হরমুজ প্রণালিতে একটি নৌযানে ইরানের ছোড়া জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ঘটনায় আট মার্কিন মেরিন সেনা আহত হওয়ার খবর নতুন করে সামনে এনেছে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা। ১৪ সেপ্টেম্বরের ওই হামলার তথ্য এতদিন প্রকাশ্যে না এলেও ২৮ সেপ্টেম্বর মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তা প্রকাশিত হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাতজন তালিকাভুক্ত মেরিন সদস্য এবং একজন কর্মকর্তা ছিলেন। তাদের কেউ গুরুতর আহত হননি এবং হামলার পর তারা দায়িত্বেও ফিরে যান। কিন্তু ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ একটি বাস্তবতা সামনে এনেছে—হরমুজ প্রণালির মতো কৌশলগত জলপথে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে উপেক্ষা করা কতটা কঠিন।
ইরানের সামরিক শক্তি শুধু একটি নির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র বা অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং দেশটির শক্তির বড় অংশ গড়ে উঠেছে এমন এক যুদ্ধকৌশলের ওপর, যেখানে সরাসরি প্রচলিত সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার পরিবর্তে ভৌগোলিক অবস্থান, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, দ্রুতগতির নৌযান, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং আঞ্চলিক মিত্র ও সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর সক্ষমতাকে একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এই কৌশলকে অনেক বিশ্লেষক অসম যুদ্ধের সক্ষমতা হিসেবে দেখেন।
হরমুজ প্রণালি এই কৌশলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চগুলোর একটি। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগকারী এই সরু জলপথ বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এখানে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু যুদ্ধরত দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।
সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় হরমুজে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি নিয়ে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও সতর্ক করেছে। ২৭ সেপ্টেম্বরের একটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সতর্কতায় প্রণালিটির ঝুঁকির মাত্রা ‘সিভিয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই সময়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে জাহাজ লক্ষ্যবস্তু করা, নজরদারি এবং হয়রানির অভিযোগ এসেছে। এসব দাবির সবগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবে পরিস্থিতি যে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ রয়েছে।
ইরানের সামরিক শক্তির একটি বড় স্তম্ভ হলো ক্ষেপণাস্ত্র। দেশটি কয়েক দশক ধরে নিজস্ব ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গড়ে তুলেছে। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, বিদেশি অস্ত্র সংগ্রহে সীমাবদ্ধতা এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার প্রয়োজন। ফলে ইরান শুধু অস্ত্র আমদানির ওপর নির্ভর না করে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়িয়েছে।
এই সক্ষমতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সংখ্যার সঙ্গে বৈচিত্র্য। ইরানের হাতে স্বল্প ও মধ্যপাল্লার বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের ড্রোন। ফলে কোনো সংঘাতে ইরানের প্রতিপক্ষকে একই ধরনের একটি হুমকির মোকাবিলা করতে হয় না; বরং একই সময়ে আকাশ, সমুদ্র ও স্থলভিত্তিক একাধিক উৎস থেকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি বিবেচনা করতে হয়।
হরমুজে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটিও এই বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যে নৌযানে মেরিন সদস্যরা ছিলেন সেটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ছিল না। নৌযানটির ধরনও প্রকাশ করা হয়নি। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আট মেরিন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের শ্বাসকষ্ট ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায় এবং সম্ভাব্য মস্তিষ্কে আঘাতের লক্ষণও ছিল। পরবর্তীতে তারা দায়িত্বে ফিরে যান।
ঘটনাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, হামলার তথ্য সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করা হয়নি। পরে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের হতাহতের ডাটাবেসে ওই আটজনের নাম যুক্ত করা হয়। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহতের তথ্য কীভাবে সংগ্রহ ও হালনাগাদ করা হয়, তা নিয়েও প্রশ্ন সামনে এসেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, কিছু আঘাতের উপসর্গ পরে প্রকাশ পাওয়ায় তথ্য নথিভুক্ত করতে সময় লাগতে পারে।
ইরানের সামরিক পরাক্রম বোঝার ক্ষেত্রে শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। দেশটির সবচেয়ে বড় কৌশলগত সুবিধাগুলোর একটি হলো ভূগোল। ইরানের দক্ষিণ উপকূল হরমুজ প্রণালির বিস্তীর্ণ অংশের কাছাকাছি। অর্থাৎ ইরানের উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, ড্রোন এবং নৌবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের জন্য এই জলপথ একটি স্বাভাবিক সামরিক কার্যক্ষেত্র। বিপরীতে দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আসা বিদেশি বাহিনীকে এখানে দীর্ঘ সরবরাহ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়।
এখানেই ইরানের ‘অ্যাসিমেট্রিক’ বা অসম যুদ্ধকৌশল কার্যকর হয়ে ওঠে। একটি অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বিপরীতে ইরানকে সমপর্যায়ের আরেকটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করতে হবে—এমন নয়। তুলনামূলক কম খরচের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, ছোট নৌযান কিংবা সমুদ্রপথে নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে বড় সামরিক শক্তির ওপর চাপ তৈরি করাও তাদের কৌশলের অংশ।
তবে এর অর্থ এই নয় যে ইরান প্রচলিত সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী, বিমানশক্তি, গোয়েন্দা সক্ষমতা, স্যাটেলাইট ব্যবস্থা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক সামরিক উপস্থিতির সঙ্গে ইরানের সরাসরি তুলনা করা যায় না। বরং ইরানের শক্তির মূল জায়গাটি হলো—নিজের ভৌগোলিক এলাকায় এবং তার আশপাশে একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের জন্য যুদ্ধের খরচ ও ঝুঁকি বাড়িয়ে দেওয়া।
