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। কারণ একজন নারী কোথাও ভ্রমণ করছেন—এটি সন্দেহের কারণ নয়; এটি তার নাগরিক স্বাধীনতারই একটি স্বাভাবিক প্রকাশ।
আপনার মতামত জানানঃ