এই কৌশলের সঙ্গে ইরানের ড্রোন সক্ষমতাও যুক্ত হয়েছে। গত কয়েক বছরে ইরানের তৈরি বিভিন্ন ধরনের ড্রোন আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় এসেছে। তুলনামূলক কম খরচে বড় সংখ্যায় ড্রোন ব্যবহার করা গেলে তা প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। একটি অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তুলনামূলক সস্তা ড্রোন প্রতিহত করতে হলে প্রতিরক্ষাকারী পক্ষের ব্যয় অনেক বেশি হতে পারে। এই অর্থনৈতিক হিসাবও অসম যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ইরানের আরেকটি শক্তি হলো দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি। দেশটি বহু বছর ধরে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে তার প্রতিরক্ষা কাঠামো তৈরি করেছে। ফলে সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং অস্ত্র ব্যবস্থাকে এমনভাবে ছড়িয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে একটি মাত্র হামলায় পুরো সক্ষমতা ধ্বংস করা কঠিন হয়। পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ও বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডও এই প্রতিরক্ষা কৌশলে কিছু সুবিধা দেয়।
ইরানের সামরিক সক্ষমতার সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তির সমীকরণও জড়িত। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর ফলে ইরানের প্রভাব শুধু নিজস্ব ভূখণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতের সঙ্গে ইরানের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ জড়িয়ে আছে।
এই বাস্তবতায় হরমুজ প্রণালি ইরানের জন্য শুধু একটি জলপথ নয়; এটি একটি কৌশলগত চাপ তৈরির মাধ্যমও। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস সরবরাহের একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে যায়। তাই প্রণালিতে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। ৯ সেপ্টেম্বরের এক পর্যায়ে হরমুজের আশপাশে জাহাজে হামলার খবরের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছিল।
ইরান তাই জানে, হরমুজকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনার অর্থনৈতিক প্রভাব সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে ইরানের জন্যও হরমুজের দীর্ঘমেয়াদি বন্ধ থাকা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ দেশটির নিজস্ব তেল রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমও এই অঞ্চলের সমুদ্রপথের সঙ্গে যুক্ত। ফলে হরমুজকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া এবং সীমিতভাবে চাপ প্রয়োগ করার মধ্যে বড় কৌশলগত পার্থক্য রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক চাপ কমালে এবং অবরোধ প্রত্যাহার করলে তারা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে প্রস্তুত। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর এক ইরানি কর্মকর্তা এমন অবস্থানের কথা জানান। অর্থাৎ সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি হরমুজকে কূটনৈতিক দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করার চেষ্টা করছে তেহরান।
ইরানের সামরিক শক্তির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এখানেই—অস্ত্র ও ভূগোলকে রাজনৈতিক বার্তার সঙ্গে যুক্ত করা। একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুধু একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে না; সেটি প্রতিপক্ষকে একটি বার্তাও দেয় যে সংঘাতের মূল্য শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, সমুদ্রপথ, জ্বালানি বাজার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও দিতে হতে পারে।
তবে ইরানের এই সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত, বিমান প্রতিরক্ষা, অর্থনৈতিক চাপ, সামরিক অবকাঠামোর ক্ষতি এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। একইভাবে হরমুজে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত করলে ইরানের ওপরও অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।
তাই ইরানের পরাক্রমকে শুধু ‘কত শক্তিশালী’—এই একক প্রশ্নে বিচার করা যায় না। বরং প্রশ্নটি হলো, ইরান তার সীমিত সম্পদ দিয়ে কতটা বড় সামরিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি প্রতিপক্ষের সামনে তৈরি করতে পারে। এই জায়গায় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, নৌ সক্ষমতা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক একসঙ্গে কাজ করে।
হরমুজে আট মার্কিন মেরিন আহত হওয়ার ঘটনা সেই কৌশলের একটি নতুন উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে। ঘটনাটি বড় কোনো সামরিক বিজয়ের প্রমাণ—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার মতো তথ্য নেই। আবার এটিকে বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনাও বলা যায় না। কারণ এটি এমন একটি সময়ে ঘটেছে, যখন হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি দুটোই বেড়েছে।
শেষ পর্যন্ত ইরানের সামরিক শক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তার প্রতিপক্ষকে নিজের পছন্দের যুদ্ধক্ষেত্রে টেনে আনার সক্ষমতা। সরাসরি শক্তির প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা না দিয়ে ইরান এমন জায়গা বেছে নিতে চায় যেখানে ভূগোল, দূরত্ব, জ্বালানি সরবরাহ এবং সমুদ্রপথ তার জন্য কৌশলগত সুবিধা তৈরি করে। হরমুজ সেই জায়গাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আট মার্কিন মেরিন আহত হওয়ার ঘটনাটি তাই শুধু আটজন সেনার আহত হওয়ার খবর নয়। এর পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের সামরিক প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে নিজস্ব অস্ত্রশিল্প গড়ে তোলার প্রচেষ্টা, ভৌগোলিক সুবিধাকে সামরিক শক্তিতে রূপান্তর এবং অসম যুদ্ধের কৌশল। ইরান হয়তো প্রচলিত সামরিক শক্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর সমকক্ষ নয়, কিন্তু নিজের ভূখণ্ড ও আশপাশের কৌশলগত এলাকায় প্রতিপক্ষের জন্য ঝুঁকি তৈরি করার সক্ষমতা যে তার রয়েছে, হরমুজের সাম্প্রতিক ঘটনাটি আবারও সেই বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।
আপনার মতামত জানানঃ